সপ্নদোষ হওয়া ভালো না খারাপ । এবং এটা হওয়ার কারণ কী?
3582 views

1 Answers

স্বপ্নদোষ চিকিৎসা বিজ্ঞানে যাকে বলে Nocturnal Emission. Nocturnal অর্থ রাতের বেলায় আর Emission অর্থ নির্গত হওয়া। অর্থাৎ রাতের বেলা ঘুমের মধ্যে ছেলেদের বীর্যপাত হওয়াই স্বপ্নদোষ। এটি মেয়েদেরও হয় কিন্তু ছেলেদের তুলনায় অতি নগণ্য। একজন ব্যক্তি যখন বয়ঃসন্ধিকালের মাধ্যমে কৈশরে প্রবেশ করেন তখন তার দেহে টেস্টোস্টেরন তৈরি হতে থাকে যা টেস্টিস-এ বীর্য উৎপাদন করে। বীর্যথলী যখন পূর্ণ হয়ে যায় তখন টেস্টোস্টেরনের কোনো কাজ থাকেনা, ফলে দেহে এর মাত্রা বাড়তে থাকে, এই বৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণ করতে প্রয়োজন যেকোনো উপায়ে বীর্যপাত করা কিংবা শরীরকে নিজ থেকেই এটি ধ্বংস করতে দেয়া। অতিরিক্ত টেস্টোস্টেরন মানে অতিরিক্ত যৌন আকর্ষণ, যার ফলে এসময় আপনি জেগে থাকাকালীন যেমন ইরেক্টেড হয়ে পড়েন তেমনি ঘুমের মধ্যেও হন। আর তখন যদি বীর্যপাত হয় তাহলেই সেটা স্বপ্নদোষ নামে পরিচিত হয়। এরুপ অবস্থায় আপনাকে লিঙ্গ স্পর্শও করতে হয়না, সম্পূর্ণটাই নিজ থেকেই হয়। এটি ভালো নাকি খারাপ এ বিষয়ে কোনো উত্তর নেই। এটি খুব স্বাভাবিক একটা ব্যাপার, কিন্তু অতিরিক্ত হয়ে গেলে তা শারীরিক ও মানসিক দুশ্চিন্তার কারন হয়ে দাঁড়ায়। তবে এটি নিয়ে একদমই চিন্তা না করাই ভালো।

3582 views

Related Questions