3 Answers
ভাই আপনি চিন্তা মুক্ত থাকুন । হাসিখুসি থাকুন । সবসময় পুষ্টিকর খাবার খান । ব্যায়াম করুন । তাহলেই আপনি স্বাস্থ্যবান হতে পারবেন । হস্তমৈথুন করলে ছেড়ে দিন । স্বপ্নদোষ থেকে মুক্তি পেতে নিচের পরামর্শ গুলো গ্রহণ করুন । স্বপ্ন দোষের ক্ষতি: ১/অতিরিক্ত ঘুম আসা ২/শরীর অতিরিক্ত ক্লান্ত হয়ে যাওয়া ৩/র্দুবলতা সৃষ্টি হওয়া ৪/বীর্যের ঘনত্ব কমে যাওয়া সহ আরও অনেক সমস্যা হয় স্বপ্ন দোষের ফলে। স্বপ্নদোষ প্রতিরোধের উপায়: ১/অতিরিক্ত পর্ণ ছবি না দেখা ২/হস্তমৈথুন না করা ৩/ঘুমানোর আগে প্রস্বাব করা ও মাঝরাতে আবার উঠে প্রস্বাব করা ৪/রাতে ঢিলেঢালাভাবে ঘুমানো । ৫/অতিরিক্ত যৌন চিন্তা না করা ৬/রাতে ঘুমানোর আগে অন্ডকোষে কিছু বরফ মালিশ করা । এরপরেও প্রতিকার না পেলে অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ নিবেন
অনেকে স্বপ্নদোষ হওয়াকে মারাত্মক
রোগ বলে মনে করেন,আসলে এটা ঠিক নয়
আমাদের টেস্টিকলে বীর্য প্রতিনিয়ত উৎপন্ন হচ্ছে।
ফলে স্বভাবতই বীর্য মাঝে মাঝে এত বেশী
হয়ে পড়ে যে বীর্য থলি পরিপূর্ণ হয়ে যায়।
আর সেগুলো কমানোর করার দরকার পড়ে।
তাই শরীর নিজে নিজেই এগুলোকে শরির
বের করে দেয়। সেটি স্বপ্নদোষের মাধ্যমে,
পায়খানা, অথবা প্রসাবের সাথেও শরির সেই
বাড়তি বীর্য বের করে দেয়।
সপ্তাহে দুইবার সপ্নদোষ হওয়া সাভাবিক।
যা শরিরের জন্য উপকারী।
তবে বেশি মাত্রা বা সপ্তাহে দু বারের বেশি
সপ্নদোষ হলে সমস্যা বলে বিবেচিত হবে।
√√স্বপ্নদোষ থেকে মুক্তি পেতে
*মুক্তির পথ ও পদ্ধতির মধ্যে প্রথমটি হল
নিজের খেয়াল ও ধ্যান ধারণাকে সব সময়
পাক সাফ রাখবেন। নিজের মনকে নিজের
আয়ত্বে রাখতে আপ্রাণ চেষ্টা করবেন ।
*শেষ রাতে প্রসাবের বেগ হলেই উঠে প্রসাব
করে
নিবেন স্বপ্নদোষ রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিরা
কোন প্রকার খারাপ চিন্তা মনে আনবেন না।
*প্রতিদিন সামান্য করে হলেও পুদিনা পাতা
খাওয়ার অভ্যাস করুন।
*পবিত্র কোরানের ৩০ নাম্বার পারার ” সুরা
তারিক” পরে শয়ন করুন। অথবা আয়াতুল
কুরসি পড়ে ঘুমান।
ভালো স্বাস্থ্য পেতে ভালো করে খেতে হবে। বেশি পরীমাণে পানি খেতে হবে। শর্করা জাতীয় খাবার পরিমিত এবং স্নেহ জাতীয় খাবার কম খাবেন। আমিষ একটু বেশি খেতে পারেন। প্রতিদিন দুধ, ডিম, মাছ, শাকসবজি খাবেন। আপনি বেশি দুগ্ধজাত খাবার খাবেন। অতিরিক্ত চিনি খাবেন না। প্রতিদিন তাজা ফলমূল ও জুস খেতে পারেন। প্রতিদিন মধু খাবেন। পর্যাপ্ত পরিমাণে বিশ্রাম নিবেন। সুদর্শন দেহের জন্য ব্যায়াম করবেন।