সপ্নদোষ বেশি হয় কেন?
3 Answers
স্বপ্নদোষের কারণ: স্বপ্নদোষ একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া, এটি কোন শারীরিক সমস্যা নয়। এটি প্রজননক্ষম জীব হিসেবে মানব প্রজাতির স্বাভাবিকভাবে বেড়ে ওঠার একটি অংশ। বয়ঃসন্ধিকালে দেহের যৌন বৈশিষ্ট্যসমূহ বর্ধনের ফলাফলস্বরূপ এটি ঘটে থাকে। স্বপ্নদোষ সঙ্ঘটনের ধারাবাহিকতার ক্ষেত্রে স্থান ও বয়সভেদে ব্যপক বিভিন্নতা পরিলক্ষিত হয়। কিছু পুরুষ দাবি করেন যে তারা যে সময়কালটিতে সঙ্গম অথবা স্বমেহন কোনভাবেই যৌনকর্মে সক্রিয় হন না, কেবল তখনই এটি ঘটে থাকে। কিছু পুরুষ তাঁদের টিন এজার বয়সে বা উঠতি কৈশোরে বহুসংখ্যকবার স্বপ্নদোষের সম্মুখীন হয়েছেন, আর বাকি পুরুষদের জীবনে একবারও এটি ঘটেনি। যুক্তরাষ্ট্রে, ৮৩% পুরুষ জীবনে কোন না কোন সময়ে স্বপ্নদোষের অভিজ্ঞতা লাভ করেছেন। বয়ঃসন্ধিকালে যারা নতুনভাবে স্বপ্নদোষের অভিজ্ঞতা লাভ করেন তারা অনেকেই প্রথমদিকে একে স্বাভাবিকভাবে গ্রহণ করতে পারেন না এবং আতঙ্ক ও হীনমন্যতা বোধ করেন। বয়স বাড়ার সাথে সাথে স্বপ্নদোষের পরিমাণ ধীরে ধীরে কমে যেতে থাকে। এছাড়াও স্বপ্নদোষ হতে নানা কারণে পারে, যেমনঃ মুখ্য কারণঃ -বয়ঃসন্ধিকালে যৌন হরমোনের আধিক্যের জন্য -গৌণ বা অনিশ্চিত কারণঃ স্বাভাবিকের চেয়ে -অতিরিক্ত যৌন বিষয়ক চিন্তা করা -পর্ণগ্রাফি বা নীল ছবিতে আসক্ত হওয়া -যৌন উদ্দীপক বই পড়া -শয়নকালের পূর্বে যৌন বিষয়ক চিন্তা করা বা দেখা বয়ঃসন্ধিকালে কারো কারো স্বপ্নদোষ নাও হতে পারে , এতে এটা প্রমাণ করে না যে তার সমস্যা আছে। আবার নিয়মিত হস্থমৈথুনের প্রভাবে স্বপ্নদোষের পরিমাণ হ্রাস পায়। স্বপ্নদোষের সাথে সবসময় স্বপ্ন দেখার সম্পর্ক নাও থাকতে পারে। যেহেতু স্বাভাবিক নিয়মিত স্বপ্নদোষ কোন সমস্যা নয়, তাই এর কোন চিকিৎসা নেই। তবে অস্বাভাবিক বা অতিরিক্ত স্বপ্নদোষের ব্যপারে চিকিৎসকগণ বিভিন্ন পরামর্শ দিয়ে থাকেন। সূত্র:উইকিপিয়া যেহেতে আপনার অতিরিক্ত স্বপ্নদোষ হচ্ছে তাই একজন ভালো হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসের চিকিৎসা গ্রহণ করুন।
আপনি যা যা করবেন নাঃ ঘুমানোর আগে মনের মধ্যে বাজে চিন্তা কখনো আনবেন না, কোন প্রকার খারাপ পিকচার বা ভিডিও দেখবেন না, রাতে খাবারের কমপক্ষে ১ঘন্টা পর ঘুমাতে যান, প্রসাব চাপ রেখে ঘুমাতে যাবেন না, ঘুমানোর সময় মনে মনে "আসসামীয়ু ওয়ালমুমিতু" এই দোয়াটি ১৫বার এবং "আল্লাহুম্মা বিইসমিকা আমুতু ওয়া আহ্ইয়া" ৩ বার পড়ে বুকে ফুক দিয়ে ঘুমান। এই নিয়মগুলো মেনে চলুন ইনশাল্লাহ সব ঠিক হয়ে যাবে।