6 Answers
স্বামি স্ত্রী একসাথে নামায পড়তে পারবে তবে শর্ত হলো স্বামি আগে দাড়াবে স্ত্রী স্বামির থেকে কিছু টা পিছে দাড়াবে
স্বামী-স্ত্রী এক সাথে জামাত করে নামাজ পড়তে পারবে৷ এক্ষেত্রে স্ত্রীও ইকামত দিতেে পারবে৷
তবে জামাত করার ক্ষেত্রে লক্ষ্যণীয় হয়, স্বামী সামনে দাঁড়াবে আর স্ত্রী পিছনে দাঁড়াবে। একদম সমান সমান দাঁড়াবে না। যদি একদম বরাবর দাঁড়ায় তাহলে নামায হবে না। যদি স্বামীর পায়ের গোড়ালীর পিছনে দাঁড়ায়, তাহলেই ইক্তিদা সহীহ হবে।
المرأة إذا صلت مع زوجها في البيت إن كان قدمها محل أقدام الزوج لا تجوز صلاتهما بالجماعة، وإن كان قدمها خلف قدم الزوج إلا أنها طويلة تقع رأس المرأة في السجود قبل رأس الزوج جازت صلاتهما؛ لأن العبرة للقدم،(الدر المختار، كتاب الصلاة، باب الامامة-1/572، البحر الرائق، كتاب الصلاة، باب الامامة-1/261، الفتاوى التاتارخانية، كتبا الصلاة، الفصل السابع فى بيان مقام الامام والمأموم-1/622)
সুন্নত, নফল, ইত্যাদি নামাজ বাড়ীতে সওয়াবের উদ্দেশ্যে জামাতে আদায় করলেও,ফরজ নামাজ মসজিদে গিয়ে জামাতে আদায় করা উত্তম! তবে..... নিয়মিত মসজিদে যেয়ে জামাতে নামাজ আদায়কারীকেও অনেক সময় প্রয়োজনের খাতিরে বাড়িতে নামাজ আদায় করতে হয়। আর বাড়িতে নামাজ আদায় করতে যেয়ে জামাতের ফজিলত লাভের নিমিত্তে স্বামীর জন্য স্ত্রীকে সঙ্গে নিয়ে জামাত করা ঠিক আছে। তবে স্বামী-স্ত্রীর জন্য জামাতে নামাজ আদায়ের ক্ষেত্রে লক্ষ্য রাখতে হবে, ইসলামি শরিয়তের বিধান। স্বামী-স্ত্রীর জামাতের ক্ষেত্রে ইসলামের বিধান হলো- স্ত্রীকে স্বামী নিজের এক কাতার পেছনে দাঁড় করাবে। স্ত্রী স্বামীর বরাবর দাঁড়াবে না। এ বিষয়ে হাদিস শরিফে আছে, হজরত আনাস (রা.) বলেন, ‘আমাদের ঘরে আমি এবং এক ইয়াতিম হরজত রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের পেছনে (জামাতের সঙ্গে) নামাজ পড়েছি। আর আমাদের পেছনে আমার মা উম্মে সুলাইম (ইকতিদা করেন)।’ –সহিহ বোখারি উল্লেখ্য যে, উম্মে সুলাইম (রা.) হজরত রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর মাহরাম ছিলেন। অনেক ইসলামি স্কলার বলেছেন, যদি স্ত্রী স্বামীর পায়ের গোড়ালির পেছনে দাঁড়ায়; তাহলেই নামাজ সহিহ হবে। এক কাতার পেছনের দাঁড়ানোর বাধ্যবাধকতা নেই। এক কথায়, স্ত্রী স্বামীর একদম সমান সমান দাঁড়াবে না। যদি একদম বরাবর দাঁড়ায় তাহলে নামাজ হবে না।
স্বামীর উচিত মসজিদে গিয়ে জামাতে নামাজ পড়া । কারণ নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মসজিদে যাওয়ার জন্য তাগিদ দিয়েছেন। যদি কোনো জটিল সমস্যা হয়ে যায় তাহলে ভিন্ন কথা। স্ত্রীকে নিয়ে নামাজ জামাতে আদায় করা যাবে।
এক সাথে নামায পড়াতে কোন সমস্যা নেই। বাকি সওয়াব বেশি হবে এমন কোন কথা নেই।
জামাত করার ক্ষেত্রে লক্ষ্যণীয় হয়, স্বামী সামনে দাঁড়াবে আর স্ত্রী পিছনে দাঁড়াবে। একদম সমান সমান দাঁড়াবে না। যদি একদম বরাবর দাঁড়ায় তাহলে নামায হবে না। যদি স্বামীর পায়ের গোড়ালীর পিছনে দাঁড়ায়, তাহলেই ইক্তিদা সহীহ হবে।