3 Answers
শ্বাসকষ্ট হলে খেয়াল রাখুনঃ
* শ্বাসকষ্ট যদি দীর্ঘদিন ধরে হতে থাকে, তা সাধারণত ব্রঙ্কাইটিস, টিবি বা যক্ষ্মা, অ্যাজমা, অ্যানিমিয়া বা রক্তশূন্যতার কারণে হয়। তাই দীর্ঘদিনের শ্বাসকষ্ট যদি থাকে, তা যদি অল্প পরিমাণেও হয়, তবু ডাক্তার দেখিয়ে চিকিৎসা নেওয়া উচিত।
* শৈশবে বা বয়ঃসন্ধিকালের আগে থেকে যদি শ্বাসকষ্টের ইতিহাস থাকে, তা সাধারণত অ্যাজমা বা হাঁপানির জন্য হয়। এ ধরনের রোগীরা বয়স বেশি হলে তীব্র ধরনের অ্যাজমায় আক্রান্তের ঝুঁকিতে থাকে।
* সাধারণত অ্যাজমা বা হাঁপানিজনিত শ্বাসকষ্ট রাতে বা ভোরে বেশি হয়। আবার কাশির মতো শ্বাসতন্ত্রের কিছু অসুখের প্রকোপও রাতে বাড়ে।
* শ্বাসকষ্টের সঙ্গে যদি জ্বর থাকে, বুকে ব্যথা হয়, শ্বাস নিতে শোঁ শোঁ শব্দ হয়, তা সাধারণত ফুসফুসের মারাত্মক জটিলতা, যেমন-নিউমোনিয়ার জন্য হয়। এ ধরনের লক্ষণ প্রকাশ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে রোগীকে হাসপাতালে নিয়ে চিকিৎসা করানো উচিত।
* যাদের এমনিতে শ্বাসকষ্টের সমস্যা নেই, কিন্তু কিডনি-সংক্রান্ত জটিলতা আছে, তাদের হঠাৎ যদি শ্বাসকষ্ট হয়, অবশ্যই সংশ্লিষ্ট ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে। কারণ কিডনি জটিলতায় অনেকের রক্তে এসিডের মাত্রা বেড়ে গিয়ে শ্বাসকষ্টসহ প্রাণঘাতি সমস্যার সৃষ্টি করতে পারে।
চিকিৎসাঃ
যে রোগের কারণে শ্বাসকষ্ট হচ্ছে সেটার যথাযথ চিকিৎসা করা জরুরি। এ ছাড়া শ্বাসকষ্টের যেসব সাধারণ কারণ আছে তা থেকে নিজেকে দূরে রাখাও চিকিৎসারই অংশ। যাদের অ্যালার্জেন থেকে শ্বাসকষ্ট হয়, তাদের ওই বিশেষ অ্যালার্জেন থেকে দূরে থাকার চেষ্টা করতে হবে। যেমন-ঘরবাড়িতে কার্পেট সরিয়ে ফেলতে হবে। ঘরদোর পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে। গাঁদাগাঁদি করে একই ঘরে বেশি মানুষ বসবাস করা যাবে না। তেলাপোকা ও পোকামাকড় মুক্ত পরিবেশে বসবাস করতে হবে। ধূমপান করা যাবে না।
সাধারণ শ্বাসকষ্টে ওষুধ হিসেবে অ্যান্টিহিস্টামিন, ন্যাসাল ডিকনজেস্টেন্ট ব্যবহার করা যেতে পারে। শ্বাসকষ্ট বেশি হলে, এমনকি অ্যাজমা না থাকলেও প্রয়োজনে স্টেরয়েড ইনহেলার ব্যবহার করতে হবে।
বাড়িতে চিকিৎসা হিসেবে মেনথলযুক্ত গরম পানির ভাপ শ্বাসের মাধ্যমে নিলে উপকার পাওয়া যায়। আরাম পাওয়া যায় আদা চা খেলেও।
কনটিন ২০০ মি.গ্রা দৈনিক সন্ধায় ১ টি করে ও মনটেয়ার ১০ মি.গ্রা দৈনিক ১ টি রাতে খেয়ে দেখতে পারেন,ইনশাল্লাহ কাজ হবে।
আপনে যেটা করবেন বাসক পাতার রস ও তুলশি পাতার রস আদা রস এক সাথে মিশিয়ে খান ভালো ফল পাবেন আর সমস্যা হবে না।