6 Answers
হ্যা অবশ্যই পাপ হবে। হারাম সব সময় হারামই। কোন হারাম পেশা একজন মুসলিমের জীবনের একমাত্র জীবিকার অবলম্বন কখনোই হতে পারেনা। তবে আপনি একান্ত বাধ্য হলে পরিবার ও জীবণ বাঁচানোর তাগিদে সাময়িকভাবে এধরনের হারাম পেশার সাথে জড়িত থাকতে পারেন, তবে এখান থেকে হালাল কোন পেশায় যাওয়ার সদা চিন্তা থাকতে হবে।
খারাপ, মন্দ, নিষিদ্ধ, হারাম শব্দগুলি যে কোন পরিস্থিতিতেই অপরিবর্তনীয়। পরিস্থিতির কারেন অনেক সময় নিষিদ্ধ কাজ করতে বাধ্য হই আমরা তাই বলে সেই নিষিদ্ধ কাজটা প্রকাশ্যে অনুমোদিত হয়ে জাবে না। ধরুন আপনার প্রচন্ড প্রশ্রাব পেয়েছে কিন্তু আশে-পাশে প্রশ্রাব করার মত কোন জায়গা নেই তাহলে যদি আপনি বাধ্য হয়ে রাস্তার পাশে প্রশ্রাব করেন সেটা কোন মহাঅন্যায় হবে না কিন্তু কাজটাতো নিষিদ্ধ অনুচিৎই হবে। যে কারনে আপনাকে সচেতন থাকতে হবে যেন পথিমধ্যে প্রচন্ড প্রশ্রাব না পায় আর তার উপায় হচ্ছে জীবনে শৃঙ্খলা আনা। বাধ্য হয়ে হারাম কোন কাজ সাময়ীকভাবে করা যায় কিন্তু পরিস্থিতির দোহাই দিয়ে হারাম কাজকেই একমাত্র উপায় ভাবা কোন মতেই গ্রহনযোগ্য নয়। মনে রাখবেন মানুষ পরিস্থিতি তৈরি করে আর যদি সবসময় পরিস্থিতি কোন মানুষকে নিয়ন্ত্রন করে তাহলে সে মানুষ না যন্ত্র মাত্র।
সুদ যদি আপনার জীবিকা অর্জনের একমাত্র পথ হয় তাহলে এক্ষেত্রে সেই কাজ ছেড়ে দেয়াই ভালো|
ভাইয়া সুদ জীবিকা অর্জনের একমাত্র উপায় এটা কখনও হতে পারেনা, এটা শুধু পাপ না মহাপাপ, তাই এই রাস্তা ছেঁড়ে দিন!! এই প্রথম কার মুখে শুনলাম এইরকম কথা!!
সুদ যে দিল,, যে নিল আর যে একাজে স্বাক্ষী থাকলো সকলেই জাহান্নামী। -- আল হাদীস। সুদ খাওয়া নিজ মায়ের সাথে ৩৫ বার ব্যভিচারে লিপ্ত হওয়ার সমান গুণাহ। -- আল হাদীস। হারাম মাল খাওয়া তখনই জায়েয যখন এ ব্যপারে নিশ্চিত হয় যে এখন যদি আমি হারাম না খাই তবে ক্ষুধার যন্ত্রণায় মৃত্যু বরণ করতে হবে। অথবা কোন জালেম বাধ্য করলো হারাম খাওয়ার জন্য। না খেলে সে তাকে হত্যা করবে। এ দুই কারণ ব্যতীত কোন অবস্হাতেই সুদ খাওয়া জায়েজ নেই। অতএব কোন মুসলমান পারে না সুদ খেতে। আপনাকে তো কেউ বাধ্য করে নি যে সুদের মাধ্যমেই জীবিকা নির্বাহ করতে হবে। সুতরাং এটা মনে করার কোনই কারণ নেই যে জীবিকার একমাত্র মাধ্যম হওয়ায় বুঝি কোন ছাড় আমার জন্য আছে...!!! অতএব যে কোন মূল্যে আপনার পেশা পরিবর্তন করা উচিত...!!!!
ভাই ইসলামিক দৃষ্টিতে সুদ হারাম।আপনার যদি সুদ জীবিকা অর্জনের উপায় হয়ে থাকে তাহলে আপনি এটি ছেড়ে দিন।কারন আপনি যদি সুদ নিয়ে জীবিকা অর্জন করেন তাহলে ইসলামিক দৃষ্টিতে আপনি সবসময় অনুশোচনায় ভুগবেন।তাহলে সুদ থেকে দূরে থাকুন।