3 Answers
১।জোরে পড়ুন : জোরালো কণ্ঠে পড়ুন। জোরে পড়লে মাথায় তথ্য দ্রুত ঢুকে যায়। যেমন একটি গান যখন শোনেন, তখন তা দ্রুত মনে পড়ে। যা পড়ছেন তা কানে প্রবেশ করলে দ্রুত মুখস্থ হবে। ২. লক্ষ্য স্থির করুন : পড়তে বসলে নিজের লক্ষ্য স্থির করুন। বইয়ের কত পাতা পর্যন্ত কত সময়ের মধ্যে শেষ করবেন তা ঠিক করে নিন। নয়তো মনোযোগ হারাবেন এবং সময়ের অপচয় হবে। ৩. নিজেই যখন শিক্ষক : নিজেই নিজের শিক্ষক হয়ে উঠুন। কি পড়লেন, কি মুখস্থ করলেন ইত্যাদি বুঝতে নিজেই শিক্ষকতা পালন করুন। নিজেই পরীক্ষা দিন এবং তা যাচাই করুন। ৪. নোট করুন : যাই শিখবেন তাই লিখে ফেলুন। এগুলো নোট করুন। লেখা হলে তা দ্রুত মাথায় ঢুকে যাবে এবং সহজে ভুলবেন না। ৫. ইন্টারনেটের ব্যবহার : আধুনিক যুগে পড়াশোনার বড় সুবিধা দেয় ইন্টারনেট। বিভিন্ন টপিক সম্পর্কে ধারণা নিন। যে বিষয়ে পড়ছেন তার সংশ্লিষ্ট অনেক কিছুই হয়তো বইয়ে নেই। এগুলো ইন্টারনেটে দেখে নিন। এতে ধারণা পরিষ্কার হবে। ৬. বিরতি দিন : একটানা অনেকক্ষণ পড়লে অস্থিরতা চলে আসবে। এর জন্যে নিয়মিত অল্প সময়ের জন্যে বিরতি নিন। ৭. চিউইং গাম : এটি চিবোতে পারেন। গবেষণায় দেখা গেছে, চিউইং গাম চিবোতে চিবোতে পড়লে তা মাথায় দ্রুত প্রবেশ করে। এ সময় মস্তিষ্কের কার্যক্রম দ্রুত হয় এবং গামের ফ্লেভার বেশ উপকারী হয়ে ওঠে। ৮. হাঁটুন : বেশ কিছুক্ষণ পড়ার পর ১৫-২০ মিনিট হেঁটে আসুন। এতে দেহের রক্ত চলাচল বৃদ্ধি পাবে এবং মস্তিষ্ক বিশ্রাম পাবে।
প্রথমে যে বিষয়টা পড়ছেন সেটার লাইন টু লাইন পড়ে জিনিসটা বুঝোন.... তারপর মনে মনে না পড়ে মুখ পুটিয়ে পড়ুন, তিন চার বার পড়ার পর সেটা খাতায় লিখুন যতটুকু পারেন তা না দেখে টরে অংশটুকু ও লিখুন দেখে... কারন পাচঁ বার পড়া আর একবার লিখা সমান কথা... এভাবে চেষ্টা করুন তাহলেই দ্রুত কোন কিছু মুখস্হ করতে পারবেন পড়ার পাশাপশি লিখুন তবে হাতের লিখার ও উন্নতি হবে...
এগুলি ফলো করুন--- ✬ হাত পা ধুয়ে, চোখে মুখে পানি দিয়ে কিংবা হাল্কা ব্যায়াম করে আপনি একনিষ্ঠতার প্রথম ধাপটি ঢুকে পড়ূন। ✬ চেয়ারে বসে প্রথমে নিজেকে বলুন, এখন আমি চলমান জীবন থেকে অন্য ভুবনে চলে গেছি। এখানে আমার স্বজন বই, খাতা, কলম। যতক্ষণ রুটিন অনুযায়ী পড়বেন স্থির করেছেন পূর্বেই। ততক্ষণ আপনি মাঝে মধ্যে নিজের সঙ্গে কথা বলে নিজের আত্মবিশ্বাস মনোযোগ ঝালাই করে নিন। ✬ নিজের উপর বিশ্বাস রাখুন । সহজ কথায়, "আমি পারব, আমাকে পারতেই হবে" । ✬ এখনই কাজ শুরু করুন, এখনই । ✬ ঘুমের সময় নির্ধারণ করতে হবে । এবং তা করতে হবে আপনার "বায়োলজিক্যাল ক্লক" অনুযায়ী । নিয়মিত ও যথেস্ট । ✬ সকাল হচ্ছে উত্তম সময় পড়ালেখা মনে রাখার । আরও অধিক উত্তম সময় হচ্ছে, সূর্যোদয়ের এক ঘন্টা পূর্বে । ✬ প্রথমে শব্দ করে পড়তে হবে । এরপর ইচ্ছে হ'লে শব্দহীন ভাবে পড়তে পারেন । ✬ প্রথমে সম্পূর্ণ বিষয়টি একবার/দু'বার মনযোগ সহকারে পড়ে তারপর দু'তিন লাইন করে মুখস্ত করুন । ✬ একটানা অনেকক্ষণ পড়তে হ'লে মাঝখানে বিরতি দেয়া উত্তম । এক কিংবা দু'ঘন্টা পর পর অন্ততঃ পাঁচ মিনিট বিরতি দিতে হবে । এ সময় একটা গান শুনতে পারেন কিংবা সটান শুয়ে পড়তে পারেন ।