আমি একটা মেয়েকে ভালবাসতাম ঠিক মেয়েটিও আমাকে অনেক ভালবাসতো।আমাদের ভালবাসার দুই বছর পর মেয়েটির কোন এক পরিস্থিতির স্বিকার হয়ে বিয়ে হয়ে যায়।বিয়ের প্রায় এক বছর পরও মেয়েটি আমাকে আগের মতোই ভালবাসে তেমনি আমিও তাকে।কিন্তু আমাদের মধ্যে কোন ধরনের যোগাযোগ ছিলনা।হঠাৎ মেয়েটি আমাকে একদিন ফোন দেয়।এবং বলে সে আমাকে অনেক ভালবাসে।আমার সাথে কথা না বলে থাকতে পারবে না।এখন প্রশ্ন হল আমিকি মেয়েটির সাথে কথা বলব?? বিস্তারিত ভাবে উত্তর চাই!
3083 views

5 Answers

আপনার মেয়েটির সাথে কথা না বলাই শ্রেয়। কারন সে এখন অন্যের বিবাহিত স্ত্রী। অন্যের স্ত্রীর সাথে সম্পর্ক রাখা মোটেও ঠিক কাজ নয়।

3083 views

মেয়েটির মধ্যে এখন যে আবেগটা কাজ করছে এটা যুক্তিসংগত না।সে এখন স্বামীর সংসার করছে।এ অবস্থায় আপনার সাথে পুনরায় সম্পর্ক স্থাপনের চেষ্টা করছে।আপনাদের এই সম্পর্ক এখন কতটুকু যুক্তিসংগত ভেবে দেখবেন।সে যদি অযৌক্তিক কিছু করতে চায়, আপনি তাতে বাস্তবতা বোঝার এবং সে অনুযায়ী মানিয়ে নেওয়ার কথা বলতে পারেন।

3083 views

কখনো কখনো বুদ্ধিমানের কাজ করার জন্য

ভালোবাসাকে বিসর্জন দিতে হয়।

অবস্থা বুঝে ব্যাবস্থা যাকে বলে পরিস্থিতির

বিবেচনায় কার্যক্রম গ্রহন। আপনার বর্ণনা অনুসারে

আপনাকে আপনার ভালবাসাকে দুরে রাখবে হবে আর

এটাই হবে দুজনের জন্য মঙ্গল। 

মেয়েটি হয়তো বা আবেগে আছে তাই ওধরনের কথা

বলেছে আপনাকে। নিজের বিবেক দিয়ে একটু

চিন্তা করুন/ভাবুন.... যে একবার অন্যর হয়ে গেছে তাকেই

আপনার করবেন.?  মুল কথা এটা নয় মুল কথা হলো

আপনি যদি তাকে আপন করে নেন এতে মেয়েটির যে

নব পরিবার গড়ে ওঠেছিল তা ধব্বংস, মেয়টির স্বামী

অনেক কষ্ট পাওয়া সহ অনেক ধরনের ঝামেলা করতে

পারে, সমাজের কাছে একটি কলঙ্কিত বিষয় হয়ে দাঁড়াবে

মেয়েটির বাবা মা অনেক কষ্ট পাবে।  আরোও অনেক

বিষয় বিবেচনা করে আপনি আপনার নিজের মতো করে

জীবন সাজান,  ঐ মেয়েটি থেকে দুরে থাকুন, প্রয়োজনে

তাকে বোঝান.... এটাই আমার পক্ষ থেকে আপনাকে

পরামর্শ/উপদেশ।

3083 views

মানুষ হঠাৎ করেই পরিবর্তন হয়না,সময় ও পরিস্থিতি

তাকে পরিবর্তন করতে বাধ্য করে।পুরনো একটা প্রবাদ

আছে যে,সময় কথা বলে।

অর্থাৎ সময়েই সবকিছু হয়। সময় গেলে সাধন হবে না।

আপনাকে ঠিক সময়ের কাজ ঠিক সময়েই করতে হবে।

যেই কাজটি এখন আপনি করছেন এটি কিন্তু সঠিক সময়ের

কাজ না।আপনার সময় অনেক পূর্বেই শেষ হয়ে গেছে।

এখন আপনি যেই কাজটা করছেন সেটার ফলাফল শেষে  যা

হওয়ার কথা সেটা হলোঃ আপনি মেয়েটিকে,মেয়েটির

ফ্যামিলিকে,তার আত্মীয়স্বজন কে,মেয়েটির স্বামীর ফ্যামিলিকে,

মেয়েটির স্বামীকে শুধু কষ্টই দিতে পারবেন।এবং দুইটা লাইফকে

দুইটা ফ্যামিলিকে আপনি সমাজর নিকট অপমানিত, লজ্জিত,

ছোট করতেই পারেন।

যেটা আপনার দ্বারায় হবে,সেটা আপনি এতগুলো মানুষের

জন্য এই কাজটা একদমেই করতে পারেননা।

আপনার জন্য এতগুলো মানুষের এই অবস্থা হোক,

এটা অবশ্য আপনিও চাইবেন না।

এটা সম্পূর্ণই আপনার ভূল আবেগের ফাঁদ।

আবেগ দিয়ে কিন্তু লাইফ চলেনা,লাইফকে

সুন্দরভাবে পরিচালনা করার জন্য প্রয়োজন 

মানুষের বিবেক। পৃথিবীতে সবচেয়ে শ্রেষ্ঠ আদালত হলো

মানুষের বিবেক।

আশাকরি আপনি এমতাবস্থায় এই ভূল রাস্তা থেকে,

এই মুহুর্ত আপনি রাস্তার যেই মাঝ খানে অবস্থান করছেন

সেই রাস্তা থেকে ফিরে আসবেন।

ধন্যবাদ।


3083 views

বিয়ের আগে প্রেম করে গুনাহ করেছেন। এখন বিয়ের পরও যদি করেন সেটা নি:সন্দেহে ভয়ংকর কবিরাহ গুনাহ হবে। তাই গুনাহ থেকে বাচতে হলে আপনাকে অবশ্যই মেয়েটিকে এড়িয়ে চলতে হবে। তার ফোন রিসিভ করা, তার সাথে দেখা করা একদম করবেন না। এতে করে আপনি ও ভাল থাকবেন আর মেয়েটাও আপনাকে ভুলে যেতে পারবে। ভাল থাকবে মেয়েটার পরিবার। তাই মেয়ের পরিবারকে ভাল রাখতে আপনি আর কখনো কোন ভাবে যোগাযোগ রাখবেন না। আশা করি বুঝতে পেরেছেন।

3083 views

Related Questions