5 Answers

মানুষের সামনে কথা বলতে সাহসী হন কথা বলার কৌশল রপ্ত করুণ, কথা বলার সঙ্গে অঙ্গ ভঙ্গিও সুন্দর করে প্রকাশ করার চেষ্টা করুণ। উত্তেজনা পরিহার করুণ। সব সময় নরমাল ভাবে কথা বলুন। মনকে বড় করুণ :- অনেকে আছে তারা কোন অনুষ্ঠানে গেলে বা বেড়াতে গেলে অন্যের সঙ্গে নিজের পোশাক পরিচ্ছদ মিলাতে শুরু করে। যখন দেখে তার পোশাক অনেক কমদামী গহনা সু আর সবার তুলনায় নিম্নমানের। সে নিজে নিজে মন থেকে নিজেকে ছোট করে ফেলে আসলে এসব কিছুই না। এজন্য মনকে বড় করতে হবে। আপনার কমদামী পোশাকটি মানান সই কিনা, পরিস্কার পরিচ্ছন্ন কিনা, গহনার বেলায় সৃজনশীল কিনা, পাতের জুতা মানিয়েছে কিনা। এই হচ্ছে আসল কথা। যদি তাই হয় তবে ভাবনা নেই দেখতে আর দশ জনের চেয়ে আপনাকেও কম সুন্দর মনে হবে না। গোমরা করে বসে না থেকে নিজের যোগ্যতা প্রকাশ করুণ। দেখবেন সবাই আপনার দিকে তাকিয়ে রয়েছে সব কিছু সচেতনতার সহিত নির্বাচন করুণ। দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তন করে অনুষ্ঠানের ধরণ ঋতু বুঝে পোশাক আনুসঙ্গীক নির্বাচন করুণ। যেন আপনার ফিগারের সঙ্গে মানায় সেদিকে লক্ষ করুণ। সেকরিফাইজ মন, কার উপকারের মানসিকতা ভিতর থেকে তৈরি করুণ এজন্য নিজের মনকে বড় করতে হবে হীন প্রবণতা পরিহার করতে হবে। লজ্জা ভয় ত্যাগ করে সাহসি হয়ে উঠতে হবে। হাস্য রস চর্চা করুণ:- নিজের সকল ভয়, ভীতি, সংকীর্ণ, মন থেকে চির তরে পরিহার করতে হাস্যরস চর্চা করতে হবে। এজন্য অনুশীলন করতে হবে। জোকস বই পড়তে হবে। কমিডিয়ান নাটক সিনেমা দেখতে হবে। বন্ধুরা মিলে একটি টিম তৈরি করে এই হাস্যরসের অনুশীলন করতে পারেন। ভাষা শুদ্ধ করতে মুখের কিছু ব্যায়াম আছে তা চর্চা করতে হবে। আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে টেপ রেকর্ডারে রেকর্ড করে পরবর্তীতে তা শুনে অবাঞ্চিত ভুল গুলো আঞ্চলিকতার টান গুলো ধরতে পারবেন। এবং শব্দ ঠিকমতো উচ্চারণ করতে বারবার অনুশীলন করে তা ঠিক মত শিখে নিন। সাহসিকতা:- নিজেকে স্মার্ট ও আকর্ষণীয় করে উপস্থাপন করতে হলে আগে মনের সকল সংকীর্ণতা পরিহার করে, ভয়, লজ্জা দূরে ঠেলে মন থেকে সাহসি হয়ে উঠুন। আমি পারবনা, আমার দ্বারা সম্ভব না, আমার দ্বারা হবে না, এমনহীন মনোবৃত্তি পরিহার করে মনের মধদ্যে একটি কথাই জাগরিত কুরুন যে, আমি পারবো আমার দ্বারাও সব সম্ভব। আমি বলছি না সামান্য করণেই মেরে দুচার জনের মাথা ফাটিয়ে দিতে হবে। সাহসিকতা দেখাতে উপর থেকে লাফ দিতে হবে। জোড়ে গাড়ি চালাতে হবে, আসলে এমন কিছু নয়। আসল কথা হচ্ছে নিজেকে যুগোপযোগী ভাবে তৈরি করে উপস্থাপন করা। বিপদগ্রস্থ মানুষের উদ্ধার করার জন্য, অন্যায়ের বিরুদ্ধে, লোকের সামলে ও মঞ্চের মাইকে কথা বলার সাহসিকতা অর্জন করতে হবে। অনেকে আছে মেয়েদের সামনে অথবা পুলিশের সামনে কথা বলতে হাত পা কাপা কাপি শুরু করে দেয়। এসব ক্ষেত্রে সাহসি হতে হবে। মনের অস্থিরতা উদ্বিগ্নতা চাঞ্চলতা পরিহার করে ধীরস্থির ভাবে কথাগুলো বলে যান যেখানে গেলে আনিজিফিল হয় বার বার সেখানেই যান। চর্চা করুণ দেখবেন সাহসি হয়ে উঠেছেন।

3438 views

ডাক্তারি ভাষায় এটাকে social phobia বলা হয়। যার অর্থ (সামাজিক ভীতি) এটি একটি সমপুর্ণ নিরাময় যোগ্য সমস্যা। আপনি একজন মনোরোগবিদ ডাক্তারে সাথে পরামর্শ করে, ফুল কোর্স ঔষধ খেলে সমপুর্ণ ভাবে সমস্যাটি সমাধান হয়ে যাবে।

3438 views

বেশিরভাগ সময় একা একা না থেকে বন্ধু বান্ধব দের সাথে উঠাবসা করুন,হাতে সময় থাকলে বন্ধুবান্ধব দের সাথে গিয়ে কোথাও বেরিয়ে আসুন।সব বিষয় নিয়ে ঘনিষ্ঠ জনদের সাথে খোলা মন নিয়ে আলোচনা করুন, সবসময় positively চিন্তা করুন,আত্মবিশ্বাসী হোন। ইনশাআল্লাহ সব ঠিক হয়ে যাবে।

3438 views

লজ্জার হাত থেকে নিষ্কৃতি পাওয়ার জন্যে নিন্মোক্ত ৫টি পদ্ধতি অনুসরণ করতে পারেন। ১. শনাক্তকরণের মাধ্যমে লজ্জাকে প্রকাশ্যে নিয়ে আসুন। কোন মানুষ, স্থান, বিষয় বা কার্যক্রমকে আপনি এড়িয়ে চলেন, তা শনাক্ত করুন। এদের এড়িয়ে চলার পেছনে সুপ্ত লজ্জার কারণগুলো খুজে বের করুন। ২. লজ্জার প্রকৃতি হচ্ছে লুকানো বা পালিয়ে বেড়ানো- তাই একে মোকাবিলা করতে হবে উল্টোভাবে। অর্থাৎ যখন আপনি লজ্জায় চোখ নামিয়ে ফেলতে যাচ্ছেন, তখন সরাসরি চোখের দিকে তাকান এবং মনে মনে ভাবুন আমার এতে লজ্জা পাবার কিছু নেই। ৩. ইচ্ছাকৃতভাবে যারা আপনাকে লজ্জাজনিত পরিস্থিতিতে ফেলতে চায় বলে আপনি মনে করছেন তাদের এড়িয়ে চলুন। তাদের সাথে সম্পর্কের ধরন পাল্টে ফেলুন। ৪. কোয়ান্টাম মেথড অনুসারে লজ্জা বিদূরণের জন্যে আপনি চমৎকার পন্থা অনুসরণ করতে পারেন। শিথিলায়নের সহজ প্রক্রিয়ায় আলফা স্টেশনে পৌছে আপনার জীবনের সবচেয়ে লজ্জাজনক ঘটনাগুলো এক এক করে হুবহু স্মরণ করুন। লজ্জাজনক ঘটনার পুরো দৃশ্য প্রতিটি খুঁটিনাটিসহ নিজের সামনে নিয়ে আসুন। ঘটনার সাথে জড়িত প্রতিটি রঙ, গন্ধ, স্বাদ ও তাপমাত্রাকে হুবহু অনুভব করার চেষ্টা করুন। পুরো দৃশ্যকে যতদূর সম্ভব হুবহু পুনরাবৃত্তি করুন। শুধু লজ্জাজনক পরিণতির অংশটুকু বাদ দিন। যে ঘটনা থেকে লজ্জার উদ্ভব হয়েছিলো তার পুনরাবৃত্তি করার পর একটি নতুন ইতিবাচক দৃশ্য সংযোজন করে দৃশ্যের পরিসমাপ্তি ঘটান। আপনি দেখবেন লজ্জা দূরীভূত হয়ে গেছে। বিশিষ্ট মনোবিজ্ঞানী ডা. গারশেন কাউফম্যান নিরিবিলি বসে ভাবনার মাধ্যমে লজ্জাকর পরিস্থিতি থেকে রেহাই পাওয়ার চমৎকার অভিজ্ঞতার কথা উল্লেখ করেছেন। তিনি ছাত্রাবস্থায় একবার ক্লাসে বক্তৃতা করতে গিয়ে স্টেজে পড়ে যান। এতে ছাত্রদের মধ্যে হাসির রোল ওঠে। তিনি লজ্জা অনুভব করেন এবং এরপর থেকে তাঁর মনে বক্তৃতাভীতি বাসা বাঁধে। পড়াশুনা শেষ করার পর তিনি এই লজ্জাকে দূর করার জন্যে বেশ কিছুদিন নিরিবিলি বসে পূর্বের দৃশ্যের পুনরাবৃত্তি করে তা শেষ করতেন ইতিবাচক দৃশ্যের অবতারণা করে। এভাবে তিনি লজ্জাজনক স্মৃতিকে সাফল্যের স্মৃতিতে রূপান্তরিত করেন। বক্তৃতা- যা ছিলো এক সময়ে ডা. কাউফম্যানের জন্যে দুঃস্বপ্ন এক আনন্দের বিষয়ে রূপান্তরিত হয় ৫. লজ্জার সবচেয়ে বড় প্রতিষেধক হচ্ছে আত্মসম্মানবোধ ও আত্মবিশ্বাস। নিজেকে সম্মান করতে শুরু করুন। নিজেকে অনন্য সৃষ্টি হিসেবে ভাবুন। কোন মানুষই দোষক্রুটি মুক্ত নয়। আপনার মাঝেও ত্রুটি থাকতে পারে। সে ত্রুটিকে সহজে মেনে নিন। আর যে গুণগুলো রয়েছে তাকে বিকশিত করুন। আপনার বিকশিত গুণকেই মানুষ তখন সম্মান করবে। আপনারও আত্মসম্মানবোধ বেড়ে যাবে।

3438 views

১. কোনো কথা মুখে আনা মানে বলে ফেলা না, কথাটিকে বলে ফেলুন : ধরুন আপনি একটি আলোচনা সভায় বসে আছেন। সেখানে এমন একটি বিষয় নিয়ে আলোচনা হচ্ছে যা আপনার অনেক পছন্দের একটি বিষয় এবং এটি সম্পর্কে আপনি যথেষ্ট জানেন। কিন্তু খেয়াল করে দেখুন আপনি চাইছেন আলোচনায় অংশগ্রহণ করতে, দুই তিনটি লাইন বলতে, আপনি ভাবছেন বলবেন কিন্তু আপনি ঠিক বলে উঠতে পারছেন না, আপনার বুক কাঁপছে, ভাবছেন বলবেন কি বলবেন না এবং শেষ পর্যন্ত দেখা গেল আপনি বলতে পারলেনই না। আপনি নিজেকে প্রকাশ করতে লজ্জা পেলেন বলেই আপনি বলতে পারলেন না। এই অপারগতার কারণে আপনার সম্পর্কে কেউ জানলেনও না যে আপনি বিষয়টি অনেক ভালো জানেন। এমন ধরনের লজ্জা কাটিয়ে উঠতে আপনি এর জন্য বাসাতেই কথা বলার অভ্যাস গড়ে তুলতে পারেন। বেশি বেশি কথা বলার অভ্যাস করুন। প্রয়োজনে বন্ধুদের আসরে বেশি কথা বলুন। বন্ধুদের মাঝে ভুল বললেও তো তেমন কোনো সমস্যা নয়। নিজের প্রতি কনফিডেন্স বাড়িয়ে তুলুন। নিজেকে যোগ্য করে তুলুন। লজ্জার খোলস থেকে নিজেকে মুক্ত করে আনুন। ২. কখনই না বলবেন না : আপনি নিজের লজ্জাটিকে যদি সত্যিই কাটিয়ে উঠতে চান তাহলে যে কোনো জায়গায় আপনার যা বলতে ইচ্ছা করে তাই বলবেন, না বলবেন না। মনে রাখবেন ‘না’ শব্দটি আপনার জীবনের বড় একটি শত্রু হয়ে দাঁড়াতে পারে। এ কারণে চাইলে আপনার জীবন থেকে না শব্দটিকে বাদ দিয়ে দিন। কখনই না বলবেন না। আপনি বলতে পারেন এবং নিজেকে প্রকাশ করতে পারবেন এটাই সত্যি কথা। এর বিপরীতে কোনো কথাই হতে পারে না। ৩. চোখ হল ভালো কথোপকথনের জানালা স্বরুপ : চোখ দিয়েই পৃথিবীর সমস্ত ভাষা বোঝা যায় এবং বলা যায়। তবে আপনার এই লজ্জা ছাড়াতে চোখ একটি বিশেষ ভূমিকা রাখতে পারে। আপনাকে এর জন্য চোখের খেলা খেলতে হবে। আপনি সবকিছুই দেখঝেন ঠিকই সাথে সাথে দৃষ্টি বিনিময়ও করবেন। মনে রাখবেন আপনার সমস্ত লজ্জা থাকে চোখের মাঝে। তাই লজ্জা নিবারণে চোখের খেলা খেলুন। আপনি চাইলে চোখ দিয়েই বুঝিয়ে দিতে পারেন যে আপনি কোনোভাবেই লজ্জা পাচ্ছেন না। আপনি কথা বলতে পারেন। ৪. একমাত্র আপনিই পারেন একটা মজাদার আলোচনার বিষয় বের করতে :নিজেকে গুটিয়ে না রেখে সব সময় ভাবুন যে আপনি কি কি পারেন আর সবাই কি কি পারে না। নিজেকে প্রকাশ করার শক্তি ধারণ করুন। ভাবুন যে একমাত্র আপনিই আছেন যে কি না মজাদার সব বিষয় নিয়ে একটি আলোচনার সভা জমিয়ে রাখতে পারেন। নিজেকে বিশ্বাস করুন যে আপনি পারবেন। লজ্জা ঠিক আপনার সাথে পেরে উঠবে না। আপনি লজ্জাকে জয় করতে পারবেন। ৫. প্রতিবন্ধকতা দূর করুন : আপনার যত ধরনের ব্যক্তিগত প্রতিবন্ধকতা রয়েছে আপনার উচিৎ সবগুলোকে দূর করে ফেলা। আপনি নিজেকে যাচাই করে দেখুন আপনার কি ধরনের সমস্যা রয়েছে। এই সমস্যাগুলোকে চিহ্নিত করে সেগুলোকে দূর করার চেষ্টা করুন। যদি মনে করেন যে গুটি কয়েক সমস্যার কারণে আপনি লজ্জাগুলোকে ঠিক ভেঙ্গে বের হতে পারছেন না, তাহলে সেই সমস্যাগুলোকে কাটিয়ে ওঠার চেষ্টা করুন। দেখবেন আপনি পারবেন লজ্জা কাটিয়ে সবার সামনে নিজেকে প্রকাশ করতে।

3438 views

Related Questions