আমার মেয়ের বয়স ৬ মাস ২০ দিন।  জন্মের পর থেকেই মায়ের দুধ খুব একটা পেত না। তাই মায়ের দুধের পাশা পাশি বায়োমিল খাওয়াইছি। তখনও খাওয়ার কোন সমস্যা ছিলো না। ঘন ঘন খেতো। কিন্তু ৬ মাস শেষ হবার পর বাচ্ছারে কোন কিছুই খাওয়াতে পারছি না। খাবার মুখের ভিতর দিলেই কান্না করে। খাবার মুখের ভিতর নিয়ে থাকে কিন্তু ঢোক গিলে না। একটু পরই সব মুখ থেকে বের করে  দেয়। বুকের দুধও খেতে চায় না। এ বিষয়ে একটা পরামর্শ চাই। আর এই বয়সে  বাচ্ছাদের খাবার রুটিন ও মেন্যুটা যদি একটু বলেন তাইলে একটু উপকার হতো।

2942 views

1 Answers

বাচ্চাদের গ্যাস্ট্রিক করলে খাবারে অনিহা করে, আপনি বেবির পায়খানা দেখুন কিরকম করে, এবং দিনে কত বার পায়খানা করে।

প্রয়োজনে একজন হোমিও ডাক্তারের যাথে আলোচন করুন। এবং  ৬ মাস বয়স থেকে শিশুকে মায়ের দুধের পাশাপাশি বাড়ীর সব ধরনের

দেওয়া আরম্ভ করতে হবে। খাবার প্রথমদিকে অবশ্যই নরম হতে হবে

গত অপেক্ষাকৃত শক্ত খাবারে শিশুকে অভ্যস্থ করতে হবে। মনে  শিশুর খাবার যেন সুষম খাদ্য হয়। " খাদ্য। আমিষ,

খনিজ, খাদ্যপ্রাণ ও পানি মিলেই হয়। ছয় মাসের পর থেকে শিশুর প্রথম খাবার অবশ্যই শর্করা দিয়ে শুরু করা উচিত যেমন নরম ভাত, সিদ্ধ আলু, ফুলকপি, শিম, বরবটি হজমে সমস্যা না হ

ধীরে ধীরে ফল থেতে দিন। যেমন পাকা কলা, আম, পাকা

পেপে। 

নতুন খাবার দেওয়ার সময় অবশ্যই খেয়াল রাখুন কোথাও র্যাশ,

বমি, বাচ্চার কান্না বেড়ে যাওয়া, পেট ফুলে যাওয়া  অথবা প্রস্রাব ‘ পায়খানার পরিবর্তন অনুভব হলে সেই খাবার বন্ধ করে দিন।

 শিশুর খাবার সামান্য তৈল দিয়ে রান্না করে শিশুকে খাওয়ান 

আমিষ জাতীয় খাবার: মাছ, মাংস, ডিম, ডাল, দুধ ইত্যাদি।

  শর্করা: ভাত, রুটি, আলু, মিষ্টি, চিনি ও ২ ইত্যাদি। 

তৈল (হে): যে কোন তৈল যেমন: সরিষার তৈল, সয়াবিন তৈল, ঘি 

খনিজ?: ক্যালসিয়াম, লৌহ, জিঙ্ক, ইত্যাদি। ক-সবজি

কলিজাতে বেশি পরিমানে থাকে। 

খাদ্য প্রাণ: শাক-সবজি, তরকারি, ডিম, মাখন, | ফলমূল, মাছ ও মাংস ইত্যাদিতে 

বেশি পরিমানে খাদ্য প্রাণ থাকে।

ধন্যবাদ 

2942 views

Related Questions