5 Answers
যথেষ্ট পরিমানে রেষ্ট নিন। সামগ্রিক চিন্তা হতে নিজেকে দূরে রাখুম, লাল আলোর লাইটে না পড়ে,এনার্জি লাইট ব্যবহার করুন। ঘুমের ঘাটতি রাখবেন না, কঠিন বিষয়গুলো আস্তে আস্তে বুঝার চেষ্টা করুন। তাড়াহুড়া করবেন না। তারপরও বলব একজন ভালো চিকিৎসক এর শরণাপন্ন হউন।
এটার পেছনে কয়েকটা কারণ থাকতে পারেঃ
১. সময়মতো না পড়ার জন্য অনেক পড়া জমে গেছে, তাই চিন্তার কারণে মাথা ব্যাথা করা।
২. টেবিলে পড়ার সময় আলোর উৎস মাথার সামনের দিক থেকে আসা, আলোর উৎস মাথার পেছন দিকে থাকতে হবে।
৩. আলো খুব বেশি বা খুব কম থাকা।
৪. ঘুম কম হওয়া ইত্যাদি।
এগুলোর সমাধান করুন আর মস্তিষ্কের স্মৃতিশক্তির কার্যক্ষমতা বাড়ানোর জন্য গ্লুকোজ খেতে পারেন পানির সাথে
বেশি সমস্যা বোধ করলে একজন ডাক্তারের
পরামর্শ নেওয়া দরকার।
আপনার চোখের সমাস্য থাকলে চিকিত্সকের পরমার্শ্য নিয়ে চশমা ব্যবহার করুন । নিয়মিত ঘুম, খাওয়া দাওয়া, গোসল, খেলাধুলা, ঘুরে বেড়ানো, বিনোদনে অংশ গ্রহন করুন ।
মাথা ব্যাথা অনেক কষ্টের একটি রোগ। যার হয় সেই বোঝে এর কত যন্ত্রনা। কিন্তু সাধারণভাবে মানুষ যখন কোন টেনশনে ভোগে তখনসৃষ্টি হয়। কিন্তু যদি সব সময় এবং দীর্ঘদিন ধরে এটি হতে থাকে তথন এটি সম্পর্কে অবশ্যই ভাবা উচিত। কেননা এটি তখন আর স্বাভাবিক কোন মাথা ব্যাথা থাকে না। তখন তা পরিণত হয় একটি রোগে। যাকে মাইগ্রেন বা বাংলায় অর্থ মাথা ব্যাথা বলা হয়ে থাকে। মূলত মাইগ্রেন কেন হয়ে থাকে তার সঠিক কোন তথ্য খুজে পাওয়া যায় নি। তবে ধারনা করা হয় যে, ব্রেনের ভেতরে রক্তবাহীনালীসমূহ কোনো কারণে সংকুচিত হয়। এটা হলে মস্তিষ্কে রক্ত চলাচলের তারতম্যের জন্যই এই প্রচণ্ড ধপ ধপ করে মাথাব্যথা শুরু হয়। বমি না হওয়া পর্যন্ত এই ব্যথা কমেনা। মাইগ্রেন (মাথাব্যথা) একবার শুরু হলে কয়েক ঘণ্টা থেকেকয়েক দিন পর্যন্ত একাধারে চলতে পারে। যার ফলে কাজ কিংবা পড়ালেখায়ও ক্ষতি হতে পারে।যারা পূর্বে থেকে মাইগ্রেন সমস্যায় ভুগছেন তাদের ব্যাথা ওঠার বেশ কিছু পূর্বাভাস অনুভুত হতে পারে। এছাড়া টেনশন, পরীক্ষা বা চাকরির অত্যন্ত চাপ, মানসিক অশান্তি, বাস বা গাড়িতে অনেকক্ষণ যাত্রা করা, মহিলাদের বেশিক্ষণ গরমে রান্না ঘরে থাকা, মাসিকের সময় ইত্যাদি নানাবিধ কারণে মাইগ্রেন শুরু হতে পারে। সাধারণ মাইগ্রেন হলে সাধারণত খুব বেশি মাথাব্যথা হয় না। বমি ভাব থাকতে পারে। কখনও এক বা দুইসপ্তাহ প্রচণ্ড মাথাব্যথা থাকে এবং রোগী ব্যথায় ছটফট করেন।আবার অনেক সময় ঘুম থেকে সকালে উঠেই ব্যথা শুরু হয়।এ রোগের কোন প্রতিকার নেই। যাদের মাইগ্রেন মাথাব্যথা থাকে, সারাজীবনই কোনো না কোনো সময়ে কোনো না কোনো কারণে এই মাথাব্যথা শুরু হতে পারে। মূলত সাধারন মাইগ্রেন এর ক্ষেত্রেপ্যারাসিটামল খেলেই ব্যাথা অনেকাংশে কমে আসে। যদি মাইগ্রেন বারবার হতে থাকে এবং কাজে বাধা সৃষ্টি করে, তবে কিছু শক্ত ব্যাথানাশক ওষুধ এবং এর সাথে যাতে বারবার ব্যাথা ফিরে না আসে সে জন্য কিছু প্রতিষেধক ওষুধ দেওয়া হয়। এছাড়াও চশমারপাওয়ারেও অনেকটা উপকার লাভ করা সম্ভব।তবে একটা কথা রোগ কখনো অবহেলা না করাটাই ভালো । সেটা যত ক্ষু্দ্রই হোক না কেন। কেননা ছোট রোগ ভেবে অবহেলা করলে অনেকসময় সেই রোগটিই মৃত্যুর কারণ হয়ে দাড়াতে পারে। তাই মাথা ব্যথা হলে অবহেলা না করে ডাক্তারের পরামর্শ
আপনি হোমিও অসুদ Aethusa CYN 200 খান। ফল পাবেন ইনশাআল্লাহ্। ছাত্র/ছাত্রীদের মাথা ব্যাথা হওয়াটা স্বাভাবিক ব্যাপার। চিন্তার কোন কারণ নেই। আর একটা কথা আপনি সব সময় সময়ের কাজ সময়েই করবেন। কোন কাজ পরে করব বলে ফেলে রাখবেন না। কাজটা লেখাপড়া হোক বা অন্য যে কোনই হোক। আর হ্যাঁ, কোন রকম চিন্তা করবেন না।