2 Answers
রক্তদানের উপকারিতাঃ- ১. রক্তদান স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী। কারণ রক্তদান করার সঙ্গে সঙ্গে আপনার শরীরের মধ্যে অবস্থিত ‘বোন ম্যারো’ নতুন কণিকা তৈরির জন্য উদ্দীপ্ত হয়। রক্তদানের ২ সপ্তাহের মধ্যে নতুন রক্তকণিকা জন্ম হয়ে এই ঘাটতি পূরণ করে। আর বছরে ৩ বার রক্তদানকারীর শরীরে লোহিত কণিকাগুলোর প্রাণবন্ততা বাড়িয়ে দেয়। ২. রক্তদানের মাধ্যমে নিজেকে সুস্থ রাখার স্পৃহা জন্মে। ৩. নিয়মিত স্বেচ্ছায় রক্তদানের মাধ্যমে বিনা খরচে জানা যায় নিজের শরীরে বড় কোনো রোগ আছে কিনা। যেমন : হেপাটাইটিস-বি, হেপাটাইটিস-সি, সিফিলিস, এইচআইভি (এইডস) ইত্যাদি। ৪.সম্প্রতি ইংল্যান্ডের এক গবেষণায় দেখা গেছে, নিয়মিত স্বেচ্ছায় রক্তদানকারী জটিল বা দুরারোগ্য রোগ-ব্যাধি থেকে প্রায়ই মুক্ত থাকেন। ৫. নিয়মিত রক্তদানকারীর হৃদরোগ ও হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি অনেক কম । ৬. মুমূর্ষু মানুষকে রক্তদান করে আপনি পাচ্ছেন মানসিক তৃপ্তি। কারণ, এত বড় দান যা আর কোনোভাবেই সম্ভব নয়। ৭. রক্তদান ধর্মীয় দিক থেকে অত্যন্ত পুণ্যের বা সওয়াবের কাজ। পবিত্র কোরআনের সূরা মায়েদার ৩২ নং আয়াতে আছে, ‘একজন মানুষের জীবন বাঁচানো সমগ্র মানব জাতির জীবন বাঁচানোর মতো মহান কাজ।’ রক্তদানের যোগ্যতাঃ- ১. ১৮-৬০ বছর বয়সী সব সুস্থ মানুষ রক্তদান করতে পারেন। ২. ৪৫ কেজির বেশি ওজনের সব মানুষই রক্তদান করতে পারেন। ৩. যিনি গত ৩ মাসের মধ্যে রক্তদান করেননি তিনি রক্তদান করতে পারেন। যখন রক্তদান করা যায়ঃ- ১. রক্তদান ২৪ ঘণ্টার মধ্যে যে কোনো সময় করা যায়। ২. ভরাপেটে খাওয়ার ৩০ থেকে ৬০ মিনিট পরে রক্ত দেয়া ভালো। ৩. খালি পেটে না দিয়ে হালকা খাবার খেয়ে রক্ত দেয়া ভালো। তথ্য সূত্রঃ- ইমারজেন্সি ব্লাড
কোরআনের সূরা মায়েদার ৩২ নং আয়াতে আছে, ‘একজন মানুষের জীবন বাঁচানো সমগ্র মানব জাতির জীবন বাঁচানোর মতো মহান কাজ।’ রক্তদানের যোগ্যতাঃ- ১. ১৮-৬০ বছর বয়সী সব সুস্থ মানুষ রক্তদান করতে পারেন। ২. ৪৫ কেজির বেশি ওজনের সব মানুষই রক্তদান করতে পারেন। ৩. যিনি গত ৩ মাসের মধ্যে রক্তদান করেননি তিনি রক্তদান করতে পারেন। যখন রক্তদান করা যায়ঃ- ১. রক্তদান ২৪ ঘণ্টার মধ্যে যে কোনো সময় করা যায়। ২. ভরাপেটে খাওয়ার ৩০ থেকে ৬০ মিনিট পরে রক্ত দেয়া ভালো। ৩. খালি পেটে না দিয়ে হালকা খাবার খেয়ে রক্ত দেয়া ভালো। রক্ত দান সম্পর্কিত কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য: --> আপনি ইচ্ছে করলে ১৮ বছর বয়সের পর থেকেই রক্ত দান করতে পারেন। --> রক্ত দান করা সম্পূর্ন নিরাপদ। --> রক্ত দানের কোন সাইড এফেক্ট নাই। --> আপনার শরীর থেকে প্রায় ৩৮০-৪০০ মি.লি রক্ত নেওয়া যায়। -৩ মাস পর পর আপনি রক্ত দান করতে পারেন। -->রক্তদানে সর্বোচ্ 15 মিনিট সময় লাগে। বিশ্রাম এবং অন্যান্য সময় ধরলে সর্বমোট ১ ঘন্টা লাগতে পারে। --> । রক্ত দানের সময় আপনি ব্যাথা পাবেন না। -->রক্ত-দান করার পর অবশ্যই বিশ্রাম নিবেন। --> প্রথমে আপনার বাম হাত থেকে আধা সিরিজ রক্ত নেওয়া হয়, ক্রস মেসিং ও অন্যান্য পরীক্ষা করার জন্য। তারপর আপনার ডান হাতের বাহুতে একটি সিরিন্জ দিয়ে রক্তটানার ব্যাবস্থা করা হয়। নিডিলটি ঢোকানোর সময় সামান্য ব্যাথা লাগে। তারপর আর ব্যাথা লাগবে না। আপনার রক্ত একটি নলের মাধ্যমে স্যালাইনের মত একটি ব্যাগে সহজেই জমা হয়ে যায়। --> রক্ত দান করতে চাইলে আপনার ওজন 47 কেজির বেশী হতে হবে। --> হাতের যেখান থেকে রক্ত নেয়া হয়েছে সেখানে ম্যসেজ করবেন না। ফুলে যাওয়া , জমাট বাধা বা ইনফেক্সনের সম্ভবনা নেই বললেই চলে। --> । রক্ত দেবার ২৪ ঘন্টা পূর্বে এলকোহল পান করলে রক্ত দান করা যাবে না। পান করার ২৪ ঘন্টা পর রক্ত দিতে পারেন। --> এন্টিবায়োটিক খাবার অন্তত ৭ দিন পর, সম্পূর্ন সুস্থ হলে তারপর রক্ত দান করা যাবে। --> যদি আপনার রক্তচাপ নিয়ন্ত্রনে থাকে আপনি রক্ত দান করতে পারেন। --> যখন শিশু শুধুমাত্র বুকের দুধ পান করে তখন রক্ত দান করা যাবে না। --> শিশুর জন্মের ১৫ মাস পর মা রক্তদান করতে পারেন। --> ঠান্ডা বা সর্দি লাগা অবস্থায় যেহেতু একটি জীবানু সংক্রামন থাকে সেহেতু রক্ত দান করা যাবে না।