2 Answers

জন ডাল্টনের সময় এটি মনে করা হত। কিন্তু বর্তমানে ডাল্টনবাদের ত্রুটি এটি। কারন এখন পরমানুকেও ভাঙ্গা যায়, এবং স্থায়ী কনিকা ইলেক্ট্রন, প্রোটন, নিউট্রন পাওয়া যায়। অস্থায়ী আরও অনেক কনিকা পাওয়া যায়। কাজেই বর্তমান এ ধারনা ঠিক নয়।

2542 views

কথাটি মিথ্যা।

যুক্তি... 

পদার্থ বিজ্ঞানের     পরির্ভাষায়, মহাবিশ্বের প্রতিটি বস্তুই অতি ক্ষুদ্র কণা দ্বারা গঠিত। এই ক্ষুদ্র কণাকে পরমাণু নামকরণ করা। পরমাণু অর্থ পরম বা অতি ক্ষুদ্র অণু। পরমাণুবাদের ধারণা প্রাচীন গ্রীসে দার্শনিক মতবাদ হিসেবে আবির্ভূত হয়। পরবর্তীতে উনিশ শতকের প্রথমভাগে এই ধারণা বিজ্ঞানের মূল ধারায় প্রবেশ করে। বৈজ্ঞানিকগণ এই ধারণাকে পূর্ণতা দানে সক্ষম হন। পরমাণুর ইংরেজি প্রতিশব্দ “এটম” প্রাচীন গ্রিক বিশেষণ “এটমস” থেকে এসেছে যার অর্থ অবিভাজ্য, যাকে আর ভাগ করা যায় না। ঊনবিংশ শতকের রসায়ণবিদগন পদার্থের এই অবিভাজ্য অংশকে Atom বা অবিভাজ্য নামে ডাকলেও পরবর্তীকালে বিংশ শতকে তড়িৎচুম্বকীয় পদ্ধতি, তেজস্ক্রিয় পদ্ধতি ইত্যাদির সাহায্যে প্রমাণিত হয় যে পরমাণুকে আরো ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র অংশে বিভাজন করা যায়। নতুন এই ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র অংশ ইলেকট্রন, প্রোটন, নিউট্রন নামে পরিচিতি লাভ করে। পরমাণুকে প্রাথমিকভাবে মৌলক পদার্থ বলা হয়। 

যেহেতু সর্বশেষ আবিষ্কার কে প্রাধন্য দেয়া তাই বিংশ শতকে তড়িৎচুম্বকীয় পদ্ধতি, তেজস্ক্রিয় পদ্ধতি ইত্যাদির সাহায্যে প্রমাণিত হয় যে পরমাণুকে আরো ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র অংশে বিভাজন করা যায়। 

তাই এটি বিভাজ্য।

2542 views

Related Questions