3 Answers
.দাঁত সাদা করার ঘরোয়া কিছু উপায়
@ @
আমাদের সবারই মন ভোলায় একটি ঝকঝকে সুন্দর দাঁতের হাসি। কিন্তু আপনার দাঁত যদি হয় হলুদ তাহলে বিব্রত না হয়ে উপায় কি বলুন? আসুন জেনে নেই হলুদ দাঁত সাদা করার কিছু ঘরোয়া উপায়…
বেকিং
এটি দাঁত সাদা করতে সবচেয়ে কার্যকরী। একটি ব্রাশ ভিজিয়ে নিয়ে পেস্টের সঙ্গে কিছুটা বেকিং পাউড়ার নিয়ে দাঁত মাজলে দাঁত হয় ঝকঝকে সাদা। সকালে ঘুম থেকে উঠে কিংবা রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে দাঁত ব্রাশের সময় এটা করা যেতে পারে।
স্ট্রবেরির বিচি
স্ট্রবেরি খেতে যেমন মজাদার, ফলটির বিচিও দাঁতের জন্য বেশ উপকারী। স্ট্রবেরি ফলের ছোট ছোট বিচি আপনার দাঁতের বাইরের অংশে ঘষুন। সপ্তাহে কমপক্ষে ২ বার এই কাজ করলে দাঁতে জমে থাকা ময়লা সহজেই দূর হয়। একই সঙ্গে দাঁতের রংও হবে উজ্জ্বল।
লেবুর রস
এক চিমটি লবণ ও কয়েক ফোঁটা লেবুর রস দিয়ে মাজলে দাঁত সাদা হয়। এছাড়া লেবুর খোসা দিয়ে আপনার দাঁত স্ক্রাবিং করতে পারেন। দাঁত সাদা করতে এটাও বেশ ভাল উপায়।
পাইপ/স্ট্র ব্যবহার
অনেকের চা ও কফির প্রতি দারুণ আসক্তি আছে। অবস্থা এমন যে সারা দিন কত কাপ চা বা কফি খাওয়া হয়েছে, তার হিসাব মেলানো দায়। একই কথা প্রযোজ্য সোডাজাতীয় পানীয়ের ক্ষেত্রে। সত্য কথা হলো—চা, কফি ও সোডাজাতীয় পানীয় দাঁতের শত্রু। এগুলো দাঁতের রং নষ্ট করে দেয়। দাঁত রক্ষায় এগুলো পান পুরোপুরি ত্যাগ বা নিয়ন্ত্রণ করা যেতে পারে। আর তা সম্ভব না হলে বিকল্প ব্যবস্থা হিসেবে পাইপ বা স্ট্র ব্যবহার করা যায়।
কমলার খোঁসা
সকালে ঘুম থেকে উঠে পানি দিয়ে আপনার দাঁত ধুয়ে ফেলুন। তারপর কমলালেবুর খোসা দিয়ে আপনার দাঁত ঘষুন। কমলালেবুর খোসায় ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন সি এর উপস্থিতি থাকায় দাঁতের অণুজীবের সঙ্গে লড়াই করে। এতে দাঁত আরও সাদা এবং শক্তিশালী হয়।
মাশরুম
দাঁত সাদা করতে মাশরুম খেতে পারেন। এতে প্রচুর পরিমাণে পলিস্যাকারাইড থাকে। যা ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস করে ও ডেন্টাল প্লাক হতে দেয়না।
সবুজ চা
এতে প্রচুর ফ্লুরাইড থাকে। এছাড়া এটি এন্টি এসিডিক হওয়ার কারণে দাঁতে হলুদ রং পড়তে বাঁধা দেয়।
কাঠকয়লা
এর আগে মানুষের দাঁত পরিষ্কারে ব্যবহৃত হতো কাঠকয়লা। কাঠকয়লা আপনার দাঁত সাদা করতে সাহায্য করে।তাই মাঝে মাঝে কাঠ কয়লা মিক্স ব্যবহার করতে পারেন।
ফ্লস ব্যবহার
দাঁতের পরিচ্ছন্নতা ও রং সুরক্ষায় ফ্লসও বেশ উপকার দেয়। দাঁতের ফাঁক থেকে খাদ্যের কণা দূর করতে নিয়মিত ফ্লস ব্যবহার করুন। বিশেষত সারা দিন খাবারদাবার খাওয়ার পর প্রতি রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে ফ্লস ব্যবহার করে দাঁত পরিষ্কার ও উজ্জ্বল রাখা যায়।
সূত্র: পরিবর্তন.কম
কলার খোসায় আছে প্রচুর পরিমাণে খনিজ উপাদান। বিশেষ করে পটাসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম আর ম্যাঙ্গানিজ। আর এরাই হচ্ছে দাঁতকে সাদা করে তুলবার প্রধান হাতিয়ার। এছাড়াও কলার খোসায় আছে প্রচুর ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন ডি, যারা কিনা দাঁতকে মজবুত করে তোলার পাশাপাশি খনিজ উপাদান গুলো শোষণ করতেও সহায়তা করে। কলার খোসা নিঃসন্দেহে সাদা করে তুলবে আপনার দাঁত, তবে ব্যবহার করতে হবে সঠিক পদ্ধতিতে। এবং অবশ্যই নিয়ম মেনে। জেনে নিন বিস্তারিত পদ্ধতি।
- প্রথমেই বেছে নিন সঠিক কলা। দাঁত সাদা করার জন্য ঠিক ভাবে পাকা কলা হওয়া জরুরী। খুব বেশি পাকাও নয়, খুব বেশি কাঁচাও নয়। এমন কলা বেছে নিন যারা কিনা এখন নিচের দিকে একটু একটু সবুজ। কেননা এই ধরনের কলায় পটাশিয়াম থাকে উচ্চ মাত্রায়। আর এই পটাশিয়ামই দাঁত সাদা করার দায়িত্ব নেবে।
- কলা উলটো করে ছিলে নিন। হ্যাঁ, যেভাবে আপনি ছিলে থাকেন কলা ঠিক তার উলটো দিক থেকে ছিলে নিন। দেখবেন যে কলার গায়ে লম্বা লম্বা সুতার মতন আঁশ থাকে। উলটো করে ছিলে নিয়ে এই আঁশ গুলো থাকবে খোসার সাথেই।
- খোসা থেকে চারকোনা করে দুটি টুকরো কেটে নিন। আপনার সুবিধা মতন আকারেই কেটে নিন। চাইলে এই কাটা খোসা ফ্রিজেও সংরক্ষণ করতে পারেন।
- এবার সকালে দাঁত ব্রাশ করবার পূর্বে এই কলার খোসার ভেতরের অংশটি দিয়ে আপনার দাঁত খুব ভাল করে ঘষুন। প্রথম টুকরোটি দিয়ে পুরো এক মিনিট ঘষুন। তারপর সেটা বদলে দ্বিতীয় টুকরোটি দিয়ে আরও এক মিনিট। অর্থাৎ পুরো দুই মিনিট দাঁতকে ঘষুন। দাঁতের প্রত্যেকটি অংশে যেন পৌছায় এমন ভাবে ঘষতে হবে।
- দাঁত ঘষা হলে কিছুক্ষণ অপেক্ষা করুন। ১৫ থেকে ২০ মিনিট করতে পারলে ভালো। এই সময়ে পানি বা অন্য কিছু খাবেন না, কিংবা কুলি করবেন না। সময়টা পেরিয়ে গেলে আপনার নিয়মিত ব্যবহারের টুথ পেস্ট দিয়ে দাঁত মেজে নিন।
এবার আয়নায় তাকিয়ে দেখুন তো, লাগছে না দাঁত একটু বেশি পরিষ্কার? ৪/৫ দিন এমন করার পরেই দেখবেন আগের চাইতে অনেক বেশি উজ্জ্বল হয়ে উঠেছে আপনার দাঁত। হলদে ভাব যেমন কমে গেছে, তেমনি কালো ছোপটাও অনেকটাই সরে গেছে। যারা ধূমপান বা মদ্যপান করেন, তাদের ক্ষেত্রেও কাজ করবে এই পদ্ধতি। তবে ব্যবহার করতে হবে বেশ দীর্ঘদিন। এবং সঠিক নিয়েম মেনে।
অবশ্যই মনে রাখতে হবে যে-
- এটা কোনও ম্যাজিক নয়। তাই ভালো ফল পেতে নিয়ম মেনে ব্যবহার করতে হবে।
- অবশ্যই কমপক্ষে ২ মিনিট ঘষতে হবে। এই সময়টা জরুরি। বেশি ঘষলে আরও ভালো।
- ঘষার পর অবশ্যই সময় দিতে হবে খনিজ গুলো দাঁতে শোষিত হবার।
- যাদের দাঁত মদ্যপান, ধূমপান বা অসুস্থতার কারণে হলুদ তাদের ক্ষেত্রে একটু সময় লাগবে।
- কলার খোসায় প্রচুর পরিমাণে চিনি থাকে। তাই অবশ্যই দাঁত খুব ভালভাবে মেজে নিতে হবে। এবং এই কারণেই দিনে ১ বারের বেশি ব্যবহার করা যাবে না।
- যাদের দাঁত খুব একটা বেশি হলুদ নয়, তারা সপ্তাহে একবার ব্যবহার করুন।
অনেকেই বলবেন যে কাজ হয় না, ভুয়া ইত্যাদি। কিন্তু মোদ্দা কথাটা হলো হয় তারা চেষ্টা না করেই বলেছেন, কিংবা চেষ্টা করলেও সঠিক ভাবে করেননি। ফল পাবার জন্য অবশ্যই নিয়ম মেনে প্রয়োগ করতে হবে। আর তাই অন্য লোকের কথা শোনা বাদ দিয়ে নিজেই চেষ্টা করে দেখুন না!
(copied)
ঝকঝকে সাদা দাঁতের মুক্তো ঝরা হাসি কে না চায় বলুন? সুন্দর দাঁতের মিষ্টি হাসি যে কারো মন কেড়ে নিতে পারে নিমিষেই। দাঁত সুন্দর না হলে মানুষের আত্মবিশ্বাসও কমে যায় অনেকখানি। হলদে দাঁত বের করে সহজে কেউ হাসতে চায় না। আর তাই হাসি পেলেও মুখ চেপে চেহারাটাকে কিম্ভুতকিমাকার বানিয়ে ফেলেন অনেকেই। পাছে লোকে দাঁত দেখে ফেলে তাই মুখে হাত দিয়েও হাসেন কেউ কেউ। অসুন্দর দাঁতের সমাধান তো আর দাঁত ঢাকা নয়। ঝকঝকে দাগমুক্ত দাঁত পেতে চাইলে দিনে দুইবার দাঁত ব্রাশ করার পাশাপাশি প্রয়োজন বিশেষ যত্নের। ডেন্টিস্টের কাছে না গিয়েও দাঁত সাদা ঝকঝকে করে তোলা সম্ভব। ঘরেই বিশেষ যত্ন নিয়ে দাঁতের হলুদ ভাব দূর করে ফেলা যায় সহজেই। আর দাঁতের হলুদ ভাব দূর করতে সহায়তা করবে লেবুর রস। জেনে নিন দাঁতের হলদে ভাব দূর করার প্রক্রিয়াটি। *একটি কাপে লেবুর রস চিপে নিন। এরপর সেটাতে কিছু পানি মিশিয়ে নিন। *দাঁত ব্রাশ করার পর লেবুর রস মেশানো পানি দাঁতে লাগিয়ে আঙ্গুল দিয়ে ঘষে কুলি করে নিন। *এভাবে কয়েকবার করলেই মধ্যেই দাঁত হয়ে যাবে ঝকঝকে সাদা। *এছাড়াও লেবুর খোসা অথবা লেবুর খোসার শুকনো গুড়া দিয়ে দাঁত ঘষে নিতে পারেন। *কুলি করার সময় ঠান্ডা পানি দিয়ে করলে ভালো ফলাফল পাওয়া যায়। সতর্কীকরণ- লেবু দিয়ে দাঁত পরিষ্কার কিন্তু প্রতিদিন বা নিয়মিত করা যাবে না। এই প্রক্রিয়ায় চট জলদি দাঁত সাদা করা যায় ঠিকই। কিন্তু প্রতিনিয়ত করলে দাঁতের এনামেল ক্ষয় হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে।
Related Questions
Next steps
- Find a doctor for in-person or online consultation
- Browse medical tests patients often ask about
- Check medicine information (uses, dosage, brands in Bangladesh)
- More health Q&A on Bissoy