সারা বছর হাত পা ঘামার কারণ কি এবং এর সঠিক সমাধান চাই, অতিরিক্ত হাত পা ঘামার কারণে নানা কাজে সমস্যাই পড়তে হই, ও কোনো কিছু লিখলে গেলে তা ভিজে যায়।
16884 views

4 Answers

হলিফ্যামিলি হাসপাতালের চর্মরোগ বিশেষজ্ঞ সহযোগী অধ্যাপক আফজালুল করিম বলেন, হাত-পা কেন ঘামে তার সুনির্দিষ্ট কারণ এখনো বের করা যায়নি। তবে বংশগতভাবে এ রোগ থাকা, শরীরের ভেতরের ভারসাম্যহীনতা, মানসিক চাপ, দুশ্চিন্তা প্রভৃতি কারনে হাত-পা ঘামতে পারে। প্রতিরোধ>> - সব সময় পা পরিষ্কার রাখতে হবে। - বাইরে থেকে এসে পায়ে শ্যাম্পু লাগিয়ে কিছুক্ষণ রেখে পরিষ্কার করে শুকনো তোয়ালে দিয়ে পা মুছে ফেলতে হবে। - প্রতিদিন ব্যবহার করা মোজা ধুয়ে ভালোভাবে শুকিয়ে ব্যবহার করতে হবে। - জুতা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে। - জুতার মধ্যে মাঝেমধ্যে পাউডার দিতে পারেন। - মাঝেমধ্যে জুতা রোদে দিয়ে ভালোভাবে শুকিয়ে নেবেন। - সুতি মোজা ব্যবহার করাই ভালো কারণ এতে পা কম ঘামে ও ঘাম শোষণ করে। - যাঁদের পা বেশি মাত্রায় ঘামে, তাঁরা বেশি ঘাম শোষণ করতে পারে এমন জুতা কিনতে পারেন।

16884 views

হাত-পা কেন ঘামে তার সুনির্দিষ্ট কারণ এখনো বের করা যায়নি। তবে বংশগতভাবে এ রোগ থাকা, শরীরের ভেতরের ভারসাম্যহীনতা, মানসিক চাপ, দুশ্চিন্তা প্রভৃতি কারনে হাত-পা ঘামতে পারে। হাত-পা ঘামা কমানো যেতে পারে। অ্যালুমিনিয়াম ক্লোরাইডযুক্ত এক ধরনের বিশেষ লোশন হাত-পায়ে ব্যবহার কারলে হাত-পা ঘামা কমে যায়। তবে হাত-পায়ের ঘাম রোধে যা-ই করা হোক না কেন, তা করার আগে অবশ্যই বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিতে হবে।

16884 views

অনেকের হাত-পা ঘামার প্রবণতা আছে। কোনো কোনো মানুষের হাত-পা ঘামা এমন পর্যায়ে পৌঁছায় যে টাইপ করা, লেখালেখি করা, কম্পিউটার চালানো অথবা চটি জুতা পরে হাঁটা মুশকিল হয়ে ওঠে। এ সমস্যার ডাক্তারি নাম হাইপারহাইড্রোসিস (Hyperhidrosis)। এটা কিছুটা নির্ভর করে বংশগতির ওপর। কিছুটা পরিবেশের ওপর। অনেকটাই শারীরিক পরিশ্রমের ওপর এবং মানসিক অবস্থা অর্থাৎ উৎকণ্ঠা, টেনশন আছে তার ওপর। তবে সুনির্দিষ্ট কারণ বের হয়নি। ইদানীং বেশির ভাগ সায়কিয়াট্রিস্ট রোগীর সঙ্গে প্রথম পরিচয়ে করমর্দন করেন। এর পেছনে উদ্দেশ্য হলো দেখা যে,রোগীর হাত শুকনো না ঘামে ভেজা! কেননা বেশির ভাগ ক্ষেত্রে অস্বাভাবিক বেশি ঘামের পেছনে লুকিয়ে থাকে মনের নানা অসুবিধা। ভয় বা প্যানিক ডিসঅর্ডার, রাগ, উত্তেজনা, উদ্বেগজনিত অ্যাংজাইটি ডিসঅর্ডার, এক্সামিনেশন ফোবিয়া ইত্যাদি অতিরিক্ত ঘামের কারণ। এর প্রতিকার হিসেবে ১.অ্যাবসলিউট অ্যালকোহল অ্যালুমিনিয়াম ক্লোরাইড দ্রবীভূত করে বারে বারে লাগানো যেতে পারে যেমন - ড্রাইসল তবে ভাম এন্ড কোং থেকে এই ঔষধ বানিয়ে নেয়া যেতে পারে এতে খরচ কিছুটা কম পরবে। ২. কিছু খাবার ঔষধ আছে যাতে হাত-পায়ের ঘাম কমানো যায় তবে আমি তা উল্লেখ্য করলাম না, কারন তার কিছু পার্শ্ব-প্রতিক্রিয়া আছে। এছাড়া রোগীর বিস্তারিত না জেনে তা বলা অনুচিত। ৩. এছাড়া আয়ানটোফোরোসিস মেশিনের সাহায্যে থেরাপি অর্থাৎ কলের জলর আয়ন ইলেকট্রোলিসিসের সাহায্যে বিশ্লেষিত করা হয়। এই জলতে হাত-পা ডুবিয়ে রেখে থেরাপি দেয়া যেতে পারে। সহজ ভাষায় বিশেষ ধরনের এক বৈদ্যুতিক যন্ত্রে হাত-পা সেঁকে নিলে হাত-পা ঘামা কমে যাবে। পরবর্তী সময়ে এটি দেখা দিলে আবার একইভাবে সেই বৈদ্যুতিক যন্ত্রে হাত-পা সেঁকে নিতে হবে। ৪. বোটুনিয়াম টক্সিন বা বোটক্স ইঞ্জেকশন দিয়েও হাত-পায়ের ঘাম কমানো যায়। তবে তিন- চার মাস পরপর ইঞ্জেকশন নিতে হয়। স্থায়ী মুক্তি সম্ভব নয়। বেশ খরচসাপেক্ষ পদ্ধতি।

16884 views

হাত-পা ঘামার প্রাথমিক কারণ হিসেবে তেমন কিছু পাওয়া যায়নি। তবে অতিরিক্ত স্নায়বিক উত্তেজনার কারণে ঘাম হয়ে থাকে। এ ছাড়া আরও নানা কারণে হাত-পা ঘেমে থাকে। যেমন পারকিনসন্স ডিজিজ, থাইরয়েডে সমস্যা, ডায়বেটিস, জ্বর, শরীরে গ্লুকোজের স্বল্পতা, মেনোপোজের পর প্রভৃতি। অনেক সময় শরীরে ভিটামিনের অভাব থাকলে হাত-পা অতিরিক্ত ঘামতে পারে। আবার মানসিক চাপ, দুশ্চিন্তা ও জেনেটিক কারণে হাত-পা ঘামে।সঠিক কারণ বের না করে চিকিৎসা করা উচিত নয়।সাধারণত বিভিন্নভাবে হাত-পা ঘামা কমানো যেতে পারে। অ্যালুমিনিয়াম ক্লোরাইডযুক্ত একধরনের বিশেষ লোশন হাত-পায়ে ব্যবহার করলে হাত-পা ঘামা কমে যায়। বিশেষ ধরনের বৈদ্যুতিক যন্ত্রে হাত-পা সেকে নিলে হাত-পা ঘামা কমে যাবে। পরবর্তী সময়ে এটি দেখা দিলে আবার একইভাবে সেই বৈদ্যুতিক যন্ত্রে হাত-পা সেকে নিতে হবে। এসব পদ্ধতি ছাড়াও একটি বিশেষ ধরনের নার্ভের অস্ত্রোপচার করেও হাত-পা ঘামা কমানো যায়।এই অপারেশন নিউরো সার্জনরা করিয়ে থাকেন। তবে হাত-পায়ের ঘাম রোধে যা-ই করা হোক না কেন, তা করার আগে অবশ্যই বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিতে হবে।

16884 views

Related Questions

কিং রোট দিয়ে?
1 Answers 2631 Views