7 Answers

প্রথম কথা হলো, সঠিকভাবে দাঁত ব্রাশ করতে হবে দিনে দুবার। রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে অবশ্যই দাঁত ব্রাশ করে ঘুমাতে হবে এবং সকালে নাশতা খাওয়ার পর অবশ্যই দাঁত ব্রাশ করতে হবে। দাঁত ব্রাশের সঠিক পদ্ধতিও জানতে হবে; গুণগত মানের পেস্ট ব্যবহার করতে হবে।



 আসলে সকালবেলা নাশতা খাওয়ার পর দাঁত ব্রাশ করা ঠিক। কারণ, হয়তো রাতে দাঁত ব্রাশ করে ঘুমাতে গেল সে। এ ক্ষেত্রে তো আর কোনো খাবার কণা আটকে নেই; ব্যাকটেরিয়া আক্রমণের আশঙ্কা নেই। তবে দেখা যাচ্ছে, সকালে উঠে আবার দাঁত ব্রাশ করছে।


যদি সকালে উঠে আবার ব্রাশ করে, তবে ধীরে ধীরে দাঁত ক্ষয়ের দিকে চলে যাবে ভুল ব্রাশ করার জন্য। এ জন্য বলা হয়, সকালে অবশ্যই নাশতা খাওয়ার পর দাঁত ব্রাশ করবেন। এর পর অনেকটা সময় আর দাঁত ব্রাশের দরকার পড়ে না।


আর যদি দেখা যায় দাঁতের ফাঁকের ময়লা বা খাদ্যকণা বের করতে পারছেন না, সে ক্ষেত্রে ডেন্টাল ফ্লস বা নাইলন সুতা সেটি ব্যবহার করতে পারেন। অথবা টুথপিক ব্যবহার করতে পারে। একই সঙ্গে মাড়ি ম্যাসাজ করতে হবে এবং মাউথওয়াশ ব্যবহার করতে হবে।

3553 views

বিব্রতকর হলেও সত্যি, কথা বলার সময় অনেকের মুখ থেকে দুর্গন্ধ বের হয়। এই সমস্যা যাদের রয়েছে তারাও হয়তো নিয়মিত দাঁত পরিস্কার করেন। তারপরও মুখ থেকে গন্ধটা দূর হয় না। বিশেষজ্ঞরা বলেন, আসলে দাঁতগুলো ঝকঝকে পরিস্কার হলেও মুখে দুর্গন্ধ হতে পারে। কারণ আমরা যে খাবারগুলো খাই, দাঁতের ফাঁকে আটকে থাকা সেই খাদ্যকণা খেয়ে মুখের ভেতরের জীবাণু বেঁচে থাকে। জীবাণুগুলো যখন এসব খাদ্যকণা খেতে থাকে, তখন খাদ্যকণা ভেঙে দুর্গন্ধযুক্ত গ্যাস উৎপন্ন হয়। এই গ্যাস কথা বলার সময় দুর্গন্ধ হয়ে বেরিয়ে আসে। মুখের বিরক্তিকর দুর্গন্ধ দূর করতে: প্রতিদিন সকালে নাস্তার পরে ও রাতে শোয়ার আগে সঠিক নিয়মে দাঁত ব্রাশ করুন, শুধু দাঁত নয় জিহ্বাও পরিস্কার করুন, প্রতিবার খাবারের পর ভালোভাবে কুলকুচি করতে হবে, ঘন ঘন প্রচুর পরিমাণে পানি বা অন্য কোনো তরল পানীয় পান করুন, লালা মুখের দুর্গন্ধ দূর করে, লালা তৈরি করতে লবঙ্গ বা আদা খেতে পারেন

ধূমপান ও মদ্যপান এগুলো থেকে দূরে থাকুন, মুখের গন্ধ দূর করতে চা অত্যন্ত কার্যকর, এক কাপ চায়ে কিছু পুদিনার পাতা বা লবণ দিয়ে কুলকুচি করে নিন। মুখের দুর্গন্ধ নিমেষেই দূর হয়ে যাবে। লেবু শুধু খাবারের স্বাদই বাড়ায় না, দূর করে মুখের দুর্গন্ধ। খাবারে নিয়মিত লেবু খেলে মুখের দুর্গন্ধের সঙ্গে দূর হবে শরীরের বাড়তি মেদও। সুস্থতার জন্য নিয়মিত মুখ ও দাঁতের চেকআপ করতে হবে।

এছাড়া নিয়মিত ধুমপান, মাদক সেবন, দাঁত ও মাড়ির ইনফেকশন, ফুসফুস-লিভারের অসুখ, সাইনোসাইটিস, ডায়াবেটিস ও জ্বর হলে মুখে দুর্গন্ধ হতে পারে।

3553 views

মুখের দুর্গন্ধ প্রতিরোধ করার জন্য তেল ও পিঁয়াজ জাতিয় খাবার থেকে বিরত থাকতে হবে। দাঁতে পোকা ধরা, দাঁতের প্লাক, দাঁতের ক্ষয়, শরীরে পানির অভাব, পেঁয়াজ খাওয়া- ইত্যাদি মুখে গন্ধ তৈরির জন্য দায়ী।

মুখের দুর্গন্ধ প্রতিরোধ করার জন্য করণীয়:

দিনে দুই বেলা ব্রাশ করা: দিনে দুই বেলা ব্রাশ করা দাঁতের স্বাস্থ্যকে ভালো রাখতে সাহায্য করে। মুখের দুর্গন্ধ দূর করতেও দুই বেলা দাঁত ব্রাশ করা জরুরি। যদি এরপরও মুখে দুর্গন্ধ হয়, তাহলে বেকিং সোডা দিয়ে দাঁত ব্রাশ করতে পারেন। এটি মুখ থেকে এসিডিটি দূর করবে এবং ব্যাকটেরিয়ার বৃদ্ধি কমিয়ে দেবে।

প্রচুর পানি পান করা: পানি শূন্যতায় ভুগলেও মুখে দুর্গন্ধ হওয়ার আশঙ্কা থাকে। প্রতিদিন অন্তত আট গ্লাস পানি পান করুন। এটি আপনাকে আর্দ্র রাখতে সাহায্য করবে এবং মুখের বাজে গন্ধ দূর করবে।

জিহ্বা ব্রাশ করা: ব্রাশ করার মানে এই নয় যে কেবল দাঁতই ব্রাশ করবেন। জিহ্বাও ব্রাশ করা জরুরি। জিহ্বার জন্যও মনোযোগ প্রয়োজন। ব্যাকটেরিয়া জিহ্বাতেও বৃদ্ধি পায়। এতে মুখে দুর্গন্ধ হয়।

চুইঙ্গাম চিবানো: মুখের বাজে গন্ধ দূর করতে চিনি ছাড়া চুইঙ্গাম চিবুতে পারেন। এটি মুখের লালা উৎপন্ন করতে সাহায্য করবে। এটি ব্যাকটেরিয়াকে দূর করতে সাহায্য করবে এবং খাদ্যকণাও পরিষ্কার করবে।

চা পান: চায়ের মধ্যে রয়েছে অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল উপাদান। এটি মুখের দুগর্ন্ধের জন্য দায়ী ব্যাকটেরিয়াগুলোকে মেরে ফেলতে সাহায্য করে। এ ছাড়া এর মধ্যে রয়েছে পলিফেন। এটি মুখের সালফার উপাদানকে নিষ্ক্রিয় করে দেয়।

দন্ত্য চিকিৎসকের কাছে যান: মাড়ির রোগ থেকে কখনো কখনো মুখে দুর্গন্ধ হয়। বিশেষজ্ঞরা বলেন, এ ছাড়া কখনো কখনো শরীরের ভেতরকার সমস্যার জন্যও মুখে দুর্গন্ধ হয়। তাই গন্ধ কোনোভাবেই না কমলে দ্রুত চিকিৎসকের কাছে যান।

3553 views

১. সপ্তাহে একদিন বেকিং সোডা দিয়ে দাঁত মাজুন। দাঁত পরিষ্কার হবে, ব্যাকটেরিয়ার বাড়বাড়ন্ত কমবে, দুর্গন্ধও কমবে। তাছাড়া বেকিং সোডা মুখে নিয়ে কুলি করলেও দুর্গন্ধ দূর হবে।

২. শুধু দাঁত মাজলেই হবে না, মাঝেমধ্যে ফ্লসিংও করতে হবে।

 

৩. বার বার পানি খান। মুখ শুকিয়ে  গেলে এবং শরীরে জলীয় পদার্থের পরিমাণ কমে গেলেও মুখে দুর্গন্ধ হয়।

৪. চুয়িংগাম-মিন্টের বদলে মুখশুদ্ধি করতে মৌরি, জোয়ান বা লবঙ্গ খান ।

৫. মুখের দুর্গন্ধের কারণ ব্যাকটেরিয়া। ভাল গ্রিন টি বা ব্ল্যাক টি পান করলে এই সব ব্যাকটেরিয়া দূর হয়। তাই দিনের মধ্যে বেশ কয়েক বার চিনি ছাড়া এই ধরনের চা খান। তাৎক্ষণিকভাবে দূর হবে সমস্যা।

৬.  একটি পাতিলেবু বা কমলালেবুর কোয়া চিবিয়ে নিন। সাইট্রিক অ্যাসিডে উজ্জীবিত হবে মুখের ভিতরের স্যালাইভা এবং ব্যাকটেরিয়া দূর হবে। কমে যাবে দুর্গন্ধ।

৭. সিগারেট বা তামাক খাওয়া সম্পূর্ণভাবে বাদ দিন। তামাকের কারণে দাঁত ও মাড়িতে ছোপ পড়ে যায় ও নানা ধরনের ব্যাকটেরিয়া-জনিত রোগ মাথাচাড়া দেয়। 

৮. দাঁত মাজার সময়ে জিভ ছোলা খুব জরুরি। খাবারের কণা জিভের উপরিত্বকে জমা হয়ে মৃতকোষের জন্ম দেয়, যা কিনা দুর্গন্ধের একটি প্রধান কারণ। দিনে অন্তত একবার জিভ পরিষ্কার করলে অনেকটা কমে যাবে দুর্গন্ধের সমস্যা।

৯. ভিটামিন ডি-সমৃদ্ধ খাবার মুখের ভিতর ব্যাকটেরিয়ার প্রকোপ কমায়। তাই দিনে একবার ১০০ গ্রাম টক দই খাওয়া অভ্যাস করুন। অথবা ভিটামিন ডি ট্যাবলেটও খেতে পারেন।

3553 views

মুখের দুর্গন্ধ নামক রোগটি বড় বিব্রতকর। মুখের এ দুর্গন্ধ কেন হয়, তা নিয়ে বিজ্ঞানের গবেষণা বহুকাল ধরে চলে আসছে। সেসব গবেষণা থেকে সুনির্দিষ্টভাবে কয়েকটি কারণকে চিহ্নিতও করা গেছে। সেগুলো হলো- খাদ্য আবরণ জমে থেকে ডেন্টলি প্লাক সৃষ্টি এবং মাড়ির প্রদাহ (পেরিওডন্টাল ডিজিজ), মুখের ঘা বা ক্ষত হওয়া, আকাবাঁকা দাঁত থাকার কারণে খাদ্যকণা জমা, অপরিষ্কার কৃত্রিম দাঁত বা ক্রাউন ব্রিজ, জিহ্বা অপরিষ্কার থাকার কারণে খাদ্যকণা ও জীবাণুর অবস্থান, ছত্রাক বা ফাঙ্গাস জাতীয় ঘা, মুখের ক্যান্সার, ডেন্টাল সিস্ট বা টিউমার, দুর্ঘটনার কারণে ফ্রেকচার ও ক্ষত তাছাড়া দেহের অন্য রোগের কারণেও মুখের দুর্গন্ধ হতে পারে যেমন- পেপটিক আলসার, লিভারের রোগ, গর্ভাবস্থা, কিডনি রোগ, রিউমেটিক রোগ বা বাতজনিত রোগ, ডায়াবেটিস বা বহুমূত্র, হাইপার টেনশন বা উচ্চ রক্তচাপ, গলা বা পাকস্থলীর ক্যান্সার, এইডস রোগ, হৃদরোগ, মানসিক দুশ্চিন্তা, নাক, কান, গলার রোগ। সুতরাং মুখের স্থানীয়ভাবে কারণগুলো দূর করার পরও যদি দুর্গন্ধ থেকে যায় তবে দেহের অন্য সাধারণ রোগের উপস্থিতির পরীক্ষাগুলো বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক দ্বারা পরীক্ষা করিয়ে নেয়া উচিত। মুখের দুর্গন্ধ অনেক ক্ষেত্রে নিজে অনুভব করা যায় না, অন্যরা বুঝতে পারেন এটাই এর বড় সমস্যা। একটি পরিষ্কার ভালো দাঁতের ব্রাশ ও পেস্ট দিয়ে দাঁতের সবগুলো অংশ ভেতরে-বাইরে পরিষ্কার করুন (তিনবেলা খাবারের পর)। জিহ্বা পরিষ্কারের জন্য জিবছুলা ব্যবহার করতে পারেন। যে কোনো ধরনের মাউথওয়াশ (ক্লোর হেক্সিডিন জাতীয়) ২ চামচ মুখে ৩০ সেকেন্ড রেখে ফেলে দিয়ে আবার অল্প গরম লবণ পানিতে কুলিকুচি করা। প্রতিদিন অন্তত দু'বার সকালে ও রাতে (আহারের পর) এটা করতে বলা হয়। মুখের ভেতরে একটি লং বা এলাচির দানা রাখুন। প্রতিবার আহারের পর সম্ভব হলে দাঁত ব্রাশ অথবা ভালোভাবে কুলিকুচি করে ফেলুন। বিশেষভাবে খেয়াল রাখতে হবে দাঁত ব্রাশ করলেই শুধু ময়লা বা খাদ্যকণা পরিষ্কার হয় না, কারণ দাঁতের ফাঁকে ফাঁকে বা মাড়ির ভেতরে অনেক সময় খাদ্যকণা জমা থেকে পচন শুরু হয়। এর জন্য ডেন্টাল ফ্লস (এক ধরনের পিচ্ছিল সুতা) বা ডেন্টাল টুথ পিকস (এক ধরনের জীবাণুমুক্ত শলাকা) ব্যাবহার করতে হবে। সেই সাথে কতগুলো বদঅভ্যাস যদি থাকে তবে তা বাদ দিতে হবে। যেমন- ধূমপান করা, পান, সুপারি, জর্দা, গুল, তামাকপাতা ইত্যাদি চিবানো, মদ বা অ্যালকোহল পান, মাদকদ্রব্য সেবন ইত্যাদি।

3553 views

১. সপ্তাহে একদিন বেকিং সোডা দিয়ে দাঁত মাজুন। দাঁত পরিষ্কার হবে, ব্যাকটেরিয়ার বাড়বাড়ন্ত কমবে, দুর্গন্ধও কমবে। তাছাড়া বেকিং সোডা মুখে নিয়ে কুলি করলেও দুর্গন্ধ দূর হবে।


২. শুধু দাঁত মাজলেই হবে না, মাঝেমধ্যে ফ্লসিংও করতে হবে।


 


৩. বার বার পানি খান। মুখ শুকিয়ে  গেলে এবং শরীরে জলীয় পদার্থের পরিমাণ কমে গেলেও মুখে দুর্গন্ধ হয়।


৪. চুয়িংগাম-মিন্টের বদলে মুখশুদ্ধি করতে মৌরি, জোয়ান বা লবঙ্গ খান ।


৫. মুখের দুর্গন্ধের কারণ ব্যাকটেরিয়া। ভাল গ্রিন টি বা ব্ল্যাক টি পান করলে এই সব ব্যাকটেরিয়া দূর হয়। তাই দিনের মধ্যে বেশ কয়েক বার চিনি ছাড়া এই ধরনের চা খান। তাৎক্ষণিকভাবে দূর হবে সমস্যা।


৬.  একটি পাতিলেবু বা কমলালেবুর কোয়া চিবিয়ে নিন। সাইট্রিক অ্যাসিডে উজ্জীবিত হবে মুখের ভিতরের স্যালাইভা এবং ব্যাকটেরিয়া দূর হবে। কমে যাবে দুর্গন্ধ।


৭. সিগারেট বা তামাক খাওয়া সম্পূর্ণভাবে বাদ দিন। তামাকের কারণে দাঁত ও মাড়িতে ছোপ পড়ে যায় ও নানা ধরনের ব্যাকটেরিয়া-জনিত রোগ মাথাচাড়া দেয়। 


৮. দাঁত মাজার সময়ে জিভ ছোলা খুব জরুরি। খাবারের কণা জিভের উপরিত্বকে জমা হয়ে মৃতকোষের জন্ম দেয়, যা কিনা দুর্গন্ধের একটি প্রধান কারণ। দিনে অন্তত একবার জিভ পরিষ্কার করলে অনেকটা কমে যাবে দুর্গন্ধের সমস্যা।


৯. ভিটামিন ডি-সমৃদ্ধ খাবার মুখের ভিতর ব্যাকটেরিয়ার প্রকোপ কমায়। তাই দিনে একবার ১০০ গ্রাম টক দই খাওয়া অভ্যাস করুন। অথবা ভিটামিন ডি ট্যাবলেটও খেতে পারেন।


১০. তুলসি পাতা, পুদিনা পাতা বা ধনে পাতা চিবিয়ে খান। দূর হবে দুর্গন্ধ।

3553 views

মুখের দুর্গন্ধ থেকে রক্ষা পেতে প্রতিদিন সকাল বিকাল খাবার পর দাঁত ব্রাশ করবেন। কোন প্রয়োজনে বাড়ির বাইরে গেলে আপনি দারচিনি চিবাতে পারেন। কারণ দারচিনি মুখের দুর্গন্ধ থেকে রক্ষা করে।

3553 views

Related Questions