সপ্নদোষ সমস্যা?
3 Answers
সপ্তাহে 4 বার সপ্নদোষ হওয়া রোগের পর্যায়ে পড়ে, এবং সাস্থ নষ্ট হয়ে যায়। সপ্তাহে দুইবার সপ্নদোষ হওয়া সাভাবিক এতে শরিরের দুষিত পদার্থ বের হয়ে যায়। যা শরিরের জন্য উপকারী, প্রতিটি প্রাপ্ত বয়স্ক পুরুষের প্রতিদিন বীর্য তৈরি হয়, বীর্য থলি ভরে গেলে সেটি কোন না কোন উপায়ে শরির থেকে বের হয়ে যাবে, বের হতে পারে প্রসাবের সাথে, পায়খানার সাথে। তবে বেশি মাত্রা সপ্তাহে দু বারের বেশি সপ্নদোষ হলে সমস্যা বলে বিবেচিত হবে। স্বপ্নদোষ থেকে মুক্তির পথ ও পদ্ধতির মধ্যে প্রথমটি হল নিজের খেয়াল ও ধ্যান ধারণাকে সব সময় পাক সাফ রাখবেন। নিজের মনকে নিজের আয়ত্বে রাখতে আপ্রাণ চেষ্টা করবেন । শেষ রাতে প্রসাবের বেগ হলেই উঠে প্রসাব করে নিবেন স্বপ্নদোষ রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিরা ঘুমানোর সময় কখনো লিঙ্গে কোনো প্রকার মলম ব্যবহার করবেন না। তাতে স্বপ্নদোষের মাত্রা বৃদ্ধি পাওয়ার সম্ভবনা রয়েছে। সকাল বেলা 2 চামুচ ধনিয়া ভালোভাবে কচলে এক গ্লাস পানিতে ভিজিয়ে রাতে ঘুমানোর আগে উক্ত পানি ছেকে ২ চামচ চিনি দিয়ে শরবতের মতো বানিয়ে পান করবে। এতেও স্বপ্নদোষ হতে মুক্তি পাওয়া যাবে। কোন প্রকার খারাপ চিন্তা মনে আনবেন না। ঘুমাতে যাবার আগে আয়াতুল কুরসি পড়ে ঘুমান, দেখুন ফলাফল!!! পরিশেষে সমাধান না হতে যৌন ডাক্তারের পরামর্শ নিবেন,সামান্য ঔষধেই সমাধান হয়ে যাবে।
স্বপ্নদোষ হওয়া স্বাভাবিক, এটি শরিরের
জন্য উপকারী তবে সপ্তা 4/5 বার হলে
হামদর্দের জারনাইড সিরাপ খেতে পারেন।
মাসে 4/5 বার সপ্নদোষ হলে কোন সমস্যা
নাই, তার জন্য কোন ঔষধ খেতে হবেনা।
ঘুমাতে যাবার আগে প্রস্রাব করে নিন। যদিও এটি স্বপ্নদোষের চিকিৎসা নয় -তবে এটি স্বপ্নদোষের চাপ কমাতে শরীরকে সাহায্য করে।২.ঘুমাতে যাবার আগে এককাপঋষি পাতা (Sage Leaves – google এ সার্চ করে দেখতে পারেন। হয়তো আপনার অঞ্চলে এটি ভিন্ননামে পরিচিত) ‘র চা পান করলে অতিরিক্ত হস্তমৈথুন জনিত স্বপ্নদোষ থেকে মুক্তি পেতে পারেন।৩.অশ্বগন্ধা (Withaniasomnif era)স্বপ্নদোষে সৃষ্ট সমস্যায় উপকার সহ সর্বপোরী যৌন স্বাস্থ্য শুদ্ধি,হরমোন ব্যালেন্স এবংহস্তমৈথুনের ফলে দুর্বল হয়ে যাওয়া পেশীশক্তি ফিরে পাওয়া ওভিতরগত ছোট-খাটইনজুরি সারিয়ে তুলতে পারে।৪.ঘুমানোর আগে অতিরিক্ত পানি পান করবেন না। যদি সামান্য পরিমান প্রস্রাবের লক্ষনও থাকে বিছানায যাবার আগে প্রস্রাব করে নিন।৫.রাতের খাবার খাওয়ার পর-পরই ঘুমাতে যাবেন না। কিছুক্ষন হাটা-হাটি করুন।৬. প্রতিদিন সামান্য করে হলেও পুদিনা পাতা অথবা মিছরী খাবার অভ্যাস করুন।৭. পবিত্র কোরআনের৩০ নাম্বার পারার “সুরা তারিক”পড়ে শয়ন করুন। হালকা জিকির এবং অন্যান্য দোয়া পড়ে ঘুমাতে গেলে আল্লাহর রহমতে স্বপ্নদোষ থেকে মুক্তি পেতে পারেন।
Related Questions
Next steps
- Find a doctor for in-person or online consultation
- Browse medical tests patients often ask about
- Check medicine information (uses, dosage, brands in Bangladesh)
- More health Q&A on Bissoy