শিশুদের ভালো পড়াশুনা এবং মেধাবী করার ব্যাপারে বাচ্চাদের উপর কি কি খেয়াল রাখতে হবে ভালো কৌশল ও পরামর্শ চাই?
3 Answers
প্রথমত তাকে পুষ্টিকর খাবার দিতে হবে।কারন মানুষের মস্তিস্কের বিকাশ শতকরা ৯০ ভাগ হয় এ সময়ে।তাই এই সময়ে বাচ্চার পুষ্টির দিকে নজর রাখবেন।তার পরে তাকে বারিতে নিয়মিত পড়তে বসাবেন।আপনি অথবা আপনার স্ত্রী তাকে পড়তে পারেন এতে করে স্কুলে ভর্তি হলে পড়ালেখা করতে সুবিধা হবে। আর বাচ্চাকে কখনো সবসময় বারিতে রাখবেন না।তাকে কোথাও বেরাতে নিয়ে যাবেন।কারন প্রকৃতিতে ঁনেক কিছুই শেখার এবং জানার রয়েছে।এবং এতে করে তার সৃজনশীলতাও বৃদ্ধি পাবে। আর হ্যা আর একটা বিষয় খুব ভালোভাবে লক্ষ করবেন যাতে বাচ্চা কখনো খারাপ ছেলেমেয়ের সাথে ঘোরাফেরা না করে এবং নিয়মিত পড়তে বসে।পড়ার। সময় করা নজর দিবেন।বচ্চার উপর কাজের চাপ দিবেন ন।
ছাত্র জীবনে সফলতা অর্জনের কৌশল (স্টুডেন্ট গাইডলাইন )… আপনার ভবিষ্যৎ প্রজন্ম ও ছোট ভাই-বোন দের ভালো পরামর্শ বা দিকনির্দেশনা দিতে পারবেন… শিক্ষার্থী মেধাবী হোক আর দুর্বল হোক পড়াশুনা নিয়ে তার কিছু সমস্যা থাকেই। কিছু সমস্যা আছে যা সে নিজেই সমাধান করতে পারে আর কিছু সমস্যা সে নিজে সমাধান করতে পারেনা। সমস্যা সমাধানের জন্য শিক্ষক কিংবা ভাল কোচিং সেন্টারের সহায়তা নিতে হয়। সমস্যা যাই হোকনা কেন কিছু সমস্যা সৃষ্টি হয় অসচেতনতা প্রসূত, আবার কিছু সমস্যা মানসিকও বটে। সমস্যাগুলো পারিবারিক কিংবা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগতও হতে পারে। “মেধাবী ছাত্র মানে ভাল ছাত্র নয়।” ভাল ছাত্র হতে হলে কিছু সুনিয়ন্ত্রিত ও সুনির্দিষ্ট কৌশল অবলম্বন করতে হয়। যদি আমরা প্রতিভাবানদের জীবনি লক্ষ করি তাহলে দেখতে পাব তারা ছাত্র জীবনে নানা রকম সমস্যায় ভুগেছিলেন। যেমন: “ টমাস আলভা এডিসন ছেলেবেলায় এতই বোকা ছিলেন যে, মাস্টার মশাই তার মাকে লিখেছেন, ‘আপনার টমি এত বোকা যে তার পক্ষে লেখাপড়া শেখা সম্ভব নয়। তাকে স্কুল থেকে ছাড়িয়ে নিন।’ ‘ বিজ্ঞানী আইনস্টনকে ছোট বেলায় বলা হতো গবেট। স্মৃতিশক্তির দুর্বলতার কারণে তার লেখাপড়া শুরু করতে করতেই নয় বছর পেরিয়ে যায়। স্মৃতিশক্তি দুর্বলতার কারণে তিনি দুশ্চিন্তাগ্রস্ত হয়ে পড়েন। এরপর তার আপ্রাণ চেষ্টায় দুবছরে তার স্মুতিশক্তির অসাধারণ উন্নতি হয়। বাকি কথা তো সবারই জানা।” ছাত্র-ছাত্রীরা কি কি ধরনের সমস্যার মুখোমুখি হয় এবং এগুলোর সমাধান কি? এই সকল সমস্যার সমাধান নিয়ে নিবন্ধটি লেখা হয়েছে: ✩ ভাষায় দক্ষতা অর্জন পরীক্ষায় ভাল রেজাল্ট করতে হলে বাংলা ও ইংরেজিতে দক্ষ হতে হবে। এই দক্ষতা অর্জনের জন্য গ্রামারের প্রতি লক্ষ রাখতে হবে। বেশির ভাগ গবেষণা হতে দেখা যায় ছাত্র- ছাত্রীরা গ্রামারে যেমন দুর্বল হয় তেমনি তারা এ বিষয়ে জ্ঞান অর্জন করতে ভয় পায়। একে মানসিক দুর্বলতা বলা যায়। এ সমস্যা থেকে উত্তরণের জন্য একজন ভাল শিক্ষকের পরামর্শ নিতে হবে এবং নিয়মিত চর্চা চালিয়ে যেতে হবে। নির্ভুল বানান, সুন্দর ও ঝকঝকে খাতা উচ্চনম্বরের নিশ্চয়তা দেয়। ✩ লেখাপড়ায় লেগে থাকা জীবনে যা করনা কেন, তার পিছনে লেগে থাকতে হবে।তোমার পড়াশুনার বিভিন্ন সমস্যাগুলো চিহ্নিত করো এবং অন্যরা কিভাবে তার সমাধান করেছে তা থেকে ধারণা নিতে পার। পড়াশুনাকে ভালবাস দেখবে সফলতা আসবেই ইনশাআল্লাহ। ✩ বুঝে পড়া ও লিখা “১০০ বার অমনোযোগী হয়ে পড়ার চেয়ে ১ বার বুঝে পড়া উত্তম আর ৩০ বার বুঝে পড়ার চেয়ে ১ বার লিখা উত্তম।” যা পড়না কেন তা আবার লিখবে।মনে রাখবে অতিমূল্যবান ব্রেনের চেয়ে ৫ টাকার কলম অনেক বেশি মূল্যবান। ✩ শিক্ষকের উপদেশ মেনে চলা তোমরা সবর্দা শিক্ষকের উপদেশ মেনে চলবে শিক্ষক তোমার গুরুজন এবং অভিজ্ঞব্যক্তি তিনি জানেন কিভাবে লেখাপড়া করলে সফলতা অনিবার্য। ✩ দলগত ভাবে লেখা পড়া করা লেখাপড়া সহজ ভাবে মনে রাখা এবং দীর্ঘস্থায়ী করার একটি পরীক্ষিত পদ্ধতি হল গ্রুপ স্টাডি বা দলগতভাবে লেখা পড়া করা। একে ডিসকাস থেরাপিও বলা হয়। লেখাপড়ায় সফলতা অর্জনের জন্য এ পদ্ধতি খুবই কার্যকর। তোমার সহপাঠীদের সাথে দলবদ্ধ হয়ে যে কোন কঠিন বিষয় সহজেই আয়ত্ত করতে পার।
শিক্ষার্থী মেধাবী হোক আর দুর্বল হোক পড়াশুনা নিয়ে তার কিছু সমস্যা থাকেই। কিছু সমস্যা আছে যা সে নিজেই সমাধান করতে পারে আর কিছু সমস্যা সে নিজে সমাধান করতে পারেনা। সমস্যা সমাধানের জন্য শিক্ষক ভাই-বোন বাবা মায়ের সাহায্য সহায়তা নিতে হয় ছাত্র জীবনে সফলতা অর্জনের কৌশল হচ্ছে ভালো দিকনির্দেশনা মেধাবী ছাত্র মানে ভাল ছাত্র তা বলা ঠিক নয় ভাল ছাত্র হতে হলে কিছু সুনিয়ন্ত্রিত ও সুনির্দিষ্ট কৌশল অবলম্বন করতে হয়। বারবার পড়ার চেয়ে একবার বুঝে নিয়ে পড়া উওম এতে পড়া মনে রাখা যায়, শিক্ষক হচ্ছে মানুষ করার কারিগর তাই শিক্ষকের পরামর্শ সবার আগে গ্রহণ করতে হবে বাচ্চাদের উপরে যেসব খেয়াল রাখতে হবে : নিয়মিত ক্লাস করে কিনা তা দেখা স্কুলে আজ কি পড়ানো হয়েছে তা দেখা প্রতিদিন এর পড়া প্রতিদিন শেষ করে কিনা বাড়ির কাজ করে কিনা, কোনো বিষয় বুঝতে না পারলে তা বুঝিয়ে দেওয়া আর নিয়মিত খাওয়া আর পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতার দিকে খেয়াল রাখা।