3 Answers
চুড়ি পরা বাধ্যতামূলক নয়। রাসূল [সা:] এর সময় চুড়ির প্রচলন ছিল কিন্তু তিনি এব্যাপারে কোন অাদেশ নিষেধ করেননি । চুড়ি না পরলে স্বামীর অায়ু কমে যাবে এটা কুসংস্কার ।
আমাদের সমাজে অনেক বিবাহিতা মহিলাকেই শুনতে হয় যে হাতে চুড়ি না পরলে বা নাকে নাকফুল না পরলে স্বামীর আয়ু কমে যায় বা স্বামীর অমঙ্গল হয়। ঠিক যে বিশ্বাস নিয়ে বিধর্মী মহিলারা শাঁখা-সিঁদুর পরে, আজও অনেক মুসলমান মা বোন সেই একই ধরনের কুসংস্কারে বিশ্বাসী হয়ে চুড়ি-নাকফুল পরেন। কিন্তু ফিক্বাহ শাস্ত্রের নির্ভরযোগ্য কিতাবাদি অধ্যয়নে একথাই প্রমাণিত হয় যে, মেয়েরা কান ও নাক ছিদ্র করে গহনা পরতে পারবে। কেননা কানে গহনা পরার রীতি নবী করীম (সা.) জীবিত থাকা অবস্থায়ও ছিল, তথাপি তিনি এটি নিষেধ করেননি। প্রশ্নে উল্লিখিত ধারণাটি ভ্রান্ত, কুসংস্কার ও আল্লাহ তায়ালার কালামে পাকের বিপরীত। কারণ আল্লাহ তায়ালা সমস্ত মানুষের হায়াত নির্দিষ্ট করে রেখেছেন। সে সময়ের পূর্বে বা পরে কারো মৃত্যু হবে না। তাই ঐ সমস্ত ভ্রান্ত ধারণা পরিত্যাগ করা অপরিহার্য।
আসলে এগুলো ভ্রান্ত কথা, যার উত্তর একজন নিচে দিয়েছে । সাধারণত বাঙালি ও বিবাহিত মুসলিমরা বিয়ের পরে চুরি ও নাকফুল বা আসল স্বর্নালংকার পরিধান করে থাকে । আর বিবাহের আগে বা অবিবাহিত মেয়েরা স্বর্নের ডাল(ডাল আকৃতির স্বর্ণ) বা কাঠি জাতীয় বস্তু নাকে লাগিয়ে রাখে । যেমনটা হিন্দুরা বিবাহের পর সিঁদুর পড়িয়া থাকে । যখন কোন মানুষ কোন মহিলাকে নাকে নাকফুল ও হাতে হাতে চুরি ব্যাবহার করতে দেখে তখন মানুষ বুঝতে পারে যে এই মহিলাটি বিবাহিত, এ থেকে অনেক মানুষের কু দৃষ্টি থেকে বাঁচা যায় । তবে মহিলারা নিজের বিবাহের কথা গোপন করতে চাই বা প্রকাশ করতে পছন্দ করেনা । কারন বিবাহের কথা প্রকাশ করলে কেউ তাকে দেখবেনা তাই তারা নাক ফুল ও চুড়ি খুলে ফেলে দিতে চাই বা হাতে রাখতে চাইনা । এতে পরপুরুষদের কুদৃষ্টি বেড়ে যায় তাই হাতে চুড়ি ও নাকে নাকফুল পড়া জরুরী বলা হয়ে থাকে ।