দুই তিন দিন ধরে আমার বউ এর যৌনাজ্ঞের সামান্য ভিতরে চুল্কায় এটা কিসের কারনে একটু বলেন
3142 views

2 Answers

নারীদের নানা ধরনের যৌন সমস্যার মধ্যে রয়েছে এই চুলকানি। যোনির বহির্ভাগে কখনও বা ভিতরেও এই চুলকানির সৃষ্টি হয়ে থাকে। এ সময়ে যোনির বহির্ভাগে নানা প্রকার ফুসকুড়ি জন্মে এবং তাতে চুলকানি সৃষ্টি হয়। ইহাকে যোনির চুলকানি (Vulval Itch) বলা হয়ে থাকে। অনেক সময় এই চুলকানি যোনিতে ক্ষতের সৃষ্টি করে। 

এছাড়া চুলকানোর কারণে জ্বালা পোড়া করে থাকে।

কারণ :
বিভিন্ন কারণে এই চুলকানি হতে পারে তবে ট্রাই কোমনা নামক জীবানুর ইনফেকশনের জন্যই এটি সচরাচর হতে দেখা যায়। এছাড়া গনোরিয়া, সিফিলিস জীবানুর ইনফেকশনের জন্যও হতে পারে। 

কখনো কখনো কনট্রাসেপটিভ (বার্থ কন্ট্রোলের) বিষয় জনিত কারণে ইহা হতে পারে। এ সকল ক্ষেত্রে যথাযথ হোমিও ট্রিটমেন্ট নিলে এই সমস্যা অচিরেই দূর হয়ে যায়।

অনেক মেয়েদের ক্ষেত্রে লক্ষ্য করা যায় অপরিষ্কার থাকার কারণে যোনিদেশে চুলকানির সৃষ্টি হয়। অনেক সময় আবার পায়ু থেকে সূতা কৃমি গমনের কারণেও হয়ে থাকে। 

এলার্জির জন্য ভিটামিন বি কমপ্লেক্স এর অভাব হেতু অথবা ডায়বেটিস বা গ্লায়কোসুরিয়ার কারণেও নারীদের বহিঃজননেন্দ্রিয়ে চুলকানির সৃষ্টি হয়ে থাকে।

http://www.pnsnews24.com/news/women/22505

3142 views

অনেক কারণে চুলকানিযোনিতে হতে পারে। তার মধ্যে উল্লেখ্যযোগ্য কারণসমূহ হলো - ০১. ঈস্ট বা ছত্রাকের আক্রমনঃ এটি যৌনাঙ্গের চুলকানি বা ইচিং হওয়ার অন্যতম কারণ। সাধারণত Candida Albicans, এই ছত্রাকের কারণে যোনিতে চুলকানি হয়। এই ছত্রাক নরমালি মেয়েদের যৌনাঙ্গে পরজীবী হিসেবে থাকে। কিছু ল্যাকলোব্যাসিলাস নামে উপকারী ব্যাকটেরিয়া এই ছত্রাকের বংশবিস্তারকে নিয়ন্ত্রণে রাখে। কিন্তু এন্টিবায়োটিক খেলে, গর্ভাবস্থায়, দুশ্চিন্তাগ্রস্থ থাকলে, হরমোনাল ইমব্যালেন্স থাকলে ও খাদ্যাভাসের কারণে এই উপকারী ব্যাকটেরিয়া মরে যায়, ফলে ঈস্টগুলো তাদের জন্মের জন্য অনুকূল পরিবেশ পায়। এর কারণে যোনিতে ইনফেকশন হয়। উপসর্গ : - যোনি পথ দিয়ে ঘন, সাদা তরলের নির্গমন হয়। - চুলকানি, ব্যথা ও প্রদাহ হয়। - যৌন মিলনের সময় ব্যথ্যা হয়। ০২.ব্যাকটেরিয়াল ভ্যাজাইনোসিসের সংক্রমণঃ এটি ভ্যাজাইনা বা যোনিতে চুলকানি হওয়ার অন্যতম কারণ। যোনিতে নরমালি কিছু ব্যাকটেরিয়া থাকে। যখন কোন কারণে এই ব্যাকটেরিয়া গুলোর অনেক বেশি বংশবিস্তার ঘটে তখন যোনিতে ইনফেকশন হয়। উপসর্গঃ - গন্ধযুক্ত ও মাছের আশঁটে গন্ধযুক্ত তরল নির্গত হয় যোনি দিয়ে। - চুলকানি হয় প্রচুর। - প্রসাবের সময় জ্বালাপোড়া হওয়া। ০৩.ট্রাইকোমোনিয়াসিস এর আক্রমণঃ এটি একটি প্যারাসাইট। এটির আক্রমণে যোনিতে চুলকানি হয়। উপসর্গ : - হলুদ, সবুজ রঙের ও খুব তীব্র বাজে দুর্গন্ধযুক্ত স্রাব হয়। - তলপেটে ব্যথ্যা হয়। - যোনিতে চুলকানি হয়। ০৪. এছাড়াও যৌনাঙ্গে উকুন, খোসপাচড়া ও মাইকোপ্লাজমা জেনেটালিয়াম এর সংক্রমণ হলে যোনিতে চুলকানি হয়। ০৫. কিছু সেক্সুয়ালি ট্রান্সমিটেড ডিজিজ যেমন – সিফিলিস, গনোরিয়া, এইডস ইত্যাদির কারণে যৌনাঙ্গে ইচিং বা চুলকানি হতে পারে। ০৬. বিভিন্ন বিরক্তিকর পদার্থ যেমন – বিভিন্ন ডিটারজেন্ট, কেমিক্যাল, সুগন্ধিযুক্ত সাবান, রঙ ওয়ালা টিশ্যু পেপার, ফেমিনিন হাইজেনিক স্প্রে, ডুশ ব্যবহার করলে যোনিতে চুলকানি হতে পারে। ০৭. মেনোপোজের পর মহিলাদের ইস্ট্রোজেন নামক হরমোন কমে যায়। ফলে যোনি শুকিয়ে যায়। এর ফলে বিভিন্ন পরজীবীর সংক্রমণ হয়। ফলে যোনিতে ইচিং হয় । ০৮. ডায়াবেটিস, রেনাল ডিজিজ, একজিমা ও রক্তে কোন রোগ থাকলে ও অন্যান্য কোন রোগ থাকলেও যৌনাঙ্গে চুলকানি হয়। ০৯. মাসিকের সময় , অস্বাস্থ্যকর প্যাড ও কাপড় ব্যবহার করলে। ১০.যৌনকর্মীদের এই রোগগুলো বেশি হয়। তাই অবাধ যৌন আচরণের কারণে হয়ে থাকে। ১১.যৌনাঙ্গ সবসময় গরম ও আর্দ্র রাখলে। ১২.অপরিষ্কার থাকলে।

3142 views

Related Questions

চুলকানি?
1 Answers 3070 Views