5 Answers
সবার প্রথমে জেনে নিন আপনার ঘুমের কোন সমস্যা বা নার্ভাস ডিসঅর্ডার আছে কিনা। বাংলাদেশের নিউরোলজিস্টরা খুব একটা এ বিষয়ে সাহায্য করতে পারেননা। আপনি তাও চেষ্টা করে দেখতে পারেন।
১. শরীরে রক্ত কমে গেলে ঘুম বেশী আসে। এইজন্য আয়রন ফলিক এসিড সাপ্লিমেন্ট খেতে পারেন। আয়রন ট্যাবলেট কমলা বয়ামে যেটা বিক্রি হয় সেটাতে রক্তে ফ্যাটের পরিমাণ বেড়ে যায় । সেজন্য আপনি ফলিসন ট্রাই করতে পারেন-এটা বেশ কাজে দেয়।
২. পড়াশুনা বেশী থাকলে দিনের বেলা, বিকেল বেলা পড়ুন।
৩. চা কফি খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলতে পারেন। তবে অবশ্যই তা বেশি না।
৪. আপেল কলা খাওয়ার অভ্যাস করুন। আপেলের ক্যাফেইন ঘুম তাড়ায়। আর রাতে শোবার আগে কলা খেলে ঘুম ভালো হয়। রাতে খুব ভালো ঘুম হলে সকালে ঝিমুনি ভাবটা থাকেনা।
এছাড়া যা যা করবেন :
১. দুপুরে ঘুমাবেন না ।
২. রাতের ঘুমটা সময়মতে ঘুমানোর চেষ্টা করুন।
৩. সারাদিন অল্প অল্প করে চার থেকে পাঁচবার খাবেন, বেশি খাবার ঘুম বাড়ায়। তাই বেশি খাবার সম্পূর্ণ রুপে বর্জন করুন।
৪. লাল মাংস, মিষ্টি, ভাত, আম -এগুলো ঘুম বাড়ায়-যথাসম্ভব বর্জন করুন।
৫. শুয়ে শুয়ে বই পড়ার অভ্যাস বাদ দিন।
৬. প্রতিদিন আধাঘন্টা ব্যায়াম করুন -ঘুমানোর আগে হাঁটুন।
৭. নেশাজাতীয় দ্রব্য বর্জন করুন।
এটা একান্তই আপনারা ব্যক্তিগত ব্যাপার। সম্পূর্ণ সমস্যার
সমাধানটি আপনার উপরেই নির্ভরশীল!! আপনি চাইলে বা
চেষ্টা করলে কোনো ব্যাপার না,কঠিন কিছু না!!
চেষ্টা করলে এবং নিজের প্রতি কনফিডেন্স থাকলে
দেখবেন কঠিনটাও নিজের নিকট সহজ হয়ে যাবে।
নিজের প্রতি আত্মবিশ্বাস রাখুন যে আপনি এটা পারবেনেই
দেখবেন তখন কাজটা আরো সহজ হয়ে যাবে।
হঠাৎ করেই যে পারবেন এমনটাও কিন্তু না,
চেষ্টা অব্যাহত রাখবেন দেখবেন আস্তে আস্তে অভ্যাস হয়ে
যাবে।
আপনি রাতে পড়ার জন্য দিনে ( দুপুরবেলা) এক থেকে দেড়
ঘন্টা ঘুমাতে পারেন।
বিকেলবেলা চা বা কফি ( পরিমানমত ) পান করতে পারেন।
আশাকরি রাত জাগতে পারবেন।
একটানা পড়াশোনা না করে মাঝে মাঝে একটু রেষ্ট নিন।মানে একটু গান শোনা, পায়চারি করা,ব্যায়াম করা।এতে মনের বিরক্তি ,একঘেয়ে ভাবটা কেটে যাবে।।পড়ায় মনোযোগ আসবে।
আপনাকে দিনের কিছু অংশ সময় ঘুমাতে হবে। তাহলেই রাত জেগে পড়াশোনা করতে পারবেন। সবচেয়ে বড় কথা হলো নিজের প্রতি কনফিডেন্স থাকতে হবে।❤❤❤❤❤