3 Answers
দাঁত-সমস্যার প্রাকৃতিক সমাধান
দাঁত ব্যথা, মাড়ি ফোলা, মুখে ঘা— সমস্যার অন্ত নেই। সমাধানেরও অনেক পথ আছে। টুথপেস্ট থেকে শুরু করে অ্যালোপ্যাথি, হাকিমি কবিরাজি চিকিত্সা নিতে নিতে হয়রান অনেকেই। অথচ সহজেই মিলবে দাঁতের সমস্যার সমাধান। সেজন্য রয়েছে কিছু ফল
স্ট্রবেরি: চা, কফি অথবা কোনো কারণে দাঁতে হলদে ভাব ধরেছে। স্ট্রবেরি খান। দাঁত হবে একদম চকচকে সাদা। স্ট্রবেরিতে রয়েছে এক ধরনের প্রাকৃতিক এসিড, যা দাঁত থেকে হলদে ভাব দূর করে দাঁতকে সাদা ও মজবুত করে। সুস্থ, সুন্দর দাঁত চাইলে নিয়মিত স্ট্রবেরি খেয়ে পরখ করে দেখতে পারেন।
ফুলকপি: দাঁতে কালো দাগ বা প্লাগ বসে গেছে। শক্ত ব্রাশের মতো ঘষে দাগ তুলে দাঁতকে সাদা ঝকঝকে করে দেবে ফুলকপি। কারণ ফুলকপিতে রয়েছে ‘চাঁচা-ছোলা পদার্থ’ যা দাঁতের দাগ দূর করতে সাহায্য করে। এছাড়া মুখে লালা আসার মাত্রাকেও নিয়ন্ত্রণে রাখে ফুলকপি।
তরমুজ: অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট আর ভিটামিন সি-এর উত্স হচ্ছে তরমুজ। অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট শরীরের কোষ ধ্বংস প্রতিরোধ করে। আর ভিটামিন ‘সি’ দাঁত ও মাড়িকে শক্ত করে আয়রন শোষণ প্রতিরোধ করে। প্রতিদিন দুই কাপ পরিমাণ তরমুজ দেবে ২৫ শতাংশ ভিটামিন সি-এর নিশ্চয়তা। দাঁতের মাড়ি রোগ ও কোষ ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষা পেতে উপায় নিয়মিত তরমুজ খাওয়া।
কমলা: ভিটামিন সি-এর সবচেয়ে বড় উত্স হচ্ছে কমলা। শরীরের ভিটামিন সি-এর সব চাহিদা পূরণ করতে পারে কমলা। নিয়মিত যথেষ্ট পরিমাণ কমলা খেলে ভিটামিন সি-এর অভাবে যেসব রোগ হয় তা আপনাকে ছুঁতে পারবে না। দাঁত ও মাড়ির জন্য কমলা একেবারে টনিক। মজার ব্যাপার হলো, চিবিয়ে কমলা খেলে তা দাঁতের উপরের আবরণ ধ্বংস করে দাঁতকে সুন্দর ও মজবুত করে।
আপেল: প্রতিদিন একটি করে আপেল শুধু চিকিত্সক থেকে আপনাকে দূরেই রাখবে না, এটি দেবে দীর্ঘস্থায়ী দাঁতের নিশ্চয়তা। আপেল শুধু দাঁতকে পরিষ্কার ও শক্তই করে না, শরীরের সুগারের পরিমাণকেও নিয়ন্ত্রণ করতে পারে আপেল। সুতরাং দিনে অন্তত একটি করে আপেল সুস্থ দাঁত ও ত্বকের জন্য আবশ্যক।
পল্লবিত সবজি: একদম গাঢ় সবুজ সবজি বিটা ক্যারোটিনের বড় উত্স। শরীরের অধিকাংশ ভিটামিন ‘এ’ আসে বিটা ক্যারোটিন থেকে। এ ভিটামিন ‘এ’ মানবদেহের জন্য কতটা উপকারী তা অজানা নয়। সুস্থ ও সুন্দর দাঁতের জন্যও কিন্তু ভিটামিন ‘এ’ গুরুত্বপূর্ণ।
দুগ্ধজাত খাবার: দুগ্ধজাত খাবার যেমন দুধ ও পনির হচ্ছে ল্যাকটিক এসিডের উত্স। ল্যাকটিক এসিড দাঁতের ক্ষয়রোধ করে। গবেষণায় দেখা গেছে দুগ্ধজাত খাবারের প্রোটিন, ক্যাভিটি সৃষ্টিকারী ক্ষতিকর এসিডের আক্রমণ থেকে দাঁতকে সুরক্ষিত ও মজবুত করে। দুগ্ধজাত খাবার হচ্ছে ক্যালসিয়ামে পরিপূর্ণ। ক্যালসিয়াম শরীরের হাড় মজবুত রাখে এবং দাঁতের রক্ষাকারী হিসেবে কাজ করে। এছাড়া এ ধরনের খাবার চুষে খেলে তা মুখের লালা সৃষ্টি করে, যা খাদ্যকণাকে দূরীভূত করে।
সবুজ শিম ও মটরশুঁটি: এ ধরনের সবুজ খাবার ক্ষতিকর পদার্থকে ঘষে ফেলে মুখকে পরিষ্কার রাখে। এছাড়া মুখের লালার তারতম্য বজায় রাখে এসব খাবার।
আঙ্গুর: ম্যালিক এসিড আর এনজাইম পাওয়া যায় আঙ্গুরে, যা শরীরের অধিকাংশ কাজে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। যেমন— দাঁত, মুখকে সুস্থ ও সুন্দর রাখে।
পানি: খাওয়া শেষে কুলিকুচি করে পানি পান করলে তা খাদ্যকণার ক্ষতিকর ও দাঁতকে বিবর্ণতা থেকে রক্ষা করে। দাঁতের ক্ষয় ও দুরবস্থা থেকে রেহাই পেতে পরিমাণমতো পানি পান জরুরি। প্রকৃতির এ উপহার নিশ্চিত করবে আপনার দীর্ঘস্থায়ী দাঁত আর নিষ্কপট লাইফস্টাইল।
ভাই আমি বুজতে পারছি আপনি কতটা কষ্ট ভুগছেন আসলে কিছু কিছু সমস্যার কারনে আমরা অনেকেই হতাস হয়ে পরি এবং আত্মহত্যার ও চিন্তা করি ।। ছি এইটা কি আসলেই আমাদের চিন্তা করা উচিৎ কখন ও কি ভেবে দেখেছেন যারা প্রতিবন্দি তারা কিভাবে বেচে আছে ? সব সময় আমাদের নিচের দিকে তাকানো উচিৎ পরবর্তীতে বেঁচে থাকা সম্ভব না কথা টা বলে পাপ করবেন না । আর আমি যত টুকু জানি পড়ে যাওয়া দাঁতে আপনি নতুন দাঁত লাগাতে পারবেন সুদর্শনের জন্য । আপনি ডেন্টাল মেডিক্যালে যোগাযোগ করুন আশা করি আপনার সমস্যা সমাধান হবে ইনশা আল্লাহ ।
সামান্য একটা দাঁতের জন্য আপনি আত্নহত্যার চিন্তাভাবনা করছেন? আপনি দন্ত চিকিৎসকের পরামর্শ ক্রমে নকল দাঁত লাগিয়ে নিতে পারেন।