7 Answers
ক্রিম না দিয়ে কাঁচা হলুদ গোছলের পূর্বে মুখে মাখুন।
ক্রিমে রাসায়নিক দ্রব্য মিশানো এজন্য ত্বকের ক্ষতি হতে পারে
কোনো ক্রিম ব্যবহার না করাই উত্তম। প্রয়োজনে ডাক্তারের পরামর্শ গ্রহণ করুন।
ব্রণের ক্ষত দূর করার প্রাকৃতিক উপায়ঃ
০১. ভিটামিন ই তেলঃ
ব্রনের গর্তের দাগ সারানোর জন্য সবচেয়ে সহজ ও কার্যকর সমাধান হচ্ছে ভিটামিন ই তেল। এটি ব্রণের গর্তে যাদুর মত কাজ করে। প্রতিদিন অল্প পরিমাণে ভিটামিন ই তেলের ব্যবহারে আপনার মুখমন্ডল হয়ে উঠবে দাগহীন,উজ্জ্বল। এটি ব্রণের কালো দাগ সারাতেও সাহায্য করে। ভিটামিন ই তেল বাজারে কিনতে পাওয়া যায়। আর না পেলে ভিটামিন ই ক্যাপসুল ব্যবহার করুন। প্রথমে সমস্ত মুখ মন্ডল তেল মুক্ত ফেস ওয়াস দিয়ে পরিষ্কার করে নিন । আরপর একটা পরিষ্কার পিন বা সূঁচ এর সাহায্যে ক্যাপসুলটি ফুটো করে তেল নিঃসরন করুন। তারপর পরিষ্কার হাত দিয়ে মুখে লাগিয়ে নিন। খুব বেশি তৈলাক্ত ত্বক হলে লাগানোর আধ ঘণ্টা পর টিস্যু পেপার দিয়ে অতিরিক্ত তেল চেপে চেপে তুলে নিন। নয়ত সারা রাত লাগিয়ে রাখতে পারেন। সমস্যা খুব বেশি না হলে সপ্তাহে ২-৩ বার এভাবে
করুন।
০২. লেবুঃ
লেবু সাইট্রিক এসিদের খুব ভাল উৎস। সাইট্রাস এসিড
স্কার সারাতে অনবদ্য। কয়েক গ্লাস লেবুর শরবত পান করলে তার সাইট্রিক উপাদান আপনার দেহের ভেতর থেকে মরা কোষ সারিয়ে ত্বকের রঙ হালকা করতে সাহায্য করে। একটি মাঝারি আকারের লেবুর রস সমপরিমাণ পানির সাথে মিশিয়ে মুখে
ঘষুন এতে গর্তের দাগ হালকা হবে। সময়ের সাথে সাথে আপনি পাবেন দাগ মুক্ত ত্বক।
০৩. অ্যালোভেরা জেলঃ
অ্যালোভেরা জেল প্রকৃতির আশীর্বাদ স্বরূপ। এই একটা উপাদান ত্বকের নানা রকম সমস্যা থেকে মু্ক্তি দেয়। টাটকা অ্যালোভেরা জেল ব্যবহার করুন । এখন বিভিন্ন সুপার শপ গুলোতে অ্যালোভেরা পাওয়া যায়। সেখান থেকে কাঁচা অ্যালোভেরা কিনে জেল বের করে নিতে হবে। বাইরে থেকে কিনতে না চাইলে নিজের টবেও লাগাতে পারেন অ্যালোভেরা। প্রথমেই একটি আস্ত অ্যালোভেরা নিয়ে সেটিকে ছুঁরির সাহায্যে যে কোন এক দিক থেকে কাটুন। কাটলেই দেখবেন ভেতরে স্বচছ্ব জ়েলীর মত উপাদান, এটি ব্যবহার করুন। দিনে যতবার ইচ্ছা ব্যবহার করতে পারেন। এটি আপনাকে দেবে বিরক্তিকর ব্রণের গর্তের দাগ থেকে মুক্তি।
০৪. টমেটোঃ
টমেটোতে আছে ভিটামিন এ; যা সেবামের অতিরিক্ত ক্রীয়া বন্ধ করতে সক্রিয় ভূ্মিকা রাখে এবং ব্রণ ও ব্রণের দাগ দুটোই সারিয়ে তোলে। তাছাড়া এতে আছে প্রচুর পরিমাণে এন্টি- অক্সিডেন্ট, যা ত্বকের ক্ষয়-ক্ষতি সারিয়ে তুলতেও সাহায্য করে। মাঝারি আকারের টাটকা টমেটো নিন। একে সমান ২ ভাগে ভাগ করুন। এবার দুই গালে প্রথমে ঘড়ির কাঁটার দিকে এবং তারপর ঘড়ির কাঁটার বিপরীত দিকে ম্যাসাজ করুন। এতে যেমন গর্তের দাগ হালকা হবে, তদুপুরি রোদে পোড়া ভাব-ও কমবে। তাছাড়া এটি অনেক ভালো মেক-আপ রিমুভারের কাজ-ও করে থাকে ।
০৫. অলিভ ওয়েলঃ
অলিভ ওয়েল একটি জাদুকরী উপাদান। এটি শুধু খাদ্যদ্রব্যই সুস্বাদু করে না, এটি ত্বক পরিচর্যায় ও কার্যকরী ভূমিকা রাখে। এক্সট্রা ভারজিন অলিভ ওয়েল দ্রুত ব্রনের গর্ত সারাতে সাহায্য করে। অলিভ ওয়েলের ময়েশ্চারাইজিং গুণাগুণের কারণে এটি দ্রুত ত্বকের সাথে মিশে যায় এবং গর্ত সারাতে সাহায্য করে। অল্প পরিমাণে অলিভ ওয়েল নিয়ে মুখ মন্ডলে মালিশ করুন এবং ভালো ফল পেতে ঘুমুতে যাওয়ার আগে ব্যবহার করুন ।
০৬. মধুঃ
মধু একটি পরিচিত প্রাকৃতিক প্রসাধনী। প্রাচীন কাল থেকেই রূপচর্চার জন্য মধুর ব্যবহার প্রচলিত। মধুর মিষ্টতা খাবার হিসাবেও খুব ভালো। ফ্যাট কম থাকায় এটি আপনাকে ফিট থাকতে যেমন সাহায্য করে তেমনি নিয়মিত ব্যবহারে সারিয়ে তোলে ব্রণের গর্তের দাগ।
০৭. বরফ কুচিঃ
বরফ কুচির ব্যবহারে ব্রণের গর্ত হালকা হওয়াটা অনেকটা পরীক্ষীত। অনেকেই আছে ঘরে বসে স্কার সারানোর জন্য বরফ কুচি ব্যবহার করে থাকেন। পাতলা কাপড় বা তুলোতে একটা বরফের টু্করো নিয়ে গর্তের জায়গায় ১৫-২০ মিনিট ঘষে লাগান। এতে ত্বকে আরামদায়ক অনুভুতির পাশাপাশি সারিয়ে দেবে গর্তের দাগ।
০৮. ফেস প্যাকঃ
ব্রণের গর্ত সারাতে আপনার ফেস প্যাকে মেশান বেসন, টকদই ও শশার রস। এটি আপনার ত্বককে রাখবে দাগহীন, উজ্জ্বল ও প্রাণবন্ত। ব্রণ ও ব্রণের গর্ত সারাতে সবার আগে খেয়াল রাখতে হবে খাওয়া দাওয়া এবং জীবন যাত্রা যেন সুস্থ ও পরিকল্পিত হয়। সঠিক ঘুম, খাওয়া ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতাই পারে ব্রণ মুক্ত রাখতে। এতে ত্বকের অন্য্যন্য সমস্যা থেকেও পরিত্রাণ মেলে।
বোরো প্লাস ক্রিমটি ব্যবহার করেন ভালো হয়ে যাবে! এই ক্রিমটি নিজে ব্যবহার করে ভাল ফল পেয়েছি!
ভিটনোভেট-এন অয়েনমেন্ট ব্যবহার করলে ক্ষত দাগ মিশে যাবে।বা আপনি রাতে ঘুমানোর সময় লেবুর রস লাগাই ঘুমান।সকাল এ ঠান্ডা পানি দিয়ে দুয়ে পেলুন।কয়কদিন ব্যাবহার করলে আপনার বরনের ক্ষত দাগ দূর হবে।
প্রাকৃতিক উপায়ে ব্রণের ক্ষত দাগ
সারাতে কী করবেন।
চিনি দিয়ে স্ক্রাব –
যাঁদের ত্বকে ব্রনের অনেক ক্ষত
দাগ রয়েছে তারা চিনি ব্যবহার করতে
পারেন দাগ রোধ করতে। কারণ
চিনিতে আছে গ্লাইকলিক এসিড
( glycolic acid) ও AHA উপাদান যা
ত্বকের মৃত কোষ রোধ করে এবং
নতুন কোষ তৈরিতে সাহায্য করে।
পরিমাণ মতো চিনি নিয়ে তাতে
সামান্য অলিভ ওয়েল ও লেবুর রস
মিশিয়ে পেস্ট বানিয়ে নিন। তারপর
ত্বকে ম্যাসেজ করুন। ১০/১৫ মিনিট
পর ধুয়ে ফেলুন। ভালো ফলাফল
পেতে সপ্তাহে ২/৩ বার ত্বকে চিনির
এই পেস্ট ব্যবহার করুন। কিন্তু
ত্বক পরিষ্কার করে ফেলার পর
ময়শ্চার লাগাতে ভুলবেন না।
ভিটামিন ই ক্যাপসুল –
ত্বকে ব্রণের ক্ষত রোধ করতে
সবচেয়ে সহজ উপায় হল ভিটামিন ই।
ভিটামিন ই ক্যাপসুল ব্রণের ক্ষত
দাগা সারাতে খুব ভালো কাজ করে।
প্রতিদিন ময়শ্চারাইযার হিসেবে
ভিটামিন ই ক্যাপসুল ত্বকে ব্যবহার
করুন। ভিটামিন ই ক্যাপসুল ত্বকের
ক্ষত দাগ তো রোধ করেই সাথে
ব্রণও রোধ করে।
আলুর রস –
নানা ধরণের পুষ্টি ও মিনারেলে
ভরপুর সবজি হল আলু। আর এই
আলু আমাদের দেহ ও ত্বক উভয়ের
জন্যই ভালো। ত্বক থেকে ব্রণের
ক্ষত দাগ সারাতে আলুর জুস
ব্যবহার করুন। একটি আলু নিয়ে
কেটে স্লাইস করে নিন তারপর
সরাসরি ত্বকের ক্ষত দাগের ওপর
দিয়ে রাখুন। এছাড়াও আলু কেটে
ব্লেন্ড করে তা থেকে রস নিয়ে
ত্বকে ম্যাসেজ করতে পারেন এবং
আরও ভালো ফল পেতে আলুর রস
ত্বকে দিয়ে ১৫ মিনিট অপেক্ষা করুন
তারপর কুসুম গরম পানি দিয়ে মুখ
ধুয়ে ফেলুন। প্রতিদিন একবার
এইভাবে ত্বকে আলুর রস ব্যবহার
করুন।
অলিব ওয়েল & গ্লিসারিং মিক্স করে প্রতিদিন ২ঘন্টা ২মাস থেকে ২বছর পর্যান্ত মাসাজ করুন। এটা ১০০% কাজ হবে। কিন্তু ফল পাওয়ার জন্য অনেক বেশি সময় ধর্য্য ধরতে হবে।