4 Answers
হাত-পা ঘামার কারণ হাত-পা ঘামার প্রাথমিক কারণ হিসেবে তেমন কিছু পাওয়া যায়নি। তবে অতিরিক্ত স্নায়বিক উত্তেজনার কারণে ঘাম হয়ে থাকে। এ ছাড়া আরও নানা কারণে হাত-পা ঘেমে থাকে। যেমন পারকিনসন্স ডিজিজ, থাইরয়েডে সমস্যা, ডায়বেটিস, জ্বর, শরীরে গ্লুকোজের স্বল্পতা, মেনোপোজের পর প্রভৃতি। অনেক সময় শরীরে ভিটামিনের অভাব থাকলে হাত-পা অতিরিক্ত ঘামতে পারে। আবার মানসিক চাপ, দুশ্চিন্তা ও জেনেটিক কারণে হাত- পা ঘামে। চিকিৎসা সঠিক কারণ বের না করে চিকিৎসা করা উচিত নয়। আগে অনুসন্ধান বা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে কারণ খুঁজতে হবে। তারপর সঠিক চিকিৎসা নিলে এ সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। সাধারণত বিভিন্নভাবে হাত-পা ঘামা কমানো যেতে পারে। অ্যালুমিনিয়াম ক্লোরাইডযুক্ত একধরনের বিশেষ লোশন হাত- পায়ে ব্যবহার করলে হাত-পা ঘামা কমে যায়। বিশেষ ধরনের বৈদ্যুতিক যন্ত্রে হাত-পা সেকে নিলে হাত-পা ঘামা কমে যাবে। পরবর্তী সময়ে এটি দেখা দিলে আবার একইভাবে সেই বৈদ্যুতিক যন্ত্রে হাত-পা সেকে নিতে হবে। এসব পদ্ধতি ছাড়াও একটি বিশেষ ধরনের নার্ভের অস্ত্রোপচার করেও হাত- পা ঘামা কমানো যায়। তবে হাত-পায়ের ঘাম রোধে যা-ই করা হোক না কেন, এর আগে অবশ্যই বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিতে হবে।
পা ঘামা থেকে মুক্তির নিয়ম-- ১। পা সবসময় পরিষ্কার রাখতে হবে। ২। বাইরে থেকে এসেই পা ধুয়ে ফেলতে হবে। এক্ষেত্রে শ্যাম্পু ব্যবহার করা যায়। পা ধোয়ার পর শুকনো তোয়ালে দিয়ে পা মুছে ফেলা উটিত। ৩। মোজা প্রতিদিন ধুয়ে ফেলতে হবে। ধোয়ার পর ভালো মতো শুকিয়ে তারপর ব্যবহার করা উচিত। ৪। নিয়মিত জুতা পরিষ্কার করেত হবে। ৫। চাইলে জুতায় মাঝে মধ্যে পাউডার দিয়ে রাখা ভাল ৬। মাঝে মধ্যে জুতা রোদে দিয়ে ভালোভাবে শুকিয়ে নেয়া উত্তম। ৭। সম্ভব হলে কয়েক জোড়া জুতা এবং মোজা ব্যবহার উচিত। ৮। সুতি মোজা ব্যবহার করা উত্তম। এ মোজা ঘাম শুষে নেয়। ৯। বাজারে ঘাম শুষে নেয় এমন জুতাও পাওয়া যায়। সম্ভব হলে এমন জুতা ব্যবহার করা উচিত। হাত ঘামা---- কারও সঙ্গে হাত মেলাতে গেলে, টাইপ করার সময় বা বিভিন্ন কাজে অনেকেরই হাত ঘামার সমস্যা আছে। বার বার হাতের তালু ঘেমে ভিজে পিচ্ছিল হয়ে কাজ করতেও সমস্যা হয়। স্বাস্থ্যবিষয়ক একটি ওয়েবসাইটে ঘরোয়া পদ্ধতিতে হাতের তালুর ঘাম নিয়ন্ত্রণের উপায় সম্পর্কে জানানো হয়। বেকিং সোডা ও বেবি পাউডার হাতের তালুতে ঘাম হওয়া কমাতে বেকিং সোডা ও বেবি পাউডার বেশ কার্যকর। এক্ষেত্রে কুসুম গরম পানিতে বেকিং সোডা মিশিয়ে ১০ মিনিট হাত ভিজিয়ে রাখতে হবে। বেকিং সোডার ক্ষারীয় উপাদান তালুর ঘাম নিয়ন্ত্রণ করে হাত শুষ্ক রাখতে সাহায্য করে। পাশাপাশি বেবি পাউডার দুর্গন্ধ দূর করতে কাজ করে। টমেটোররস টমেটোর রস ত্বকের জন্য বেশ উপকারী। এটি ঘাম নিয়ন্ত্রণ করে আর ত্বক পরিষ্কার রাখতে সাহায্য করে। প্রতিদিন একবার টমেটোর রস পান করুন। এক সপ্তাহ পর খেয়াল করবেন তালুতে ঘাম হওয়া কমে গেছে। সাধারণত খনিজ বা ভিটামিনের ঘাটতি থাকলে ঘাম বেশি হয়। আর টমেটোতে আছে পটাশিয়াম ও ম্যাগনিসিয়ামের মতো খনিজ উপাদান। তাই নিয়মিত টমেটোর রস পান করলে হাতের তালু থাকবে সতেজ ও শুষ্ক। জিঙ্ক জিঙ্ক গুরুত্বপূর্ণ খনিজ পদার্থ যা স্বাস্থ্য ভালো রাখতে সাহায্য করে। তাছাড়া ঘাম এবং দুর্গন্ধ রোধ করতে জিঙ্ক বেশ কার্যকার। এক্ষেত্রে সহায়ক খাবার হিসেবে ডাক্তারের পরামর্শে দিনে ৩০ থেকে ৫০ মিলিগ্রাম জিঙ্ক ট্যাবলেট খেতে পারেন। অথবা প্রতিদিন সকালে জিঙ্ক অক্সাইড পাউডার হাতের তালু ঘষলেও উপকার পাওয়া যাবে। পাশাপাশি কপার সমৃদ্ধ খাবার খেতে ভুললে চলবে না কারণ জিঙ্ক শরীরে কপারের পরিমাণ কমিয়ে দেয়। রোজমেরি রোজমেরি একটি ভেষজ উপাদান। যা স্নায়ুতন্ত্রের উপর কার্যকরভাবে প্রভাব ফেলে। আর স্নায়ুতন্ত্র নিয়ন্ত্রণে থাকলে ঘামের পরিমাণও কম হয়। তাছাড়া রোজমেরি হালকা সেডাটিভ হিসেবেও পরিচিত। সাধারণত উত্তেজিত হলেই ঘাম বেশি হয়। তাই ঘামের সমস্যা কমাতে শান্ত থাকার চেষ্টা করতে হবে। সাধারনত অ্যারোমাথেরাপির তেল, মোমবাতি, শ্যাম্পু ইত্যাদি পণ্যে রোজমেরি ব্যবহার করা হয়। রোজমেরি ইসেনশল অয়েল সঙ্গে রাখতে পারেন, হাত ঘামা শুরু হলেই এই তেলের গন্ধ নিন, কাজে দেবে।
হাত- পা ঘামা হাত পা ঘামা নিয়ে বিভিন্ন পরিস্থিতিতে অনেককেই পড়তে হয় অসস্থিকর অবস্থায়। কিন্তু অতিরিক্ত ঘাম কোনো জটিল সমস্যা নয়। এটা খুবই সাধারণ একটি সমস্যা। অতিরিক্ত ঘাম সাধারণত হাতের তালু, পায়ের পাতা ও বগলে হয়ে থাকে। কারও কারও শীতকালে,আবার কারও অতিরিক্ত দুশ্চিন্তার সময় হাত-পা ঘামে। এছাড়াও আরও বিব্রতকর পরিস্থিতিতে পড়তে হয় যখন পা ঘেমে যাওয়ার কারণে সৃষ্টি হয় দুর্গন্ধ। i* হাত পা ঘামার কোনও নির্দিষ্ট কারন নেই। তবে সাধারণত অতিরিক্ত স্নায়বিক উত্তেজনার কারণে ঘামের সৃষ্টি হয়ে থাকে। * শরীরে গ্লুকোজের স্বল্পতা থাকলে হাত পা ঘামে। * ভিটামিনের অভাব থাকলে হাত-পা ঘামতে পারে। * বিভিন্ন ধরনের রোগ যেমন, পারকিনসন্স, থাইরয়েডে সমস্যা, ডায়বেটিস থাকলে রোগীরা অনেক ঘামে। * অনেকের জেনেটিক কারণেও হাত-পা ঘামতে পারে। প্রতিরোধঃ * সাধারনভাবে লবন খাওয়া কমাতে হবে। * বাইরে থেকে এসে পায়ে শ্যাম্পু লাগিয়ে কিছুক্ষণ রেখে পরিষ্কার করে শুকনো তোয়ালে দিয়ে পা মুছে ফেলতে হবে। * পা ঘামার ক্ষেত্রে জুতায় পাউডার লাগিয়ে নিতে হবে। এবং সুতির মোজা ব্যবহার করতে হবে। * অ্যালুমিনিয়াম ক্লোরাইডযুক্ত একধরনের বিশেষ লোশন হাত-পায়ে ব্যবহারের মাধ্যমে হাত-পা ঘামা কমে যায়। তবে এক্ষেত্রে ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে। * বিশেষ ধরনের রোগের ক্ষেত্রে নার্ভের অস্ত্রোপচার করেও হাত-পা ঘামা কমানো যায়।
হাত-পা ঘামার প্রাথমিক কারণ হিসেবে তেমন কিছু পাওয়া যায়নি। তবে অতিরিক্ত স্নায়বিক উত্তেজনার কারণে ঘাম হয়ে থাকে। এ ছাড়া আরও নানা কারণে হাত-পা ঘেমে থাকে। যেমন পারকিনসন্স ডিজিজ, থাইরয়েডে সমস্যা, ডায়বেটিস, জ্বর, শরীরে গ্লুকোজের স্বল্পতা, মেনোপোজের পর প্রভৃতি। অনেক সময় শরীরে ভিটামিনের অভাব থাকলে হাত-পা অতিরিক্ত ঘামতে পারে। আবার মানসিক চাপ, দুশ্চিন্তা ও জেনেটিক কারণে হাত-পা ঘামে।সঠিক কারণ বের না করে চিকিৎসা করা উচিত নয়।সাধারণত বিভিন্নভাবে হাত-পা ঘামা কমানো যেতে পারে। অ্যালুমিনিয়াম ক্লোরাইডযুক্ত একধরনের বিশেষ লোশন হাত-পায়ে ব্যবহার করলে হাত-পা ঘামা কমে যায়। বিশেষ ধরনের বৈদ্যুতিক যন্ত্রে হাত-পা সেকে নিলে হাত-পা ঘামা কমে যাবে। পরবর্তী সময়ে এটি দেখা দিলে আবার একইভাবে সেই বৈদ্যুতিক যন্ত্রে হাত-পা সেকে নিতে হবে। এসব পদ্ধতি ছাড়াও একটি বিশেষ ধরনের নার্ভের অস্ত্রোপচার করেও হাত-পা ঘামা কমানো যায়।এই অপারেশন নিউরো সার্জনরা করিয়ে থাকেন। তবে হাত-পায়ের ঘাম রোধে যা-ই করা হোক না কেন, তা করার আগে অবশ্যই বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিতে হবে।