3 Answers
হার্ট ভাল রাখতেঃ
আমলকি : হার্টকে ভালো রাখার জন্য আমলকি সন্দেহাতীতভাবে সবচেয়েভালো ওষুধ হিসেবে কাজ করে। প্রায় সব ধরনের কার্ডিওভাসকুলার রোগ প্রতিরোধ করার এক অদ্ভূত ক্ষমতা রয়েছে আমলকির।
হলুদ : হার্টের অসুখে হলুদও কার্যকারী ভূমিকা রাখে। এতে এমন এক অ্যান্টিঅক্সিডেন্টরয়েছে যা প্রদাহজনিত আক্রমণের বিরুদ্ধে কাজ করে।
রসুন : রসুন কার্ডিওভাস্কুলার রোগ হওয়ার ঝুঁকি কমায় এবং প্রাকৃতিকভাবেই এটা হার্টের ওষুধ হিসেবে ব্যবহার করা হয়। এটা শুধু রক্ত চলাচলকেই স্বাভাবিক রাখে না; একইসাথে হার্টকেও সুস্থ রাখে।
আদা : আদা এমন একটি ওষুধি উদ্ভিদ যা রক্তনালীকে বিশ্রাম দেয় এবং রক্ত প্রবাহকে চালু রাখতে সাহায্য করে। হার্টের অসুখের বিরুদ্ধে অ্যান্টি ফ্ল্যামেটরি হিসেবেও যুদ্ধ করে আদা
বিলবেরি : এটি ব্ল্যাকবেরির মতোই একটি ফল। এটিও হার্টের জন্য অত্যন্ত উপকারি। নিয়মিত এ ফল খেলে হার্টের যে কোনো সমস্যার ঝুঁকি থেকে মুক্ত থাকা যায়। এমনকি এ ফলটি রক্ত চলাচলকেও সচল থাকে।
লাল মরিচ : লাল মরিচ হার্টের সঠিক ওষুধের কাজ করে। এটা হার্টের জন্য পুষ্টিকর খাবারও বটে। কারণ হার্টের জন্যএর প্রভাব কাঁচামরিচ থেকে ভালো।
সবুজ চা : বর্তমান সময়ে হার্টের জন্য সবচেয়ে বেশি ওষুধের কাজ করে সবুজ চা। এটা শুধু রক্তের শিরাকেই সচল রাখে না; শিরাকে রক্ষাও করে।
পুদিনা পাতা : এটি হার্টের জন্য অত্যন্ত কার্যকরী। পুদিনা রক্তের শিরায় অক্সিজেন চলাচলে সাহায্য করে। এছাড়া এটি খেলে হার্টেররোগে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা একদমই থাকে না।
বিষ্ময় সংগৃহীত
যেসব খাবার খেলে হার্ট সুস্হ থাকে তা নিচে দেওয়া হলো :- ** প্রতিদিন এক কাপ আখরোট : প্রতিদিন এক কাপ পরিমাণ আখরোট- জাতীয় ফল খেলে শরীরের রক্ত সঞ্চালনপ্রক্রিয়া কার্যকর হয়ে ওঠে। কেননা আখরোট-জাতীয় ফলে থাকে ওমেগা-৩ নামের চর্বি, যা বিভিন্ন ধরনের প্রদাহের বিরুদ্ধে শক্তিশালী অবস্থান নেয় এবং এর ফলে দূষিত রক্ত নিয়মিত পরিসঞ্চালিত হয়ে হার্টের গতি স্বাভাবিক রাখে। ** বেশি খান শিম, বরবটি : আলু কিংবা কলাই-জাতীয় খাবারের চেয়েও গুটিযুক্ত ফলধারী লতা, যেমন- শিম, বরবটি রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে। তাই প্রতিদিনের খাবারের তালিকায় এগুলো রাখতে পারেন ওষুধ বিবেচনায়ও। ** ডিম : যাঁরা বলছেন, বেশি বেশি ডিম খেলে কোলেস্টেরলের পরিমাণ বাড়ে তাঁদের জন্য দুঃসংবাদ। কেননা ব্রাজিলীয় গবেষকরা জানিয়েছেন, ডিমের কুসুমে থাকা ভিটামিন ই, বি-১২ এবং ফলেট করোনারি আর্টারিকে পরিষ্কার রাখে। তবে কেউ যদি দিনে চারটি করে ডিম খেতে থাকেন, তবে তাঁকে এসব গবেষণার কথা ভুলে যেতে হবে। ** মসলা হলে দারুচিনি : খাদ্য তালিকায় মসলা ব্যবহারে আপত্তি থাকলেও দারুচিনির ব্যবহার হৃৎপিণ্ডকে সতেজ করে তুলতে অনন্য ভূমিকা রাখে। প্রতিবেলা খাবারে দুই চা চামচ দারুচিনি রক্তে শর্করার পরিমাণ কমিয়ে আনে, এমনকি মাংস খাবার পরের মুহূর্তেও। ** সবজি খান রং দেখে : রঙিন সবজি বা তরিতরকারির প্রতি আগ্রহ বাড়ান। কেননা কমলা বা সবুজ রঙের প্রতিটি সবজি আপনার রক্তচাপকে অনিয়মিত প্রবাহের হাত থেকে সুরক্ষা দেবে, যা হৃদযন্ত্রের কার্যকারিতার জন্যও বেশ উপকারী। সংগৃহীত......
৫টি খাবারকে হৃদযন্ত্রের উপকারী হিসেবে গণ্য করেছেন।
শ্যামন মাছ : কার্ডিওভাসকুলার বা হৃদযন্ত্রের ঝুঁকি হ্রাস করে ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড। সামুদ্রিক শ্যামন মাছে ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিডে ভরপুর। প্রতি সপ্তাহে অন্তত ২ বার শ্যামন মাছ খাওয়া হৃদযন্ত্রের জন্য উপকারী। সহজেই রান্না করা যায় এই মাছ। এখন থেকেই খাবারের তালিকায় এই মাছের উপস্থিতি রাখেন।
ব্লুবেরি : হাই ফাইবার ও ভিটামিন ই-এ সমৃদ্ধ ব্লুবেরি হৃদয়জনিত অসুখের ঝুঁকি দ্রুত কমায়। ব্রেকফাস্টের পর বা দুপুরে খেয়ে উঠে খেতে পারেন এই ফল। অন্য ফলের সঙ্গে মিশিয়ে কাঁচা কাঁচা খেতে পারেন হৃদযন্ত্রের উপকারি এ ফল।
আখরোট : হৃদযন্ত্র বা হার্ট ভালো রাখতে দারুণ উপকার করে আখরোট। মোনো স্যাটুরেটেড ফ্যাট থাকে বলে, আখরোটে শরীরের ক্ষতিকারক লো ডেন্সিটি লিপোপ্রোটিন কোলেস্টোরল কমিয়ে হাই ডেন্সিটি লিপোপ্রোটিন কোলেস্টোরলকে বাড়ায় যা হার্টের কার্যক্ষমতা বাড়ায়। আখরোটেও ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড থাকে যা হৃদযন্ত্রের কর্মকা-কে সক্রিয় রাখে।
যব শস্য বা ওটমিল : হার্টের লো ডেন্সিটি লিপোপ্রোটিনকে কমায় ওটমিল বা যব শস্য। শুধু তাই নয়, ওটমিল হল নিউট্টিয়েন্টস ও এনার্জিতে ভরপুর পুষ্টিকর একটি খাদ্য। মানবদেহের কোলেস্টোরল লেভেল নিয়ন্ত্রণে রাখে ওটমিল বা যব শস্য। তাই প্রতিদিন আধকাপ ওটমিল খেলে হার্টের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে।
ডার্ক বা কালো চকোলেট : ফ্ল্যাভানল থাকে বলে ডার্ক বা কালো চকোলেট শরীরের রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখে। হার্টে রক্ত জমাট বাঁধতে দেয় না। ডার্ক বা কালো চকোলেটে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে বলে মানবদেহের খারাপ কোলেস্টেরল কমায়তে সহায়তা করে। কালো চকোলেট ৭০ শতাংশ চকোলেট ও সামান্য চিনি দিয়ে তৈরি। তাই হার্টজনিত অসুখ রোধ করে ডার্ক চকোলেট।
সূত্র: এএফপি ও ডেইলি স্টার ও নিউজ ওয়াল্ডবিডি
Related Questions
Next steps
- Find a doctor for in-person or online consultation
- Browse medical tests patients often ask about
- Check medicine information (uses, dosage, brands in Bangladesh)
- More health Q&A on Bissoy