3 Answers
মোটা হওয়ার ওষুধ তো অনেক আছে কিন্তু কোন ওষুধই ভালো না,সবগুলাতেই ভাই পাশ্বপ্রতিক্রিয়া রয়েছে ।প্রথম কথাই হল, ঔষধ খেয়ে মোটা হওয়াটা মোটেই কোন স্বাস্থ্যকর প্রক্রিয়া নয়। মূলত স্টেরয়েড জাতীয় ঔষধ খেয়ে মানুষ মোটা হয়, কিন্তু এর পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া ব্যাপক ও দীর্ঘমেয়াদি। শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যায়। এমনকি বাজারে মোটা হবার জন্য যেসব টনিক বা টোটকা পাওয়া যায় সেসবে স্টেরয়েড এবং বিভিন্ন হরমোন মেশান থাকে। তাই এসব সেবন করাও অনুচিত। কিডনি ও লিভারে দীর্ঘমেয়াদী ক্ষতি করে।ভাই আপনি এভাবেই অনেক ভালো আছেন।আপনি হামদর্দের কিছু সিরাপ ব্যবহার করতে পারেন।যেমন,ছাফী,কারমিনা এগুলো রুচি বাড়াতে সাহায্য করে।
আপনি ম্যাক্সফেয়ার কোম্পানির আলফালফা প্লাস সিরাপ খেতে পারেন। এটি হোমিওপ্যাথিক। এর কোন পাশ্বপ্রতিক্রিয়া নেই।
হোমিওপ্যাথি আলফালফা সিরাপ টি খেতে
পারেন, রাতে ঘুমানোর আগে ১ গ্লাস দুধ আর এক
চামুচ মধু খাবেন।
রাতে অন্তত ৭-৮ ঘন্টা ঘুমাবেন।
সম্ভব হলে দুপুরে খাওয়ার পর ১ ঘন্টা
ঘুমাবেন। একটু বেশি খেতে হবে, একটু বেশি ঘুমাতে হবে।
ফ্যাট যুক্ত খাবার বেশি খেতে হবে। এতে হাই-ইন্সুলিন থাকে। ইন্সুলিন হরমোন তৈরি করে। যার সাহায্যে শরীরে কার্বোহাইড্রেট, প্রোটিন এবং ফ্যাট জমে।
এনার্জি ফুড খাবেন, টেনশনমুক্ত থাকুন। নিয়মিত ব্যায়াম করুন। ব্যায়াম করলে ক্ষুধা বেড়ে যায় টেনশন দূরে করে। একটা নিদিষ্ট সময় ধরে খাবেন। সকালে ঘুম থেকে উঠে এক ঘন্টার মধ্যে সকালের নাস্তা শেষ করুন। সকালে প্রচুর পরিমাণে খেয়ে নিতে পারেন। হ্যাম বার্গার, ভাজা খাবার, চিকেন ব্রেস্ট।
ক্ষুধা কম থাকলে বাড়িয়ে নিবেন - প্রতিদিন দুপুরে খাবার আগে লবণ দিয়ে একটু আদা চিবিয়ে খান । এতে ক্ষিধে বাড়বে এবং মুখের রুচি ফিরে আসবে।
খাওয়ার আগে হালকা হাঁটাহাঁটি করুন, এতে খাওয়ার রুচি বাড়বে, হার্টও ভালো থাকবে। - ক্ষুধা বা রুচিবর্ধক আরো কিছু খাবার আছে। যেমন- আমলকী, কিশমিশ, মিষ্টি, আচার, সালাদ, পেঁয়াজ ইত্যাদি।