আমার প্রিমিকা 7 শ্রেণীতে যখন পড়ালেখা করে। তখন তার দুলাভাই জোর করে তার সাথে যৌন কর্মে লিপ্ত হয়। আমার সাথে তার সম্পর্ক হয় ক্লাস 9 এ এবং ক্লাস 10 এ তার সাথে শারীরিক সম্পর্ক করি এবং আমি বুঝতে পারি সে ভার্জিন নয় এবং আমি তাকে প্রশ্ন করি সে আমাকে সব খুলে বলে। এখন আমার প্রশ্ন হলো তাকে কি বিবাহ করা যাবে ইসলাম কি বলে?

আমার প্রিমিকা 7 শ্রেণীতে যখন পড়ালেখা করে। তখন তার দুলাভাই জোর করে তার সাথে যৌন কর্মে লিপ্ত হয়। আমার সাথে তার সম্পর্ক হয় ক্লাস 9 এ এবং ক্লাস 10 এ তার সাথে শারীরিক সম্পর্ক করি এবং আমি বুঝতে পারি সে ভার্জিন নয় এবং আমি তাকে প্রশ্ন করি সে আমাকে সব খুলে বলে। এখন আমার প্রশ্ন হলো তাকে কি বিবাহ করা যাবে ইসলাম কি বলে?
3485 views

1 Answers

ইসলামে তাকে বিবাহ করা যাবে।

ইসলামের দৃষ্টিতে জোরপূর্বক যিনা যাকে ধর্ষণ বলা হয়ে থাকে তা ব্যভিচার থেকেও ভয়াবহ অপরাধ গণ্য। কারণ, ধর্ষণে যিনা সংঘটিততো আছেই, উপরন্তু ধর্ষক জালেম সাব্যস্তও হয়। অপরদিকে ধর্ষিতা হয় মাজলুম বা নির্যাতিতা।

আর ইসলামের অবস্থান বরাবরই মাজলুমের পক্ষে। তাই ধর্ষিতার কোনো শাস্তি ইসলামে নেই। এক্ষেত্রে তাকে বিবাহ করতেও কোন বাঁধা নেই।

হজরত উমর (রাঃ) এর যুগে সরকারি মালিকানাধীন এক গোলাম গণিমতের পঞ্চমাংশে পাওয়া এক দাসির সঙ্গে জবরদস্তি করে ব্যভিচার (ধর্ষণ) করে। এতে তার কুমারিত্ব নষ্ট হয়ে যায়। হজরত উমর (রাঃ) ওই গোলামকে কশাঘাত করেন এবং নির্বাসন দেন। কিন্তু দাসিটিকে কোনো শাস্তি প্রদান করেননি। (সহিহ বোখারি: ৬৯৪৯)।

কিন্তু আপনিও তার সাথে শারীরিক সম্পর্ক করছেন যা মোটেও ঠিক হয়নি। এক্ষেত্রে তাওবা করুন। আর তাকে বিবাহ করুন।

কোন নারী বা কোন পুরুষ যিনাকারী হিসাবে পরিচিত হলে যদি সেই কাজ থেকে তাওবা না করে তবে তাকে বিয়ে করা জায়েয নাই। [আয়সারুত-তাফাসির, সা‘দী]।
3485 views Answered

Related Questions

Next steps