5 Answers
তোতলামি রোগটা শিশু থেকে বড় হওয়ার সময় হতে পারে। যাকে বলা হয় Developmental Disorder। এছাড়া, তোতলামির জন্য মানুষের জিনও দায়ী। বেশীর ভাগ মানুষ জেনেটিক কারনে এই সমস্যায় পড়েন। তোতলামির সমস্যা আছে এমন ব্যক্তিদের জিনে GNPTAB নামে একটি বিশেষ বৈশিষ্ট্য রয়েছে৷ এছাড়া, অন্য গবেষণার ফলাফল বলছে যাদের তোতলামির সমস্যা রয়েছে তাদের জিনে GNPTAB নামক Mutation তো আছেই বরং একইসঙ্গে এমন আরও দু'টি Mutation আছে৷ এগুলো হল GNPTAG এবং NAGPA ৷
বিভিন্ন রকমের তোতলানো রোগী লক্ষ্য করা যায়। কোনো কোনো রোগী এক শব্দ বারবার পুনরাবৃত্তি করেন যেমন: আমি ক-ক-ক-কলা খাব। আবার কেউ লম্বা স্বরে কথা বলেন। কিছু রোগী এমন আছে যে, কথা হঠাৎ আটকে গিয়ে আর কথা বলতে পারছেন না। সমাজ তাদের ভালো চোখে দেখে না। তোতলানো রোগীরা দ্রুত কথা বলার চেষ্টা করেন। যার ফলে কথা বেশি আটকে যায়। ধীরে ধীরে কথা বলুন। দ্রুত কথা বলার অভ্যাস পরিত্যাগ করুন। শব্দের বিরতি রেখে কথা বলুন। এক শব্দ বারবার বলার চেষ্টা করবেন না। যে শব্দে বা বর্ণে কথা আটকে যাবে সেখানেই সঙ্গে সঙ্গে থেমে যাবেন। নাক দিয়ে তলপেটে বাতাস নেবেন, মুখ দিয়ে ছেড়ে ওই শব্দটি উচ্চারণ করুন। বিভিন্ন লোকের সঙ্গে ইচ্ছা করেই কথা বলুন। চুপচাপ বসে থাকবেন না। নিজেকে অসহায় মনে করবেন না। কখনো আবেগপ্রবণ হবেন না। অর্থাৎ ভয় করা, রাগ করা, লজ্জা পাওয়া, দুশ্চিন্তা করা, হওয়া বা উত্তেজিত হওয়া যাবে না। কোনো কারণে রেগে বা উত্তেজিত হয়ে গেলে সমস্যা বৃদ্ধি পেতে পারে। তাইউত্তেজিত হবেন না, মস্তিষ্ক ঠাণ্ডা রেখে সমস্যার সমাধান করুন। আপনার এই সমস্যার জন্য নিজেকে সমাজ থেকে আলাদা করে রাখবেন না। সবার সঙ্গে মিশতে চেষ্টা করুন এবং ধীরে ধীরে কথা বলুন। তোতলানো রোগীদের কাউন্সেলিং এবং এক্সারসাইজের মাধ্যমে আরোগ্য লাভ সম্ভব।
অনেকে কথা বলতে গেলেই প্রথম শব্দে আটকে যান কেউ বা আবার অনেক কষ্টে করে বাক্যটি শেষ করতে পারেন। এটাকে তোতলামি বলে। যাদের এই সমস্যা রয়েছে তাদের জন্য এটা খুবই বিব্রতকর একটি ব্যাপার।পৃথিবীতে যাদের তোতলামির সমস্যা রয়েছে তার ৮০ শতাংশই পুরুষ। ৬০ থেকে ৮০ শতাংশ শিশুর প্রথমদিকে তোতলামি থাকলেও পরে তা ভাল হয়ে যায়। বাকিরা এ সমস্যা সবসময় বয়ে বেড়ান।গবেষকরা মনে করেন, তোতলানোর পেছনে নিওরোলজিক্যাল ও মানসিক কারণ –এই দুটোই থাকতে পারে। দেখা গেছে, মানসিক চাপের মধ্যে থাকলে তোতলামির মাত্রা বেড়ে যায়। জিনেরও একটি বেশ বড় ভূমিকা রয়েছে তোতলামিতে। চার ভাগের তিন ভাগ তোতলার ক্ষেত্রে এই কথা প্রযোজ্য।তোতলানোর সময় মস্তিষ্কের এক অংশ অন্য অংশের সমস্যাটা কাটাতে চেষ্টা করে। আর তাই গানের মাধ্যমেও তোতলামিকে আয়ত্তে আনা যায়। কেননা সংগীত ও গানের জগৎ থাকে মস্তিষ্কের ডান দিকে। আর বা দিকে থাকে কথার এলাকা। এ জন্য তোতলাদের গান গাইতে কোনো অসুবিধা হয় না। সে জন্য কোলনের ভূক্তভোগীদর সমাবেশে নিয়মিত গানের চর্চাও করা হয়। তোতলামি কমানোর আরেকটি উপায় হলো কণ্ঠস্বর নরম করে কথা বলা। এইভাবে কথা বললে তোতলামিটা থাকে না। সর্বোপরি তোতলামিকে ভয় না পেয়ে সমস্যাটিকে কীভাবে সামলানো যায় তা শিখতে হবে। দৈনন্দিন কাজ কর্মে অসুবিধাগুলি কীভাবে কাটানো যায়, সে দিকেও দৃষ্টি দেওয়া উচিত।
আপনি বেশি বেশি শব্দ সঠিক উচ্চারন এবং বাংলা বর্নমালা, শব্দ গঠনের নিয়ম নীতিগুলো ভালো করে আয়ত্ব করুন। এ বিষয়ে ভালো একটা বর্নমালা, ব্যাকরণ শিখার একটা বই নিয়ে, সেখান থেকে কোন বর্ন কিভাবে উচ্চারিত হয়, তা ভালো করে রুটিন মাফিক প্রাকটিস করুন। ইংরেজী যেমন গ্রামার না শিখলে বাক্য তৈরি করা কঠিন, তেমনি ভাবে বাংলা বর্নমালা, শব্দ গঠন, উচ্চারন, বাক্য তৈরি, শব্দের অর্থ ভালো করে শিখে তা মুখ দিয়ে সঠিকভাবে উচ্চারন করলে, এভাবে আস্তে আস্তে তোতলামো কমে যাবে।
তোতলা রোগীদের করণীয়
তোতলানো একটি জটিল রোগ। তোতলানোর শুরুতেই এই রোগের চিকিৎসা করা দরকার। এ রোগ কম বয়সীদের ক্ষেত্রে দ্রুত আরোগ্য লাভ করে। বিভিন্ন রকমের তোতলানো রোগী লক্ষ্য করা যায়। কোনো কোনো রোগী এক শব্দ বারবার পুনরাবৃত্তি করেন যেমন: আমি ক-ক-ক-কলা খাব। আবার কেউ লম্বা স্বরে কথা বলেন। কিছু রোগী এমন আছে যে, কথা হঠাৎ আটকে গিয়ে আর কথা বলতে পারছেন না। সমাজ তাদের ভালো চোখে দেখে না। তোতলানো রোগীরা দ্রুত কথা বলার চেষ্টা করেন। যার ফলে কথা বেশি আটকে যায়। ধীরে ধীরে কথা বলুন। দ্রুত কথা বলার অভ্যাস পরিত্যাগ করুন। শব্দের বিরতি রেখে কথা বলুন। এক শব্দ বারবার বলার চেষ্টা করবেন না। যে শব্দে বা বর্ণে কথা আটকে যাবে সেখানেই সঙ্গে সঙ্গে থেমে যাবেন। নাক দিয়ে তলপেটে বাতাস নেবেন, মুখ দিয়ে ছেড়ে ওই শব্দটি উচ্চারণ করুন। বিভিন্ন লোকের সঙ্গে ইচ্ছা করেই কথা বলুন। চুপচাপ বসে থাকবেন না। নিজেকে অসহায় মনে করবেন না। কখনো আবেগপ্রবণ হবেন না। অর্থাৎ ভয় করা, রাগ করা, লজ্জা পাওয়া, দুশ্চিন্তা করা, হওয়া বা উত্তেজিত হওয়া যাবে না। কোনো কারণে রেগে বা উত্তেজিত হয়ে গেলে সমস্যা বৃদ্ধি পেতে পারে। তাইউত্তেজিত হবেন না, মস্তিষ্ক ঠাণ্ডা রেখে সমস্যার সমাধান করুন। আপনার এই সমস্যার জন্য নিজেকে সমাজ থেকে আলাদা করে রাখবেন না। সবার সঙ্গে মিশতে চেষ্টা করুন এবং ধীরে ধীরে কথা বলুন। তোতলানো রোগীদের কাউন্সেলিং এবং এক্সারসাইজের মাধ্যমে আরোগ্য লাভ সম্ভব।
আপনি একটি পাঁচ টাকার কয়েন কিংবা পাঁচ টাকার কয়েন আকৃতির একটি সিসার পাত কিছুদিন যাবত জিহ্বার উপর রেখে দেখতে পারেন। এতে আশকরি ভালো ফল পাবেন। কারণ এটি তুতলামী রোগে গ্রাম অঞ্চলে ব্যবহৃত একটি পরীক্ষিত পথ্য।
Related Questions
Next steps
- Find a doctor for in-person or online consultation
- Browse medical tests patients often ask about
- Check medicine information (uses, dosage, brands in Bangladesh)
- More health Q&A on Bissoy