2 Answers
উপার্যনের উৎসটা হালাল হতে হবে। আপনার কোন কাজে কারো ক্ষতি যেন না হয়। কাজের মধ্যে মিথ্যা বা প্রতারনা থাকতে পারবে না। কোন প্রকার ট্যাক্স ফাকি দেয়া যাবে না। উৎপাদিত পণ্যে ভেজাল থাকবে না। কাজের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সকলের যেন তাদের ন্যয্য পাওনা-মজুরি পায় সেটা নিশ্চিত করতে পারলেই উপার্যন হালাল হবে ইনশাঅাল্লাহ।
কারো উপার্জন হালাল না হারাম তাতো ওই ব্যাক্তি ব্যাতীত তৃতীয় কারো পক্ষে বুঝা সহজ না। উদাহরন স্বরূপ বলা যায়, আপনি সৎভাবে উপার্জন করছেন কিন্তু আপনার কর্মক্ষেএে অসৎভাবেও উপার্জন করার সুযোগ আছে। এখন যদি আপনার প্রতিবেশি মনে করে যে আপনিও অসৎভাবে উপার্জন করছেন তবে কি সত্যি আপনি অসৎ পথে উপার্জন করছেন? তাই উপার্জন হালাল না হারাম তা নিজ ব্যাতিত অন্য কারো বলা সম্ভব না। কোরআনে কিছু উপার্জনের কথা সরাসরি হারাম বলা হয়েছে। যেমন: সুদ, ঘুষ,মাদব দ্রব্য বিক্রির টাকা।