10 Answers
আপনি রাতে পড়ে ঘুমাবেন এবং শুয়ে শুয়ে তা রিভাইজ করার চেষ্টা করবেন সকালে উঠে একবার রিভাইজ দিবেন। এবং যখন পড়বেন পুরো মনযোগের সাথে পড়ার চেষ্টা করবেন। ইনশাআল্লাহ সব ঠিক হয়ে যাবে।
বেল পাতা ঘি দিয়ে খাবার তেলে কয়েক দিন খেতে পারেন । এটা বিজ্ঞান স্বমত এবং কবিরাজি ও ।
কথায় বলে, সারাদিন পড়তে হয় না পড়ার জন্য ২ঘন্টায় যথেষ্ট যদি সেটা মন দিয়ে পড়া যায়। পড়াশুনার উপর আপনার মনযোগ বাড়ান তাহলে আপনার মুখস্ত হতেও অনেক কম সময় লাগবে। মনযোগ তথা মন দিয়ে পড়ুন তাহলেই সমস্যা সমাধান হবে এবং অন্য সকল চিন্তা মন থেকে ঝেড়ে ফেলুন।তাহলেই আশা করা যায় আপনি সফল হবেন।
পড়া বুঝে মনে রাখার সহজ উপায়টা কী? মুখস্থবিদ্যা কোনো সমাধান না, আর মুখস্থ করা মানে সেটা বোঝা,মনে রাখা কোনোটাই না। কোনো কিছু পড়ে সহজে সেটা মনে রাখতে হলে আপনাকে স্মৃতি গড়ার কায়দা জানতেহবে।পরিচিত অনেক ছাত্রকেই দেখবেন, একবার পড়লেই মনে রাখতে পারে, সেখানে আপনি হয়তো ঘন্টার পর ঘণ্টা ঘষটে ঘষটেও কিছু মনে রাখতে পারছেন না।তাহলে কায়দাটা কী? আঁতেল ভালো ছাত্র কাউকে জিজ্ঞেস করলে বলবেনা হয়তো তাদের গোপন রহস্য, তাই এই লেখা থেকে জেনে নিন সেটা।১) দেখা, দেখতে পারা ~ কোনো জিনিষ মনে রাখতে হলে সেটা দেখা অথবা কল্পনায় করাটা দরকারী। ধরা যাক, মোগল সম্রাট আকবরের শাসনামল মনেরাখতে হবে। বিরক্তিকর সব জিনিষ তোতাপাখির মতো মুখস্থ করার চাইতে চোখ বুঁজে একবার সম্রাট আকবরকে কল্পনা করেন, হাতির পিঠে বসে মোগলাই পরোটা খেতে খেতে কটকটে হলুদ পাঞ্জাবি পরা হিমুর সাথে যুদ্ধ করছে। পানিপথের যুদ্ধ আর তোতার মতো মুখস্থ করা লাগবেনা, এই দৃশ্যটা মনে করলেই বাকিটা মনে থাকবে আপনার।২) সম্পর্ক -- কোনোকিছু পড়ার পরে সেটার সাথে আপনার পরিচিত কিছুর সম্পর্কটা চিন্তা করে নিন। যেমনধরেন বয়েলের সূত্র দিয়ে গ্যাসেরগতিবিধির তত্ত্ব মনে রাখতে হবে।বয়েল এর নামটা বয়লারের মতো, তাই না? আবার অনেকটা কয়েলের মতো লাগে। কয়েল থেকে ধোয়া টাইপের গ্যাস বের হয়, তাই না? এভাবে যেটাই পড়বেন, পরিচিত কিছুর সাথে সম্পর্ক বের করেন। আবার যেগুলা পড়ছেন, তাদের নিজেদের মধ্যে সম্পর্ক বের করেন।৩) পড়ুন, লিখুন, আঁকুন, মনে রাখুন - ৫ মিনিটের বেশি কিছু পড়বেন না। ৫ মিনিট পড়ার পরে যেটা পড়লেন, সেটাকে লিখে ফেলেন, অথবা সেটা নিয়ে ছবি আঁকেন। চিন্তার কিছু নাই, ছবি আঁকতে না পারলেও কাকের ঠ্যাং মার্কা কিছু আঁকেন। তার পর পরের পড়ায় যান। কারণ মনে কিছু ঢোকার পরে সেটা যদি লেখার মাধ্যমে হাতে না আনেন, তাহলে মন থেকে কান দিয়ে সেটা বেরিয়ে পালাবেই। তাই পড়া, লেখা, মনে রাখা,এই চক্রে পড়ার অভ্যাস করেন, সহজেই মনে থাকবে সবকিছু।৪) অল্প অল্পেও অনেক - একবারে গাছের আগায় উঠা যায় না। তাই একগাদা জিনিষ একবারে এক দফায় না পড়ে অল্প অল্প করে পড়েন। মনের জগতে ওভারডোজ সহ্য হয় না।ব্যাস, পেয়ে গেলেন তো ভালো ছাত্রদের গোপন রহস্য! এবারে পড়তে বসে এগুলাকে প্রয়োগ করে ফেলেন, সহজেই মনে রাখতে পারবেন সবকিছু।
আপনি পড়া দ্রুত মুখস্ত করতে গেলে নিচের নিয়ম গুলো অনুসরন করুন *#জোরে পড়ুন : জোরালো কণ্ঠে পড়ুন। জোরে পড়লে মাথায় তথ্য দ্রুত ঢুকে যায়। যেমন একটি গান যখন শোনেন, তখন তা দ্রুত মনে পড়ে। যা পড়ছেন তা কানে প্রবেশ করলে দ্রুত মুখস্থ হবে। *#লক্ষ্য স্থির করুন : পড়তে বসলে নিজের লক্ষ্য স্থির করুন। বইয়ের কত পাতা পর্যন্ত কত সময়ের মধ্যে শেষ করবেন তা ঠিক করে নিন। নয়তো মনোযোগ হারাবেন এবং সময়ের অপচয় হবে। *#নিজেই যখন শিক্ষক : নিজেই নিজের শিক্ষক হয়ে উঠুন। কি পড়লেন, কি মুখস্থ করলেন ইত্যাদি বুঝতে নিজেই শিক্ষকতা পালন করুন। নিজেই পরীক্ষা দিন এবং তা যাচাই করুন। #নোট করুন : যাই শিখবেন তাই লিখে ফেলুন। এগুলো নোট করুন। লেখা হলে তা দ্রুত মাথায় ঢুকে যাবে এবং সহজে ভুলবেন না। #ইন্টারনেটের ব্যবহার : আধুনিক যুগে পড়াশোনার বড় সুবিধা দেয় ইন্টারনেট। বিভিন্ন টপিক সম্পর্কে ধারণা নিন। যে বিষয়ে পড়ছেন তার সংশ্লিষ্ট অনেক কিছুই হয়তো বইয়ে নেই। এগুলো ইন্টারনেটে দেখে নিন। এতে ধারণা পরিষ্কার হবে। #বিরতি দিন : একটানা অনেকক্ষণ পড়লে অস্থিরতা চলে আসবে। এর জন্যে নিয়মিত অল্প সময়ের জন্যে বিরতি নিন। #চিউইং গাম : এটি চিবোতে পারেন। গবেষণায় দেখা গেছে, চিউইং গাম চিবোতে চিবোতে পড়লে তা মাথায় দ্রুত প্রবেশ করে। এ সময় মস্তিষ্কের কার্যক্রম দ্রুত হয় এবং গামের ফ্লেভার বেশ উপকারী হয়ে ওঠে। #হাঁটুন : বেশ কিছুক্ষণ পড়ার পর ১৫-২০ মিনিট হেঁটে আসুন। এতে দেহের রক্ত চলাচল বৃদ্ধি পাবে এবং মস্তিষ্ক বিশ্রাম পাবে।
একটা পরীক্ষায় দেখা গেছে মানুষ শুনে মনে রাখতে পারে ৫%,শুনে পড়ে মনে রাখতে পারে প্রায় ৭০% আর শুনে পড়ে লিখে মনে রাখতে পারে ৯০% এর উপর তাই ক্লাসের পড়ায় মনযোগ দিন,পড়ুন, পড়া শেষে লিখুন।
আপনার পড়া মুখস্ত করার দিন শেষ কারণ পড়া মুখস্ত করা বাচ্চাদের কাজ। আপনার কাজ হল বই পড়া আর কি পড়লেন সেটা আয়ত্তকরা আর নিজের থেকে লেখার চেষ্টা করা।