3 Answers
আপনি নিয়মিত পুষ্টিকর খাবার খান।হস্থমৈথুন একবারে ছেড়ে দিন।ফলমূল,দুধ,ডিম এবং শাক সবজি বেশী বেশী খান।আর রুট টেন আয়ুর্বেদিক সিরাপটি খেতে পারেন।
আপনি ক্যাপসুল সেনচুরিন খাওয়ার
পাশাপাশি।
পর্যাপ্ত ঘুমের বিকল্প নেই। নির্ঘুম শরীর অনেকাংশেই মনের ক্ষমতার উপর প্রভাব ফেলে। তাই ঘুম হতে হবে ঠিকঠাক।
অবশ্যই পরিহার করুন মাদকদ্রব্য এবং ধূমপান।
ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিড সমৃদ্ধ খাবার বেশি করে খাবেন।
মানসিক চাপকে নিন সহজভাবে। পরিস্থিতির মোকাবেলা করুন ধীরেসুস্থে।
ফাস্ট ফুড জাতীয় খাবার এড়িয়ে চলুন।
শারীরিক এবং মানসিক অসুস্থতা নিয়ে হেলাফেলা নয়। সজাগ থাকুন সবসময়।
বন্ধু ও পরিচিতজনের সংখ্যা বাড়ান এবং তাদের সাথে গড়ে তুলুন গঠনমূলক সুন্দর সামাজিক সম্পর্ক।
সময় পেলে বুদ্ধিবৃত্তিক খেলা, যেমন – পাজল সমাধান, দাবা ইত্যাদির চর্চা করুন নিয়মিত।
স্মৃতিশক্তি বাড়ানোর ঘরোয়া ২ উপায়
১. কাঠবাদাম
কাঠবাদাম একটি চমৎকার আয়ুর্বেদিক উপাদান। এটি স্মৃতিশক্তি ও মস্তিষ্কের শক্তি বাড়াতে সাহায্য করে। এর মধ্যে রয়েছে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিড। এর মধ্যে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট চোখের জন্যও ভালো।
যা করতে হবে
- ৫ থেকে ১০টি কাঠবাদাম সারা রাত ভিজিয়ে রাখুন।
- পরের দিন সকালে খোসা ছাড়িয়ে নিন এবং একে গুঁড়া করুন।
- এক গ্লাস দুধের মধ্যে এই গুঁড়া মিশিয়ে ফুটান।
- স্বাদ বাড়ানোর জন্য সামান্য চিনি বা মধু মেশাতে পারেন।
- ৩০ থেকে ৪০ দিন এটি প্রতিদিন খান।
২. মধু ও দারুচিনি
মধু ও দারুচিনি স্নায়ুকে শিথিল করে এবং স্মৃতিশক্তি বাড়ায়। গবেষণায় বলা হয়, কেবল দারুচিনি একটু নাকের কাছে নিয়ে শুঁকলেও স্মৃতিশক্তি ভালো হয়, এতে মস্তিষ্কের কার্যক্রম বাড়ে।
অনেকে এও বলেন, ঘুমের আগে মধু খেলে মানসিক চাপ কমে; ঘুমেও সাহায্য হয়। এটি স্মৃতি একত্রীকরণে ভূমিকা রাখে।
যা করতে হবে
- এক চা চামচ কাঁচা মধুর মধ্যে এক চিমটি দারুচিনি মেশান।
- কয়েক মাস ধরে প্রতি রাতে এটি খান।