2 Answers
আমলকী একটা শরীরের উপকারী ফল। আপনি জেনে খান আর না জেনে খান উপকার পাবেন। আমলকী একটা ভিটামিন ই সমৃদ্ধ ফল। আপনি যদি খেয়ে থাকেন এতে টেনশন করার কারন নেই কোন সমস্যা নেই।
ভুল করে, আর যেনে শুনে খান, তাতে
এই উপকার পাবেন।
প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি থাকায় নিয়মিত ২/১টি করে আমলকি খেলে ভিটামিন সি-এর অভাবজনিত রোগ থেকে মুক্ত থাকা যায় এবং দেহের রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়।
– আমলকি চুলের টনিক হিসেবে কাজ করে এবং চুলের যতœ নেয়ার জন্য এটি একটি অপরিহার্য উপাদান।
– আমলকি খেলে শুধু চুলের গোড়াই শক্ত হয় না, চুল দ্রুত বড় হতেও তা সাহায্য করে।
– এছাড়া খুশকিমুক্ত ও কম বয়সে চুল পাকা রোধে আমলকি বিশেষ ভূমিকা পালন করে।
– নিয়মিত ২/১টি করে আমলকি খেলে পেটের আলসার দূর হয়।
– আমলকির রস কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে, পাইলস রোগ থেকে মুক্তি দেয়।
– অন্ত্রের রোগ নিরাময় ও ক্রনিক কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে এটি সহায়ক।
– খাওয়ার আগে মাখন ও মধুর সঙ্গে আমলকির গুঁড়া মিশিয়ে খেলে ক্ষুধামন্দা দূর হয়।
– প্রতিদিন সকালে মধুর সঙ্গে আমলকির রস মিশিয়ে খেলে চর্মরোগ নিরাময় হয়, ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি পায় ও মুখের চামড়ায় কোনো দাগ পড়ে না।
– চোখের জ্যোতি বৃদ্ধিতে আমলকি খুবই উপকারি। এছাড়া চোখ লাল হওয়া, চুলকানো ও চোখ দিয়ে পানি পড়া রোধেও আমলকি বিশেষ ভূমিকা পালন করে।
– আমলকি হৃদপি-ের পেশি শক্তিশালী করে ও হৃদযন্ত্রের সমস্যা সমাধানে গুরুত্বপূর্ণ কাজ করে।
– এছাড়া প্রতিদিন আমলকির রস খেলে নিঃশ্বাসে দুর্গন্ধ রোধে তা সহায়তা করে ও দাঁতকে শক্তিশালী করে।
– আমলকি কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্রের উপর কাজ করে।
– বমি বন্ধে সাহায্য করে।
– দীর্ঘমেয়াদী কাশি-সর্দির জন্য আমলকির নির্যাস উপকারী।
– শরীর ঠান্ডা রাখে, শরীরের কার্যক্ষমতা বাড়িয়ে তোলে, মাসল টোন মজবুত করে।
– শরীরের অপ্রয়োজনীয় ফ্যাট ঝরাতে সাহায্য করে।
– এক গ্লাস দুধ বা পানির মধ্যে আমলকি গুঁড়া ও সামান্য চিনি মিশিয়ে দিনে দু’বার খেতে পারেন। অ্যাসিডিটির সমস্যা দূর হবে।