2 Answers
কারন, মানুষ সামাজিক জীব। সমাজ-সংস্কৃতি যেখানে প্রতিনিয়ত পরিবর্তনশীল, সেখানে সমাজের অন্যতম উপাদান হিসেবে মানুষ পরিবর্তন হতে বাধ্য। আমরা (মানুষ) সবসময় চাই নিজেকে পরিবেশের সাথে খাপ খাওয়াতে। যেহেতু আমাদের চতুর্দিকের পরিবেশ পারিপার্শ্বিক কারনে প্রতিনিয়ত বদলাচ্ছে । আর এই পরিবেশের সাথে নিজেদের খাপ খাওয়াতে আমরাও (মানুষ জাতি) বদলে যাই নিজের অজান্তে ।
মানুষ কেন বদলায়। চাপে পড়ে? মোটেও না। চাপে পড়ে সে তার বাইরের আচরন বদল করে, অন্তর কখনো বদলায় না। মানুষ ভয়েও বদলায় না। প্রয়োজনেও বদলায় না। কেবল খাপ খাইয়ে চলে, ভেতর থেকে সে কোনভাবেই বদলে যাওয়া পরিস্থিতি মানতে পারে না। হতাশা ও ক্ষোভ নিয়ে বেঁচে থাকে। মানুষ তার ভেতর থেকে বদলায় কেবল ভালোবাসলে! যাকে, যে কাজকে, যাই সে ভালোবাসুক, তার জন্য সে উপযুক্ত হতে চেষ্টা করে। তার ভালোবাসার কাজটির জন্য সে সকল কষ্ট মেনে নেয়, ভালোবাসার মানুষটির জন্য সে নিজেকে যতোভাবে পারে তৈরী করতে চায়। বদলে যাওয়ার মতো তীব্র বেদনা আর নেই। সেই বেদনাকে মেনে নিয়ে , কেবল প্রিয় কিছু বা প্রিয় মানুষকে পাবার আকাংখায় সে পাল্টে যায়। ভীরু হয়ে ওঠে সাহসী। বুদ্ধিমান করতে থাকে বোকামী। যে কখনো সেই ভালোবাসা পায় নাই, সে কখনো এই অনুভুতি কেমন সেটা বুঝতে পারে না। যে কারনে আমরা অনেকে বুঝি না, কেন মানুষ কোন একটি তুচ্ছ কারনে প্রান দিয়ে দেয়। অামরা বুঝি না কারন আমরা জানি না, ভালোবাসা তুচ্ছতম জিনিষটিকেও মহামূল্যবান করে তোলে, রুপহীন কে করে তোলে রুপবতী বা রুপবান। পৃথিবীতে সে ছাড়া আর কেউ নেই, এই অনুভূতি না হওয়া পর্যন্ত ইভকে কেন ভালোবেসে অ্যাডাম স্বর্গচ্যুত হয়েছিল সেটা বোঝা সম্ভব না। আমাদের সবার জীবনে সেই ভালোবাসা আসে না। আসলেও দুজনে একই ভাবে সেই ভালোবাসা অনুভব করে না। যারা সেই ভালোবাসা পেয়েছেন বা পাবেন, তারা সৌভাগ্যবান। আর যারা পান নাই, তারা জানবেন না কখন এ মানবজন্ম বড় তুচ্ছ মনে হয় মনে হয় এ সময় অর্থহীন এ পৃথিবী মূল্যহীণ