কোন প্রসেসর ভালো?
3 Answers
সিংগেল কোর প্রসেসর
সিংগেল কোর প্রসেসর এর সাথে যদি ২৫৬ এমবি কিংবা ৫১২ এমবি র্যাম হয় তাহলেও কোন এইচডি গেমই ঠিক মত খেলতে পারবেন না। যদি ১ জিবি র্যামও হয় তবুও পারবেন না। সব ধরনের গেমই ল্যাগ করবে। (আমি Samsung Galaxy S এ ট্রাই করে দেখেছি।কোন গেম খেলেই শান্তি তো দূরে থাক ভালোও লাগে নাই। এই ফোনে কিন্তু ১ জিবি র্যাম। সমস্যা হল সিংগেল কোর প্রসেসর।)
ডুয়াল কোর প্রসেসর
ডুয়াল কোর Processor মূলত দুটি কোর এর প্রসেসর যেখানে কোন কাজ প্রসেসর প্যারালাল এ করে থাকে। যার কারনে সিংগেল কোর প্রসেসর এর চেয়ে বেশি শক্তি পাওয়া যায়।) আপনার ফোনের র্যাম যদি ৫১২ এমবি হয় আর যদি প্রসেসর ডুয়াল কোর হয় তাহলে আপনার ফোনে GTA Vice City, MC3 তে কোন প্রকার ল্যাগ বা হ্যাং পাবেন না। কিন্তু GTA San Andress, MC4, NOVA 3 বা এর চেয়ে হাই কোয়ালিটি গেম খেললে অবশ্যই ল্যাগ পাবেন। Asphalt 8 এ বেশ ভালোই ল্যাগ পাবেন। কিন্তু যদি ডুয়াল কোর প্রসেসর এর সাথে ১ জিবি র্যাম হয় তাহলে আপনার ফোনে প্রায় সব ধরনের গেমই ল্যাগ ছাড়া চলবে। Samsung Galaxy S2 তে পরীক্ষা করা।
কোয়াড কোর প্রসেসর
কোয়াড কোর প্রসেসর এর কোর সংখ্যা হল ৪ টি। যার কারনে ডুয়াল কোর প্রসেসর এর চেয়েও বেশি শক্তি উৎপন্ন করে। এখন আপনার ফোনে যদি কোয়াড কোর প্রসেসর এর সাথে ৫১২ এমবি র্যাম থাকে তাহলে আপনি প্রায় সব গেম ল্যাগ বিহীন অবস্থায় খেলতে পারবেন।যেমনঃ GTA VICE CITY, GTA SAN ANDRESS, NFS MOST WANTED, NFS HOT PARSUITE, ETC..এই গেম গুলো এই প্রসেসর আর র্যাম এ পরিক্ষিত। আমি এই সব গেম Symphony W69Q এর ৫১২ র্যাম ভার্সন এ খেলেছি। তাই আমি এই কথা গুলো বাস্তব অভিজ্ঞতা থেকে বলছি। আর যদি আপনার ফোন কোয়াড কোর প্রসেসর আর ১ জিবি র্যাম হয় তাহলে তো লাইফ পুরা জিংগালালা। মানে এই ফোনে আপনি প্রায় সব ধরনের গেম কোন প্রকার ল্যাগ ছাড়াই খেলতে পারবেন। আমার primo Gm Mini তে টেস্ট করা। যেমনঃ san andress, NOVA 3, MC4, MC5, Backstab HD
হেক্সা কোর এবং অক্টাকোর
এই সব প্রসেসরের ফোন গুলোতে গেমিং এ কোন সমস্যা থাকে না। অক্টাকোর প্রসেসর এর ফোন কিনলে আপনাকে আর গেমিং পার্ফমেন্স নিয়ে চিন্তা করতে হবে না।এই প্রসেসর গুলো মূলত গেমিং এর জন্য পারফেক্ট। তারপরেও যদি কোন সমস্যা হয় গেমিং এ তাহলে আমাদের অফিশিয়াল গ্রুপে পোস্ট করতে পারেন।
অক্টা (Octa) মানে আট আর কোয়ার্ড (Quad) মানে চার। একটি প্রসেসর (CPU) এর মধ্যে কতটি কোর আছে তার উপর ভিক্তি করে এমন নামকরন। তাহলে অক্টাকোর প্রসেসরে আটটি কোর থাকে এবং কোয়ার্ডকোর প্রসেসরে চারটি কোর থাকে। আর ১.৭GHz বা ২.৫GHz হল প্রসেসরের ক্লক স্পিড। ক্লক স্পিড হল, একটি প্রসেসর এক সেকেন্ডে কি পরিমান ক্লক সার্কেল সম্পন্ন করতে পারে তার পরিমান।
অক্টাকোর (১.৭GHz) আর কোয়ার্ডকোর (২.৫GHz) এর মধ্যে ক্লক স্পিড যদি কাছাকাছি থাকে তবে অক্টাকোরই ভাল হবে।
র্যাম (RAM) এর হিসাব আলাদা। র্যাম একটি সিস্টেমের অস্থায়ী স্মৃতি। তারমানে একটি সিস্টেম (কম্পিউটার, মোবাইল বা যা কিছু) চালানোর সময় তার অস্থায়ী কিন্তু দরকারি ফাইলগুলি সে র্যামে লোড করে নেয় এবং কাজে শেষে মুছে ফেলে। র্যাম যত বেশি হবে, সিস্টেমটি তত ভাল ভাবে চলবে।
র্যাম একই রেখে (অর্থাৎ ২ জিবি) আপনি যদি প্রসেসরের হিসাব করেন, তবে অক্টাকোরই ভাল হবে। তবে কোয়ার্ডকোরেও কোন সমস্যা নেই। ভাল গ্রাফিক্সের গেম খেলতে গেলে অক্টাকোরে পারফরমেন্স ভাল পাবেন।