4 Answers
দেখুন আপনি যদি প্রাপ্ত বয়স্ক হন এবং আপনার গায়ের রং যদি বংশগত ভাবে কালো হয় তবে যত কিছুই করেন না কেন কাজ হবে না। তবে প্লাষ্টক সার্জারি করে কিছু পরিবর্তন হতে পারে।
'মেলানিন' নামক এক ধরনের পদার্থ মানুষের skin color নির্ধারণ করে। কে কোন রঙের হবে তা ঠিক করেন সৃষ্টিকর্তা। মানুষের কোন সাধ্য নাই এই জিনিস চেঞ্জ করার!! গায়ের কালো রং যে আসলে কোনো মুখ্য বিষয় না I এইটা দিয়ে আসলেই কিচ্ছু হয়না আর মন-খারাপের কিচ্ছু নেই ! পৃথিবীতে অনেক বিশাল বিশাল মানুষ আছে যাদের গায়ের রং কুচকুচে কালো কিন্তু,তাদের কে সবাই খুব পছন্দ করেন (এই যেমন-অপরাহ উইনফ্রে !) আবার অনেকেই আছে যারা একেবারে ফর্সা কিন্তু তাদের মানুষ দুই চোখে দেখতে পারেনা (এই যেমন জর্জ বুশ !) যাইহোক, আমাদের ত্বকে ২ টা স্তর থাকে একটা হলো এপিডার্মিস আরেকটা এন্ডডার্মিস ! এই এপিডার্মিস আবার কয়েকটা উপস্তরে ভাগ করা থাকে এর সবচেয়ে ভিতরের স্তরে হলো স্ট্যটাম ব্যাসল ,এই স্ট্যটাম ব্যাসালে মেলানোসাইট নামক কোষ থাকে এবং সেই কোষ থেকে মেলানিন নামক রঞ্জক পদার্থ উত্পন্ন আর যা ঠিক করে আমাদের ত্বক কালো, ফর্সা নাকি শ্যামলা হবে ! যদি মেলানিন বেশি থাকে তাহলে কালো আর কম থাকলে ফর্সা আর মিডিয়াম থাকলে শ্যামলা ! আর এই মেলানিন নিয়ন্ত্রণে রাখার কোনো উপায় এখন পর্যন্ত আবিষ্কৃত হয়নি তাহলে, আমরা যে অনেকেই ত্বক ফর্সা করে বসে আছেন ? সেইখেত্রেও কিন্তু একই কথা প্রযোজ্য তাদের করার পদ্ধতি সম্পূর্ণ ভিন্ন ! হয়ত কোনো ক্ষেত্রে ত্বক উজ্জল করেই কাজটা সম্ভব হচ্ছে আবার কোনো ক্ষেত্রে নতুন কিছু সংযোজন করা হচ্ছে ইত্যাদি ! তবে, নিতান্তই ত্বক ফর্সা করার ইচ্ছা হলে কম-খরচে যার কথা বলব তাহলো- লেজার ট্রিটমেন্ট ! ত্বকের লেজার ট্রিটমেন্ট রয়েছে যার দ্বারা আগের চেয়ে ত্বক অনেক বেশি উজ্জল হবে অর্থাত অনেক বেশি ফর্সা মনে হবে ! (এইটা এত বড় গলায় বলার কারণ হচ্ছে আমার এক আপু এই কাজটা করেছেন তার অবস্য এর জন্য প্রায় ৩ বার করতে হয়েছে ! আগে তার শরীর ছিল কুচকুচে কালো আর এখন দেখলে চেনাই যায়না !) আর এই লেজার ট্রিটমেন্ট করার অনেক জায়গায় বাংলাদেশে আছে একটু খোজ নিয়ে দেখা যেতে পারে ! তবে, হ্যা এই ট্রিটমেন্ট করার পর কিন্তু, কয়েক মাস কিছু নিয়ম মেনে চলতে হবে ,কিছু খাদ্যভাস মেনে চলতে হবে। তবে, যাই হোক না কেন আমি কিন্তু, আগেই বলেছি ফর্সা কিংবা কালো দুটোর একটাও মুখ্য বিষয় না ! বিশ্বাস করুন এইটা দিয়ে আসলেই কিচ্ছু হয়না তবে, যদি মনে হয় নিতান্তই খুব দরকার তাহলে তার সমাধান তো দিয়েছেই ত্বকের লেজার ট্রিটমেন্ট ! শুভকামনা রইল আপনার জন্য।
গায়ের রংটা আরেকটু যদি ফর্সা হত তবে ভালই হত, এমনটা ভাবেন আপনিও? এই গায়ের রং ফর্সা করার জন্য আমরা কত কিছুই না করে থাকি। বিউটি পার্লারের স্কিন পলিশ বা ফেয়ার পলিশ নামক ব্যয় বহুল বিউটি ট্রিটমেনট, কত কসমেটিক্সের ব্যবহার আরও কত কি! কিন্তু এগুলো যে কত ক্ষতিকর তা কি আমরা জানি? না জেনেই অনেকেই এই কাজগুলো করছেন। অন্যদিকে অনেকে মেলানিন সার্জারি করে রঙ ফর্সা করে থাকে এটিও কিন্তু নিরাপদ নয়। তাহলে কি কোনভাবে রঙ ফর্সা করা যাবে না? অবশ্যই যাবে। আর সেই উপায়টি হল ঘরোয়া পদ্ধতিতে রঙ ফর্সা করা। প্রাকৃতিকভাবে দ্রুত গায়ের রং ফর্সা করবে একটি মাত্র প্যাকে। আসুন দেখে নিই দ্রুত গায়ের রং ফর্সা করার উপায়টি। যা যা লাগবে: ১/২ টেবিল চামচ টকদই ১ টেবিলচামচ শসার পেষ্ট ১ টেবিলচামচ গুঁড়া দুধ যা করবেন-প্রথমে মুখটি ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।-তোয়ালে দিয়ে মুখ মুছে নিন।-এরপর টক দই, শসার পেষ্ট, গুঁড়া দুধ মিশিয়ে প্যাক তৈরি করে ফেলুন।-প্যাকটি ভাল করে মুখে লাগান। শুকানো পর্যন্ত অপেক্ষা করুন।- শুকিয়ে গেলে কসুম গরম পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন।এখন আয়নায় নিজের মুখটা দেখুন। দেখবেন বেশ উজ্জ্বল দেখাচ্ছে। নিয়মিত ব্যবহারে প্রাকৃতিকভাবে আপনার গায়ের রং আগের চেয়ে অনেক বেশি উজ্জ্বল হয়ে যাবে। কীভাবে কাজ করে: টক দই রোদে পোড়া দাগ দূর করে থাকে। এতে ভিটামিন সি, জিঙ্ক, ক্যালসিয়াম আছে যা ত্বকের রং ভিতর থেকে ফর্সা করে। এটি ত্বকে ময়েশ্চারাইজ ও এক্সফোলিয়েট করে থাকে। এছাড়া বলিরেখা দূর করতে টক দই এর জুড়ি নেই। শসার পেষ্ট ত্বককে ঠান্ডা অনুভূতি দিয়ে থাকে। ত্বকের কালো দাগ, চোখের নিচের দাগও দূর করে থাকে শসা। শসা ত্বকের খুব ভাল টোনার হিসেবে কাজ করে ।গুঁড়ো দুধে পানি আছে যা ত্বকের পানির পরিমাণ ঠিক রাখে। গুঁড়া দুধ ত্বকের দাগ দূর করে ত্বককে উজ্জ্বল ও মসৃণ করে থাকে।
ফেয়ার এন্ড লাভলী (ইন্ডিয়া), ডার্মোভেট, স্টিলম্যান, আরচি... ক্রীম একসাথে মিক্স করে নতুন ক্রীম বানান। দামি সাবান দিয়ে রাতে মুখ ধুয়ে লেপ্টে ক্রীম লাগান। সকালে ধুয়ে ফেলুন।
Related Questions
Next steps
- Find a doctor for in-person or online consultation
- Browse medical tests patients often ask about
- Check medicine information (uses, dosage, brands in Bangladesh)
- More health Q&A on Bissoy