2 Answers

যেহেতু ডাক্তারের পরমর্শ নিয়েছিলেন তাই বিষয়টা তার সাথেই বিস্তারিত আলোচনা করাটা উত্তম ছিল। ব্লাড প্রেশার হাই করার জন্য গরুর মাংস, ডিম, দুধ খাওয়াই যথেষ্ঠ কিন্তু যেহেতু আপনি মোটা তাই ফ্যাট জাতীয় খাবার এড়িয়ে চলতে হবে। প্রতিদিন দুইবার খাবার স্যালাইন পান করবেন এটা প্রেশারের মাত্রা বাড়িয়ে দিবে আবার স্যালাইন শরীরেরও উপকার করবে। আর যদি লো প্রেশারে আপনার বিশেষ কোন সমস্যা না হয় তাহলে এই বিষয় নিয়ে অযথা চিন্তা করার কোন কারন নেই। আমার নিজের প্রেশারও লো আর এর জন্য আমার কখনই কোন সমস্যা হয় না।
3088 views

লো প্রসার দুর করতে, এই খাবার গুলো

খেতে পারেন, মোটা হবেন না।


কফি: 

স্ট্রং কফি, হট চকোলেট, কমল পানীয়সহ যে কোনো ক্যাফেইন সমৃদ্ধ পানীয় দ্রুত ব্লাড প্রেসার বাড়াতে সাহায্য করে। হঠাৎ করে লো প্রেসার দেখা দিলে এক কাপ কফি খেতে পারেন। যারা অনেক দিন ধরে এ সমস্যায় ভুগছেন, তারা সকালে ভারী নাশতার পর এক কাপ স্ট্রং কফি খেতে পারেন।


লবণ-পানি: 

লবণে আছে সোডিয়াম। তা রক্তচাপ বাড়ায়। তবে পানিতে বেশি লবণ না দেওয়াই ভালো। সবচেয়ে ভালো হয়, এক গ্লাস পানিতে দুই চা-চামচ চিনি ও এক-দুই চা-চামচ লবণ মিশিয়ে খেলে। তবে যাদের ডায়াবেটিস আছে, তাদের চিনি বর্জন করতে হবে।


কিশমিশ: 

হাইপার টেনশনের ওষুধ হিসেবে প্রাচীনকাল থেকেই ব্যবহৃত হয়ে আসছে কিশমিশ। এক-দুই কাপ কিশমিশ সারা রাত পানিতে ভিজিয়ে রাখুন। সকালে খালি পেটে কিশমিশ ভেজানো পানি খেয়ে নিন। এছাড়া পাঁচটি কাঠবাদাম ও ১৫ থেকে ২০টি চিনাবাদাম খেতে পারেন।


পুদিনা: 

ভিটামিন ‘সি’, ম্যাগনেশিয়াম, পটাশিয়াম ও প্যান্টোথেনিক উপাদান। যা দ্রুত ব্লাড প্রেসার বাড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে মানসিক অবসাদও দূর করে। পুদিনা পাতা বেঁটে এতে মধু মিশিয়ে পান করুন।


যষ্টিমধু: 

আদিকাল থেকেই যষ্টিমধিু বিভিন্ন রোগের মহৌষধ হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। এক কাপ পানিতে এক টেবিল চামচ যষ্টিমধু দিয়ে পান করুন। এছাড়া দুধে মধু দিয়ে খেলেও উপকার পাবেন।


বিটের রস: 

বিটের রস হাই ও লো প্রেসার- উভয়টির জন্য সমান উপকারী। এটি রক্তচাপ স্বাভাবিক রাখতে ভূমিকা রাখে। হাইপার টেনশনের রোগীরা দিনে দুই কাপ বিটের রস খেতে পারেন। এভাবে এক সপ্তাহ খেলে উপকার পাবেন।

3088 views

Related Questions