2 Answers
এই মুহুর্তে আপনার যে দিক থেকে পিছিয়ে আছেন তা হলো চর্চা। বাস্তব জিবনে চর্চা না থাকলে ইংরেজি বলাটা কঠিন মনে হয়।
আমি নিজেও একসময় এরকম পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়েছিলাম। আমার ক্ষেত্রে দুটি বিষয় খুব উপকারে এসেছে, প্রথমত আমি ইংরেজি গান ও মুভির প্রতি খুব আকৃষ্ট ছিলাম। নেটিভ ইংলিশ বুঝতে সমস্যা হতো বলে গান লিরিক্সসহ এবং মুভি সাবটাইটেলসহ দেখতাম। যেহেতু গানের কথা বা মুভির সংলাপ অনেকক্ষণ যাবত মনে থাকে তাই এগুলো ইংরেজির প্রতি সাবলীলতা বৃদ্ধি করতে অসাধারণ ভূমিকা পালন করে। তারপর একটা সময় আমি মনে মনে বিভিন্ন বিষয়ে ইংরেজি বলা শুরু করি। ভুল বলতাম নাকি শুদ্ধ বলতাম তা জানিনা, তবে তা আমার যথেষ্ট উপকারে এসেছে।
এরপর দশম শ্রেণীর শেষ দিকে ইংরেজি বলার মতো কিছু বন্ধু পেয়ে যাই, তাদের সাথে ইংরেজিতে ভালোই আড্ডা জমতো। আর এক্ষেত্রে আমি আবার অন্যদের চাইতে আলাদা ছিলাম, আমার একসেন্ট ছিলো অনেকটা নেটিভ US English এর মতো আর ওদেরটা রেগুলার ইন্ডিয়ান ইংলিশ। ইংরেজি গান আর মুভিতে অভ্যস্ততার কারণেই এই পার্থক্য সৃষ্টি হয়েছিলো। যাই হোক আমি এখনও ইংরেজি গান, মুভি, কমেডি শো ইত্যাদি দেখতে অভ্যস্ত। অবসর সময়ে একটি ইংরেজি প্রশ্নোত্তর সাইটে লেখালিখি করি, কোনো কিছু জানার প্রয়োজন হলে বাংলার বদলে ইংরেজিতে সার্চ করি -- অর্থাৎ সব মিলিয়ে ইংরেজিটাকে নিজের দৈনন্দিন জিবনের সাথে এক করে রাখার চেষ্টা করি।
আপনিও এভাবে চেষ্টা করে যান, ইংরেজি বলা মোটেও কঠিন কিছুনা, শুধু চর্চা ও আত্মবিশ্বাস প্রয়োজন।
ইংরেজী বলার জন্য শব্দভান্ডারে দক্ষতা থাকা প্রয়োজন। তাই আপনার উচিত নিজের শব্দভান্ডারকে সমৃদ্ধ করা। প্রতিটি শব্দের সঠিক উচ্চারণ আয়ত্ত্ব করতে হবে। পাশাপাশি tense এর ব্যবহার সঠিকভাবে জানতে হবে। তাছাড়া বাক্য গঠনের পদ্ধতি সম্পর্কে ভালো ধারণা থাকতে হবে। আশাকরি এতে ইংরেজী বলা সহজ হবে। এবং ধীরে ধীরে চর্চা করতে করতে ভবিষ্যতে আরো ভালো বলতে সমর্থ হবেন।