2 Answers
একটু সিজন বদলালেই যাঁদের ঠাণ্ডা লাগে তারা অল্প দুধে এক চিমটি হলুদগুঁড়ো আর ১ টেবলচামচ গোলমরিচগুঁড়ো দিয়ে ফুটিয়ে নিন। চিনি মেশান, তিন ধরে দিনে একবার খান। ৩/৪ চামচ লেবুর রসের সাথে ৩/৪ চামচ মধু মিশিয়ে খেলেও ঠাণ্ডা লাগার প্রবণতা কমে যায়।
জেনে নিন কাশি সারানোর কিছু উপায়:
আদা
কাশির জন্য সবচেয়ে প্রচলিত চিকিৎসাটা হলো আদা। এক্ষেত্রে আদার টুকরোর ওপর লবণ ছিটিয়ে ভাল করে চিবিয়ে রস খাওয়াটাই উত্তম। এছাড়া পরিমাণমতো পানিতে এক ইঞ্চি আদা কুচি করে সেটা সেদ্ধ করে পানির পরিমাণ অর্ধেক করে ফেলুন। তারপর পানিটা ছেঁকে তাতে এক চামচ মধু মিশিয়ে চায়ের মতো পান করুন। দিনে ৩-৪ বার এ পানীয় পান করলে কাশি সারবেই।
মধু
যুক্তরাষ্ট্রের পেন স্টেট স্কুল অব মেডিসিনের এক গবেষণায় দেখা গেছে, মধু খাওয়ার পর রাতের যন্ত্রণাদায়ক কাশি বন্ধ হয়ে গেছে, ঘুমও হয়েছে ভাল। তবে রোগ ভেদে মধুর প্রয়োগও ভিন্ন। ঘুমাতে যাওয়ার আগে গরম দুধের সঙ্গে এক চামচ মধু মিশিয়ে খেলে রাতভর কাশতে হবে না। এছাড়া কাশি দূর করতে আঙুরের রসের সঙ্গে মধু মিশিয়ে খাওয়া যায়।
রসুন
৫ কোয়া রসুনকে থেঁতলে সামান্য ঘিয়ের মধ্যে হাল্কা ভেজে খেয়ে ফেলুন। যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব ম্যারিল্যান্ড মেডিক্যাল সেন্টারে কিছু দিন আগেও সাধারণ সর্দি ও কাশি সারাতে রসুনের কার্যকারিতা প্রমাণিত হয়েছে।
লেবু
কাশি হলে আধখানা লেবুর ওপর গোল মরিচ আর লবণ ছিটিয়ে খেয়ে ফেলুন। কাশি সেরে যাবে।
গোল মরিচ চা
দেড় কাপ পানিতে এক চামচ কালো গোল মরিচের গুড়ো ও ২ চামচ মধু মিশিয়ে ১৫ মিনিট সেদ্ধ করুন। তারপর ছেঁকে পান করলেই সেরে যাবে কফযুক্ত কাশি। তবে শুকনো কাশির জন্য এ দাওয়াই কাজ করবে না।