1 Answers

গলগণ্ড হয়েছে বা হচ্ছে মনে হলেও চিকিৎসকের কাছে যাওয়া উচিত। আমাদের দেশের অনেকেই এ ব্যাপারটাতে বেশ অনীহা প্রকাশ করেন এবং এর জন্য রোগীকে ও তার পরিবারকে শেষ পর্যন্ত যথেষ্ট ভোগান্তি পোহাতে হয়। গলগন্ডের সম্ভাব্য রোগীকে চিকিৎসক শারীরিক পরীক্ষা, রক্ত পরীক্ষায়, আলটাসোনগ্রাম থেকে শুরু করে বায়োপথি ও রেডিও অ্যাকটিভ আয়োডিন আপটেক  পরীক্ষা পর্যন্ত করতে পারেন।

গলগন্ডের কারন নির্ধারিত হবার পর এর চিকিৎসা পদ্ধতি টিক করা হয়। গলগন্ডের রোগীর থাইরয়েড গ্রন্থি যদি সামান্য একটু স্ফীত হয়ে থাকে এবং এর শুধুমাত্র পর্যাপ্ত আয়োডিন সরবরাহ করেই এ সমস্যা থেকে মুক্তি পাবার চেষ্টা করা যেতে পারে। কিছু যদি আয়োডিনের ঘাটতি জনিত হাইপোথারয়েডের গলগন্ড বৃহদাকার হয়।

তবে শুধুমাত্র আয়োডিনের অভাব পূরণ করে তেমন কোন উন্নতি আশা করা যাবে না। এক্ষেত্রে বৃদ্ধিপ্রাপ্ত থাইরয়েড গ্রন্থিকে অপারেশন করে বাদ দেয়া ছাড়া গত্যান্তর থাকে না। এরই সাথে হরমোন খাওয়াতে হয় আজীবন। আর হাইপার থাইরয়েডিজমের কারণে গলগন্ড হলে থাইরয়েড গ্রন্থির কার্যকারিতা কমাতে পারে এমন ওজন দিয়ে সংশোধনের চেষ্টা করা হয়।

এদের ক্ষেত্রেও অপারেশন করে স্ফীত গ্রন্থিটি বাদ দেয়া জরুরী হয়ে পড়ে অনেক অসময়। নিরীহ থাইরয়েড নড্যুল ওষুধ সংশোধনের চেষ্টা করাই শ্রেয়। আর থাইরয়েড গ্রন্থির ক্যান্সার হলে দ্রুত অপারেশনকরে পুরোটা গ্রন্থি ফেলে দেয়া হয়। এর পর রেড়িড অ্যাকটিতে আয়োডিন দিয়ে চিকিৎসা করা হয়।

2614 views

Related Questions