খেলতে খেলতে শিখি শেখাইঃ আজকের বিষয় "এন্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেম"। কতটা জানেন?
খেলতে খেলতে শিখি শেখাই বিস্ময় ডট কমের নতুন সংযোজন। এ বিভাগে আমরা প্রতিদিন একটি নতুন বিষয় ঠিক করে দেব। এবং বিস্ময় ডট কমের সকল সদস্য সে বিষয়ে নিজে যা জানেন তা উত্তর দেবেন। এতে করেঃ
১। কোন একটি নির্ধারিত বিষয়ে সকল সদস্যের জ্ঞ্যান একত্রিত হবে।
২। সেই বিষয়ের একটি তথ্য ভান্ডার তৈরী হবে।
৩। একে অন্যের সাথে জ্ঞ্যান ভাগ করার সুযোগ তৈরী হবে।
৪। নিজে যা জানি অন্যদের জানাতে পারবো এবং অন্যরা যা জানেন তাও জানতে পারবো।
লক্ষ্যনীয়ঃ
১। সেরা উত্তরকারী ৩০ পয়েন্ট বোনাস পাবেন।
২। এ বিভাগে কোনভাবেই কপিপেস্ট গ্রহনযোগ্য নয়।
৩। একজন ব্যাবহারকারী যতগুলো উত্তর ই দিন, একটি প্রশ্নে একটি উত্তরের ই বোনাস পয়েন্ট পাবেন।
আজকের বিষয় এন্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেম। এ বিষয়ে কি জানেন আপনি ? কতটা জানেন ? জানান অন্যদের, নিজের কিছু জানার থাকলে প্রশ্ন করুন।
10 Answers
"এন্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেম" মোবাইলের জন্য একটি জনপ্রিয় সিষ্টেম| এই এন্ড্রয়েড দ্বারা অনেক কাজ করা যায় যা পূর্বে কম্পিউটার ছাড়া করা যেত না|
এন্ড্রয়েড সেট দিয়ে ইন্টারনেট হতে শুরু করে যে কোন জিনিসের কাজ করা যায়, বতর্মান বিশ্বে এন্ড্রয়েড এর চাহিদা পচুর.. এন্ড্রয়েড সেট ছোট বড় সব বয়সের লোক চালাতে পারে..
আসলে আমাদের মোবাইল ব্যবহার কারীদের জন্য এন্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেম মোবাইলের জন্য একটি জনপ্রিয় ও বেস্ট সিষ্টেম!!এটা বলার অবশিষ্ট রাখে না, এটা বলতে গেলে পুরাই এক ইতিহাস লেখতে হবে!!বর্তমানে এই এন্ড্রয়েড দ্বারা আমাদের অনেক অনেক কাজ খুবই সিম্পলে করা যায়, যা আমাদের জন্য খুব উত্তম এক পদ্ধতি, এবং বর্তমানে কম্পিউটার এর কাজ মবাইল দিয়েও করা যায়!!
এনড্রয়েড ইনকর্পোরেট প্রতিষ্ঠা হয়েছিল পালো আল্টো, ক্যালিফোর্নিয়ায় ২০০৩ সালের অক্টোবরে। এটার প্রতিষ্ঠাতা এন্ডি রুবিন প্রতিষ্ঠান থেকে এটা বলা হত যে তারা শুধু মোবাইলের একটি সফটওয়্যারের কাজ করছে। কোম্পানির প্রাথমিক উদ্দেশ্য ছিল একটি উন্নত মানের অপারেটিং সিস্টেম তৈরী করা ডিজিটাল ক্যামেরার জন্য। যদিও পরে তারা বুঝতে পারেন যন্ত্রটির বাজার তত বড় নয় তাই কোম্পানিটি সমস্ত মনোযোগ দেয় স্মার্টফোন অপারেটিং সিস্টেম তৈরীর উপর। উদ্দেশ্য হিসেবে থাকে এটি সিমবিয়ান এবং মাইক্রোসফটের উইন্ডোজ মোবাইল মোবাইল অপারেটিং সিস্টেমগুলোর সাথে পাল্লা দেবে। গুগল এনড্রয়েড ইনকর্পোরেটেড প্রতিষ্ঠানকে ১৭ আগষ্ট ২০০৫ সালে কিনে নেয়; প্রতিষ্ঠানটির প্রধান কর্মচারীগণকে তারা বহাল রাখে (এন্ডি রুবিন, রিচ মাইনার এবং ক্রিস হোয়াইট)। আর বর্তমান এ্যন্ড্রয়েড এর জনপ্রিয়তা অনেক বেশি। আমাদের দেশে এ্যন্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেমের মোবাইলের ব্যবহার অনেক বেশি। যা অন্যান্য অপারেটিং সিস্টেম থেকে এগিয়ে আসে।এই এ্যন্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেম বিশ্বে খুব কম সময়েই জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে।
“এন্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেম” বর্তমানে জনপ্রিয়তার শীর্ষে আরোহন করেছে। এন্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেমকে আমরা একপ্রকার কম্পিউটারই বলতে পারি। কেননা, বর্তমানে কম্পিউটার দ্বারা যেসব কাজ করা যায়, তার অধিকাংশ কাজই এন্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেম দ্বারা সম্ভব হচ্ছে। কম্পিউটারের সায্যে যেসব কাজ যেমনঃ বিভিন্ন ব্রাউজারের সাহায্যে ইন্টারনেট ব্যবহার, গেইম খেলা, বই পড়া, টিভি দেখা ইত্যাদি ছাড়াও আরও অনেক গুরুত্বপুর্ন কাজ। এন্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেম বর্তমানে অন্যান্য অপারেটিং সিস্টেমের চেয়ে অধিক জনপ্রিয়। কারন, এন্ড্রয়েডের রয়েছে ব্যবহার বান্ধব ইন্টারফেস অর্থাৎ আপনি যদি একটি জাভা এপস তৈরি করেন তাহলে সেটি যে ডিভাইসের জন্য তৈরি করা হয়েছে সেটা্তেই সাপোর্ট করবে। যেমনঃ আপনি যদি Nokia C3 এর জন্য একটি অ্যাপস তৈরি করেন তবে তা Nokia 5130 এর মধ্যে ঠিকমত সাপোর্ট করবে না। যদিও বা সাপোর্ট করে এপস এর সাইজগুলো ঠিক থাকবে না। দেখা যাবে ডানেরটা বামে আর বামেরটা ডানে এসে গেছে অথবা একটি না একটি সমস্যা থাকবেই। আর যদি আপনি এন্ড্রয়েড ডিভিইস তৈরি করেন তবে তা প্রায় সব ডিভাইসেই সাপোর্ট করবে কোনো ঝামেলা ছাড়াই।বর্তমানে যেসব মোবাইল কোম্পানিগুলো এন্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহার করে সেসব কোম্পানি হলো- Samsung, Symphony, Micromax
Acer, Alcatel, Dell, Gigabyte, HTC, Huawei, LG,
Motorola, Nexus, T-Mobile, Toshiba, Vodaphone,
ZTE এছাড়াও আমাদের দেশের WALTON কোম্পানী ও আরও
অনেকে এই জনপ্রিয় অপারেটিং সিস্টেমটি ব্যবহার করে।
...........এন্ড্রয়েডের মালিক হলো- গুগল। এন্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেম সম্পর্কে লিখতে হলে অনেক কিছুই লিখা যায় তবে আমি আজ আর বেশিকিছু লিখব না। ধন্যবাদ সকলকে আমার ক্ষুদ্র এই লেখাটা পড়ার জন্য।
অ্যান্ড্রয়েড বর্তমানে এমন একটি অপারেটিং সিষ্টেম যেটা ছাড়া স্মারটফোন কল্পনা করা যায় না । অ্যান্ড্রয়েড এতটাই জনপ্রিয় একটি অপারেটিং সিষ্টেম যা অন্য অপারেটিং সিষ্টেমগুলোর নাগালের বাইরে । নীচের ছবিটি আযন্ড্রয়েডের জনপ্রিয়তার দৃষ্টান্ত প্রমান

অ্যান্ড্রয়েড সকল কাজকে সহজ করে দিয়েছে যা কিছুদিন আগে কম্পিউটার ছাড়া কল্পনাও করা যেত না । সেই শুরু থেকে সকল অপারেটিং সিষ্টেমকে পিছে ফেলে এগিয়ে আছে অ্যান্ড্রয়েড । বিগত বছরগুলোতে ৮০ % এর ও বেশি মার্কেট শেয়ার অ্যান্ড্রয়েড এর দখলে । যা এটার জনপ্রিয়তার একটা উদাহরন ।
Period | Android | iOS | Windows Phone | BlackBerry OS | Others |
2015Q2 | 82.8% | 13.9% | 2.6% | 0.3% | 0.4% |
2014Q2 | 84.8% | 11.6% | 2.5% | 0.5% | 0.7% |
2013Q2 | 79.8% | 12.9% | 3.4% | 2.8% | 1.2% |
2012Q2 | 69.3% | 16.6% | 3.1% | 4.9% | 6.1% |
এন্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেম হল মোবাইল ফোনের একটি লেটেস্ট সিস্টেম। এই সিস্টেমের জন্য আমারা মোবাইলের মাধ্যমে ছোট কাট কম্পিউটারের কাজও করতে পারি। এই অপারেটিং সিস্টেমের কারনে আমরা ওয়ার্ড, এক্সেল, পিডিএফ ইত্যাদি ফাইলের কিছু কিছু কাজ মোবাইলে করতে পারি। এবং নিজের ইচ্ছামত বিভিন্ন ফাংশন চালু ও বন্ধ করতে পারি (যেমন বিভিন্ন এপ্সস)।
২০০৩ সালে Adroid, Inc. এর সূচিত এই অপারেটিং সিস্টেমটি ২০০৫ সালে Google কিনে নেয়।
পরবর্তিতে Google ও Open Handset Alliance এর সম্মিলিতভাবে ডেভেলপ করা এই অপারেটিং সিস্টেম ইনিশিয়ালি রিলিজ হয় ২০০৮ সালে।
এর আগের বছরেই অ্যান্ড্রয়েডের অমায়িক লোগোটি ডিজাইন করেন ইরিনা ব্লক।
অত্যন্ত জনপ্রিয়তার সাথে ৭ বছর যাবত এই OS ব্যাবহৃত হচ্ছে স্মার্টফোন, ট্যাবলেট, কম্পিউটার, টিভি, গাড়ি ইত্যাদি ডিভাইসে।
C, C++ ও Java দিয়ে লিখিত এই OS বর্তমানে ৭০ টি ভাষায় উপলব্ধ আছে।
এটি মূলত মোডিফাইড লিনাক্স (মনোথেলিক) বেসড্ অপারেটিং সিস্টেম।
এর প্যাকেজ এক্সটেনশন হলো APK, বর্তমানে প্রায় ২ মিলিয়ন অ্যাপ রয়েছে এই অপারেটিং সিস্টেমের জন্য। আর এসব অ্যাপই হলো এই অপারেটিং সিস্টেমটি অতিবিখ্যাত হওয়ার প্রধান অস্ত্র। এগুলোর সাহায্যে কম্পিউটার ছাড়া অকল্পনীয় অনেক জটিল কাজকে অত্যন্ত সহজ ও স্বাভাবিকভাবে সমাধানযোগ্য করে তুলেছে এই অপারেটিং সিস্টেম।
এখনো পর্যন্ত রিলিজ হওয়া অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেমের ভার্সনগুলো হলো, যথাক্রমে:
- Cupcake (1.5)
- Donut (1.6)
- Eclair (2.0–2.1)
- Froyo (2.2–2.2.3)
- Gingerbread (2.3–2.3.7)
- Honeycomb (3.0–3.2.6)
- Ice Cream Sandwich (4.0–4.0.4)
- Jelly Bean (4.1–4.3.1)
- KitKat (4.4–4.4.4)
- Lollipop (5.0–5.1.1)
- Marshmallow (6.0–6.0.1)
"এন্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেম " , এটার মাধ্যমে ইন্টারনেট জগতে এসেছে এক নতুন মাত্রা।যেটা কিছুু দিন আগেও ছিল এত্ত বড় একটা কম্পিউটারের মধ্যে ,আজ সেটা হাতের মুঠোই, পকেটে পকেটে।এটা সম্ভব হয়েছে শুধু এই এন্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেমের মাধ্যমেই।এখন পৃথিবী টা হাতের মুঠোই মনে হয়।যখন ইচ্ছা নেটের প্রয়োজনীয় সকল কাজ,দেশ বিদেশে বিনা মূল্যে কথা বলা,ভিডিও চ্যাট,তথ্য আদান প্রদান , এসবই এখন সাধারন মোবাইলে কল করার মত সহজ হয়েছে, আর সেটা করে দিয়েছে এই অ্যানড্রয়েড সিস্টেম। তবে কিছুু অসুবিধাও রয়েছে।এখানে যেহেতু সবই সহজ হয়েছে তাই এখানে কারো ব্যক্তিগত তথ্য নিরাপত্তা ক্ষুন্ন হওয়া ও সহজ হয়েছে।বিভিন্ন সাইবার ক্রাইম বাড়ছে । অল্প কিছুু সমস্যা থাকলেও এর রয়েছে অফুরন্ত সব সুবিধা, তাই বলা যায় এন্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেম আধুনিক যুগের ইন্টারনেটের প্রাণ।
এন্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেম হল একটি মোবাইল অপারেটিং সিস্টেম । মোবাইলের জন্য কিছু সফটওয়্যারের সম্মিলন যেটাতে অপারেটিং সিস্টেম এবং এপ্লিকেশনগুলো এক সাথে থাকে । এটি গুগল দ্বারা তৈরী ও উন্নয়ন করা হচ্ছে। এন্ড্রয়েডের সফটওয়্যারটি জাভা এপ্লিকেশনের সমন্বয়ে গঠিত, যা জাভার উপর ভিত্তি করে তৈরী করা । এই সিস্টেম টি বর্তমান প্রযুক্তির সাথে তাল মিলিয়ে তৈরী করা হচ্ছে যা একটি কম্পিউটার অপারেটিং এর সাথে তাল মিলিয়ে চলতে পারে। ধন্যবাদ।......সবাইকে.....
Related Questions
Next steps
- Find a doctor for in-person or online consultation
- Browse medical tests patients often ask about
- Check medicine information (uses, dosage, brands in Bangladesh)
- More health Q&A on Bissoy