5 Answers
কোনো ক্রিম ই ব্রণের গর্ত পুরন করতে পারেনা, এরজন্য চিকিত্সা নিতে হবে। আজেবাজে ক্রিম ব্যবহার ত্বকের ক্ষতি করতে পারে তাই একজন ডার্মাটোলজিস্টের পরামর্শ অনুযায়ী চিকিত্সা নিন।
এর জন্য সবচেয়ে ভালো ক্রিম ভেটনোভেট এন। ইন্ডিয়ানটা ব্যবহার করবেন। Prise:50.00 tk এটা দিনের বেলায় ব্যবহার করবেন না। শুধুমাত্র রাতের বেলায়।
ব্রণের গর্ত দূর করতে কি কি করবেন::: ০১. ভিটামিন ই তেলঃ ব্রনের গর্তের দাগ সারানোর জন্য সবচেয়ে সহজ ও কার্যকর সমাধান হচ্ছে ভিটামিন ই তেল। এটি ব্রণের গর্তে যাদুর মত কাজ করে। প্রতিদিন অল্প পরিমাণে ভিটামিন ই তেলের ব্যবহারে আপনার মুখমন্ডল হয়ে উঠবে দাগহীন,উজ্জ্বল। এটি ব্রণের কালো দাগ সারাতেও সাহায্য করে। ভিটামিন ই তেল বাজারে কিনতে পাওয়া যায়। আর না পেলে ভিটামিন ই ক্যাপসুল ব্যবহার করুন। প্রথমে সমস্ত মুখ মন্ডল তেল মুক্ত ফেস ওয়াস দিয়ে পরিষ্কার করে নিন । আরপর একটা পরিষ্কার পিন বা সূঁচ এর সাহায্যে ক্যাপসুলটি ফুটো করে তেল নিঃসরন করুন। তারপর পরিষ্কার হাত দিয়ে মুখে লাগিয়ে নিন। খুব বেশি তৈলাক্ত ত্বক হলে লাগানোর আধ ঘণ্টা পর টিস্যু পেপার দিয়ে অতিরিক্ত তেল চেপে চেপে তুলে নিন। নয়ত সারা রাত লাগিয়ে রাখতে পারেন। সমস্যা খুব বেশি না হলে সপ্তাহে ২-৩ বার এভাবে করুন। ০২. লেবুঃ লেবু সাইট্রিক এসিদের খুব ভাল উৎস। সাইট্রাস এসিড স্কার সারাতে অনবদ্য। কয়েক গ্লাস লেবুর শরবত পান করলে তার সাইট্রিক উপাদান আপনার দেহের ভেতর থেকে মরা কোষ সারিয়ে ত্বকের রঙ হালকা করতে সাহায্য করে। একটি মাঝারি আকারের লেবুর রস সমপরিমাণ পানির সাথে মিশিয়ে মুখে ঘষুনএতে গর্তের দাগ হালকা হবে। সময়ের সাথে সাথে আপনি পাবেন দাগ মুক্ত ত্বক। ০৩. অ্যালোভেরা জেলঃ অ্যালোভেরা জেল প্রকৃতির আশীর্বাদ স্বরূপ। এই একটা উপাদান ত্বকের নানা রকম সমস্যা থেকে মু্ক্তি দেয়। টাটকা অ্যালোভেরা জেল ব্যবহার করুন । এখন বিভিন্ন সুপার শপ গুলোতে অ্যালোভেরা পাওয়া যায়। সেখান থেকে কাঁচা অ্যালোভেরা কিনে জেল বের করে নিতে হবে। বাইরে থেকে কিনতে না চাইলে নিজের টবেও লাগাতে পারেন অ্যালোভেরা। প্রথমেই একটি আস্ত অ্যালোভেরা নিয়ে সেটিকে ছুঁরির সাহায্যে যে কোন এক দিক থেকে কাটুন। কাটলেই দেখবেন ভেতরে স্বচছ্ব জ়েলীর মত উপাদান, এটি ব্যবহার করুন। দিনে যতবার ইচ্ছা ব্যবহার করতে পারেন। এটি আপনাকে দেবে বিরক্তিকর ব্রণের গর্তের দাগ থেকে মুক্তি। ০৪. টমেটোঃ টমেটোতে আছে ভিটামিন এ; যা সেবামের অতিরিক্ত ক্রীয়া বন্ধ করতে সক্রিয় ভূ্মিকা রাখে এবং ব্রণ ও ব্রণের দাগ দুটোই সারিয়ে তোলে। তাছাড়া এতে আছে প্রচুর পরিমাণে এন্টি- অক্সিডেন্ট, যা ত্বকের ক্ষয়-ক্ষতি সারিয়ে তুলতেও সাহায্য করে। মাঝারি আকারের টাটকা টমেটো নিন। একে সমান ২ ভাগে ভাগ করুন। এবার দুই গালে প্রথমে ঘড়ির কাঁটার দিকে এবং তারপর ঘড়ির কাঁটার বিপরীত দিকে ম্যাসাজ করুন। এতে যেমন গর্তের দাগ হালকা হবে, তদুপুরি রোদে পোড়া ভাব-ও কমবে। তাছাড়া এটি অনেক ভালো মেক- আপ রিমুভারের কাজ-ও করে থাকে । ০৫. অলিভ ওয়েলঃ অলিভ ওয়েল একটি জাদুকরী উপাদান। এটি শুধু খাদ্যদ্রব্যই সুস্বাদু করে না, এটি ত্বক পরিচর্যায় ও কার্যকরী ভূমিকা রাখে। এক্সট্রা ভারজিন অলিভ ওয়েল দ্রুত ব্রনের গর্ত সারাতে সাহায্য করে। অলিভ ওয়েলের ময়েশ্চারাইজিং গুণাগুণের কারণে এটি দ্রুত ত্বকের সাথে মিশে যায় এবং গর্ত সারাতে সাহায্য করে। অল্প পরিমাণে অলিভ ওয়েল নিয়ে মুখ মন্ডলে মালিশ করুন এবং ভালো ফল পেতে ঘুমুতে যাওয়ার আগে ব্যবহার করুন । ০৬. মধুঃ মধু একটি পরিচিত প্রাকৃতিক প্রসাধনী। প্রাচীন কাল থেকেই রূপচর্চার জন্য মধুর ব্যবহার প্রচলিত। মধুর মিষ্টতা খাবার হিসাবেও খুব ভালো। ফ্যাট কম থাকায় এটি আপনাকে ফিট থাকতে যেমন সাহায্য করে তেমনি নিয়মিত ব্যবহারে সারিয়ে তোলে ব্রণের গর্তের দাগ। ০৭. বরফ কুচিঃ বরফ কুচির ব্যবহারে ব্রণের গর্ত হালকা হওয়াটা অনেকটা পরীক্ষীত। অনেকেই আছে ঘরে বসে স্কার সারানোর জন্য বরফ কুচি ব্যবহার করে থাকেন। পাতলা কাপড় বা তুলোতে একটা বরফের টু্করো নিয়ে গর্তের জায়গায় ১৫-২০ মিনিট ঘষে লাগান। এতে ত্বকে আরামদায়ক অনুভুতির পাশাপাশি সারিয়ে দেবে গর্তের দাগ। ০৮. ফেস প্যাকঃ ব্রণের গর্ত সারাতে আপনার ফেস প্যাকে মেশান বেসন, টকদই ও শশার রস। এটি আপনার ত্বককে রাখবে দাগহীন, উজ্জ্বল ও প্রাণবন্ত। ব্রণ ও ব্রণের গর্ত সারাতে সবার আগে খেয়াল রাখতে হবে খাওয়া দাওয়া এবং জীবন যাত্রা যেন সুস্থ ও পরিকল্পিত হয়। সঠিক ঘুম, খাওয়া ও পরিষ্কার- পরিচ্ছন্নতাই পারে ব্রণ মুক্ত রাখতে। এতে ত্বকের অন্য্যন্য সমস্যা থেকেও পরিত্রাণ মেলে।
ব্রণের গর্ত দূর করার উপায়:::
০১. ভিটামিন ই তেলঃ
ব্রনের গর্তের দাগ সারানোর জন্য সবচেয়ে
সহজ ও কার্যকর সমাধান হচ্ছে ভিটামিন ই তেল। এটি
ব্রণের গর্তে যাদুর মত কাজ করে। প্রতিদিন অল্প
পরিমাণে ভিটামিন ই তেলের ব্যবহারে আপনার
মুখমন্ডল হয়ে উঠবে দাগহীন,উজ্জ্বল। এটি
ব্রণের কালো দাগ সারাতেও সাহায্য করে। ভিটামিন ই
তেল বাজারে কিনতে পাওয়া যায়। আর না পেলে
ভিটামিন ই ক্যাপসুল ব্যবহার করুন। প্রথমে সমস্ত মুখ
মন্ডল তেল মুক্ত ফেস ওয়াস দিয়ে পরিষ্কার করে
নিন । আরপর একটা পরিষ্কার পিন বা সূঁচ এর সাহায্যে
ক্যাপসুলটি ফুটো করে তেল নিঃসরন করুন। তারপর
পরিষ্কার হাত দিয়ে মুখে লাগিয়ে নিন। খুব বেশি
তৈলাক্ত ত্বক হলে লাগানোর আধ ঘণ্টা পর টিস্যু
পেপার দিয়ে অতিরিক্ত তেল চেপে চেপে
তুলে নিন। নয়ত সারা রাত লাগিয়ে রাখতে পারেন।
সমস্যা খুব বেশি না হলে সপ্তাহে ২-৩ বার এভাবে
করুন।
০২. লেবুঃ
লেবু সাইট্রিক এসিদের খুব ভাল উৎস। সাইট্রাস এসিড
স্কার সারাতে অনবদ্য। কয়েক গ্লাস লেবুর শরবত
পান করলে তার সাইট্রিক উপাদান আপনার দেহের
ভেতর থেকে মরা কোষ সারিয়ে ত্বকের রঙ
হালকা করতে সাহায্য করে। একটি মাঝারি আকারের
লেবুর রস সমপরিমাণ পানির সাথে মিশিয়ে মুখে
ঘষুনএতে গর্তের দাগ হালকা হবে। সময়ের সাথে
সাথে আপনি পাবেন দাগ মুক্ত ত্বক।
০৩. অ্যালোভেরা জেলঃ
অ্যালোভেরা জেল প্রকৃতির আশীর্বাদ স্বরূপ।
এই একটা উপাদান ত্বকের নানা রকম সমস্যা থেকে
মু্ক্তি দেয়। টাটকা অ্যালোভেরা জেল ব্যবহার
করুন । এখন বিভিন্ন সুপার শপ গুলোতে
অ্যালোভেরা পাওয়া যায়। সেখান থেকে কাঁচা
অ্যালোভেরা কিনে জেল বের করে নিতে
হবে। বাইরে থেকে কিনতে না চাইলে নিজের
টবেও লাগাতে পারেন অ্যালোভেরা। প্রথমেই
একটি আস্ত অ্যালোভেরা নিয়ে সেটিকে ছুঁরির
সাহায্যে যে কোন এক দিক থেকে কাটুন।
কাটলেই দেখবেন ভেতরে স্বচছ্ব জ়েলীর
মত উপাদান, এটি ব্যবহার করুন। দিনে যতবার ইচ্ছা
ব্যবহার করতে পারেন। এটি আপনাকে দেবে
বিরক্তিকর ব্রণের গর্তের দাগ থেকে মুক্তি।
০৪. টমেটোঃ
টমেটোতে আছে ভিটামিন এ; যা সেবামের
অতিরিক্ত ক্রীয়া বন্ধ করতে সক্রিয় ভূ্মিকা রাখে
এবং ব্রণ ও ব্রণের দাগ দুটোই সারিয়ে তোলে।
তাছাড়া এতে আছে প্রচুর পরিমাণে এন্টি-
অক্সিডেন্ট, যা ত্বকের ক্ষয়-ক্ষতি সারিয়ে
তুলতেও সাহায্য করে। মাঝারি আকারের টাটকা
টমেটো নিন। একে সমান ২ ভাগে ভাগ করুন। এবার
দুই গালে প্রথমে ঘড়ির কাঁটার দিকে এবং তারপর ঘড়ির
কাঁটার বিপরীত দিকে ম্যাসাজ করুন। এতে যেমন
গর্তের দাগ হালকা হবে, তদুপুরি রোদে পোড়া
ভাব-ও কমবে। তাছাড়া এটি অনেক ভালো মেক-
আপ রিমুভারের কাজ-ও করে থাকে ।
০৫. অলিভ ওয়েলঃ
অলিভ ওয়েল একটি জাদুকরী উপাদান। এটি শুধু
খাদ্যদ্রব্যই সুস্বাদু করে না, এটি ত্বক পরিচর্যায় ও
কার্যকরী ভূমিকা রাখে। এক্সট্রা ভারজিন অলিভ
ওয়েল দ্রুত ব্রনের গর্ত সারাতে সাহায্য করে।
অলিভ ওয়েলের ময়েশ্চারাইজিং গুণাগুণের কারণে
এটি দ্রুত ত্বকের সাথে মিশে যায় এবং গর্ত সারাতে
সাহায্য করে। অল্প পরিমাণে অলিভ ওয়েল নিয়ে
মুখ মন্ডলে মালিশ করুন এবং ভালো ফল পেতে
ঘুমুতে যাওয়ার আগে ব্যবহার করুন ।
০৬. মধুঃ
মধু একটি পরিচিত প্রাকৃতিক প্রসাধনী। প্রাচীন কাল
থেকেই রূপচর্চার জন্য মধুর ব্যবহার প্রচলিত। মধুর
মিষ্টতা খাবার হিসাবেও খুব ভালো। ফ্যাট কম থাকায় এটি
আপনাকে ফিট থাকতে যেমন সাহায্য করে তেমনি
নিয়মিত ব্যবহারে সারিয়ে তোলে ব্রণের
গর্তের দাগ।
০৭. বরফ কুচিঃ
বরফ কুচির ব্যবহারে ব্রণের গর্ত হালকা হওয়াটা
অনেকটা পরীক্ষীত। অনেকেই আছে ঘরে
বসে স্কার সারানোর জন্য বরফ কুচি ব্যবহার করে
থাকেন। পাতলা কাপড় বা তুলোতে একটা বরফের
টু্করো নিয়ে গর্তের জায়গায় ১৫-২০ মিনিট ঘষে
লাগান। এতে ত্বকে আরামদায়ক অনুভুতির পাশাপাশি
সারিয়ে দেবে গর্তের দাগ।
০৮. ফেস প্যাকঃ
ব্রণের গর্ত সারাতে আপনার ফেস প্যাকে মেশান
বেসন, টকদই ও শশার রস। এটি আপনার ত্বককে
রাখবে দাগহীন, উজ্জ্বল ও প্রাণবন্ত।
ব্রণ ও ব্রণের গর্ত সারাতে সবার আগে খেয়াল
রাখতে হবে খাওয়া দাওয়া এবং জীবন যাত্রা যেন
সুস্থ ও পরিকল্পিত হয়। সঠিক ঘুম, খাওয়া ও পরিষ্কার-
পরিচ্ছন্নতাই পারে ব্রণ মুক্ত রাখতে। এতে
ত্বকের অন্য্যন্য সমস্যা থেকেও পরিত্রাণ
মেলে।
Related Questions
Next steps
- Find a doctor for in-person or online consultation
- Browse medical tests patients often ask about
- Check medicine information (uses, dosage, brands in Bangladesh)
- More health Q&A on Bissoy