করোনাভাইরাস সত্যিই কি চীনের জীবাণু অস্ত্র?
করোনা ভাইরাস সত্যিই কি চীনের জীবাণু অস্ত্র?বিস্তারিত বলবেন সবাই
2 Answers
হ্যা করোনা ভাইরাস চীনের জীবাণু অস্ত্র। ইসরায়েলের সাবেক সামরিক গোয়েন্দা কর্মকর্তা ড্যানি শোহাম ‘কোভিড ১৯’ বা করোনাভাইরাসকে চীনের উহান ইনস্টিটিউট অব ভাইরোলজির গবেষণাগারে তৈরি করা হয়েছে বলে দাবি করেন। চীনের জীবাণু যুদ্ধাস্ত্র নিয়ে তিনি গবেষণা করেছেন।
তিনি বলেন, চীনের গোপন জীবাণু অস্ত্র কর্মসূচির সঙ্গে উহান ইনস্টিটিউট অব ভাইরোলজির সংশ্লিষ্টতা রয়েছে। এই ইনস্টিটিউটের কিছু ল্যাবরেটরিতে চীনের নতুন নতুন জীবাণু অস্ত্র তৈরি এবং এসব অস্ত্র নিয়ে গোপনে গবেষণা করা হয়। সামরিক-বেসামরিক গবেষণার অংশ হিসেবে অত্যন্ত গোপনীয়তার সঙ্গে জীবাণু অস্ত্রের ওপর সেখানে কাজ পরিচালিত হয়।
চীনের হুবেই প্রদেশের উহান শহরের একটি সামরিক গবেষণাগারে করোনাভাইরাস তৈরি করা হয়েছে। এরপর সেখান থেকে ভুল করে ভাইরাসটি বাইরে ছড়িয়ে পড়েছে। চীন এই জৈবাস্ত্র তৈরি করেছে বিশ্ববাণিজ্য দখলে নিতে ও দুনিয়াজুড়ে নিজের কর্তৃত্ব বাড়াতে। করোনাভাইরাস ছড়িয়ে পড়ার পর এ অভিযোগ ব্যাপক চর্চার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। এ রকম অভিযোগ প্রথম করেন ইসরায়েলের গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদের সাবেক এক কর্মকর্তা। এরপর সেই তালিকায় যুক্ত হন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও।
বিস্তারিত prothomalo
করোনা ভাইরাস যে চীনের জীবাণু সেটা পুরোপুরি নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
যুক্তরাষ্ট্রের সিনেটর টম কটন জানুয়ারির ৩১ তারিখে টুইটারে একটি পোস্ট দেন। এতে লেখেন, " আমরা এখনও জানি না করোনাভাইরাস কোথা থেকে এসেছে। এটা কোনো বাজার, খামার কিংবা খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণের মাধ্যমে আসতে পারে। আমি শুধু এটা মনে করিয়ে দিতে চাই, উহান শহরে চীনের একমাত্র বায়োসেফটি লেভেল-৪ (পরীক্ষাগারে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা স্তর) এর পরীক্ষাগারটি অবস্থিত। এখানে সবচেয়ে ভয়ংকর সংক্রামক ভাইরাসগুলো নিয়ে কাজ করা হয়, যার মধ্যে করোনাভাইরাসও আছে"
অর্থাৎ তিনি পরোক্ষভাবে বলছেন, করোনাভাইরাস চীনের উহান শহরের পরীক্ষাগারে তৈরিকৃত মানবসৃষ্ট ভাইরাস। ডোনাল্ড ট্রাম্পসহ রিপাবলিকান নেতারা ভাইরাসটিকে ক্রমাগত চিনের তৈরি ভাইরাস বলছেন। এদিকে ইরান করোনাভাইরাস মহামারির জন্য আমেরিকানদের দায়ী করছে। রাশিয়ান গণমাধ্যমে আবার দায়ী করা হচ্ছে যুক্তরাজ্যকে।
নেচার মেডিসিনের জার্নালে গত ১৭ মার্চ একটি গবেষণা প্রবন্ধ প্রকাশিত হয়। এই গবেষণায় দেখা গেছে, এই ভাইরাসটি যেভাবে বিবর্তিত হয়েছে তা শুধু প্রাকৃতিকভাবেই হওয়া সম্ভব,জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের মাধ্যমে সম্ভব নয়।
সার্স ভাইরাসের সাথে সার্স সিওভি-২ (অর্থাৎ করোনাভাইরাস) এর জেনেটিক কোডের কিছুটা পার্থক্য আছে। কিন্তু সার্স ভাইরাসকে মিউটেশনের মাধ্যমে সার্স সিওভিতে (করোনাভাইরাস) রূপান্তরিত করলে সেটা মানব কোষের সাথে যুক্ত হওয়ার মতো উপযোগী হতো না। বিজ্ঞানীরা যদি ইচ্ছাকৃতভাবে জিনগত পরিবর্তনের মাধ্যমে ভাইরাসকে তৈরি করতেন, তাহলে এমন কিছু করতেন না যা কম্পিউটার মডেল গ্রহণ করে না। সার্স সিওভি-২ ভাইরাস এত কার্যকর আর ভিন্নভাবে বিবর্তিত হয়েছে, যা কোনো বিজ্ঞানীর পক্ষে বানানো সম্ভব হতো না।
তাহলে এই নতুন করোনাভাইরাস সার্স সিওভি-২ কোথা থেকে এসেছে? নেচার মেডিসিন এবং নিউ ইংল্যান্ড জার্নাল অব মেডিসিনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, এটার উৎপত্তি বাদুড় থেকে।
তথ্যসূত্রঃ roar বাংলা
Related Questions
Next steps
- Find a doctor for in-person or online consultation
- Browse medical tests patients often ask about
- Check medicine information (uses, dosage, brands in Bangladesh)
- More health Q&A on Bissoy