আমি সব সময় হতাশায় ভুগি।এ ক্ষেেএে আমাকো কি করা উচিৎ বলে মনে করেন?
3 Answers
কোরানে কারিমে ইরশাদ হচ্ছে, হে আমার বান্দাগণ! যারা নিজের আত্মার বিরুদ্ধে পাপ করেছো, তারাআল্লাহর করুণা থেকে নিরাশ হয়ো না। নিশ্চয়ই আল্লাহ সব পাপ ক্ষমাকরে থাকেন। নিশ্চয়ই তিনি বারবার ক্ষমাশীল, পরম করুণাময়। [সুরা যুমার : ৫৩।] এ আয়াতের মাধ্যমে আল্লাহ তায়ালা মানুষের প্রতি হতাশ হওয়াকেও নিরুৎসাহিত করেছেন এবং এটাকে গোমরাহদের বৈশিষ্ট্য বলে উল্লেখ করেছেন। আর এভাবেই কোরান মানুষকে আশাবাদী জীবনের দিকে আহ্বান জানায় এবং কাজকর্ম বিশেষ করে পুণ্য কর্মের অনুপ্রেরণা দেয়। কোরান আশাবাদিতার ক্ষেত্রে অসংখ্য উদাহরণ এবং নমুনা উপস্থাপন করেছে। ধৈর্য ধারণ করা এবং সত্যের ওপর অটল থাকার মাধ্যমেই কেবল সুন্দর এবং আশাবাদী ভবিষ্যতের নিশ্চয়তা রয়েছে।মানুষ যেমন তার ভবিষ্যৎ সম্পর্কে জানে না, তেমনি আশা কিংবা নিরাশার ব্যাপারেও না। কিন্তু ইসলাম ইমান, পরহেজগারি, শান্তি ও নিরাপত্তার ছায়ায় উজ্জ্বল ভবিষ্যতের আশার সুসংবাদ দেয়। মনোবিজ্ঞানীরা আশাবাদকে জীবনের গুরুত্বপূর্ণ একটি দিক বলে মনে করেন। মানুষের মাঝে যদি আশা না থাকত, তাহলে মানুষ কোনো কাজই করতে পারত না। মানুষ যদি নিশ্চিত করে জানত কবে সে মারা যাবে, তাহলে তার জীবনযাপনের শৃঙ্খলাই নষ্ট হয়ে যেত। আল্লাহর বিধান হলো, যারা ইমান আনবে এবং নেক কাজ করবে তারা বিজয়ী হবে এবং প্রকৃত মুক্তি লাভকরার ব্যাপারে আশাবাদী হতে পারে।কোরান অনুযায়ী ভবিষ্যতের ব্যাপারে আশাবাদী হওয়ার উপায় হলো আল্লাহ ও তার রাসুলের দেয়া বিধানমতে জীবন পরিচালনা করা। দুনিয়া হচ্ছে মানুষের জন্য পরীক্ষা ক্ষেত্র ও পরকালীন জগতের পাথেয় অর্জনের স্থান। পবিত্র কোরান মুমিন এবং সৎ কর্মশীলদের জন্য সুসংবাদের এক সমৃদ্ধ ভাণ্ডার। কোরানে বলা হয়েছে, যারা ইমান এনেছে এবং সৎ কাজ করেছে, উজ্জ্বল ভবিষ্যতের ব্যাপারে তারা আশাবাদী হতে পারে। কেননা আল্লাহ নিজেই এ সুসংবাদ মুমিনদের দিয়েছেন। সুতরাং মানুষ হিসেবে আমাদের হতাশ হলে চলবে না। হতাশা হলো শয়তানের প্ররোচনা। শয়তান মানুষের মনে হতাশা ঢুকিয়ে দিয়ে তার কর্মতৎপরতা কেড়ে নেয়। পরিণতিতে জীবনে নেমে আসে ব্যর্থতা ও দারিদ্র্য। তাই মন থেকে সব ধরনের হতাশা মুছে ফেলে আল্লাহর সঙ্গে নিবিড় সম্পর্ক গড়ে তোলা প্রতিটি মুমিনের একান্ত কতর্ব্য।
হতাশা এবং উদ্বীগ্নতা আজ যেন আমাদের নিত্য সঙ্গী যা আমাদের কর্মক্ষমতা কমিয়ে দিচ্ছে, রাতের ভাল ঘুম একজন হতাশ মানুষকে তার হতাশা কমাতে সাহায্য করে। এতে আপনার আবেগের উপরও নিয়ন্ত্রন বাড়ে। কথাগুলো আমার নয় বলেছেন নিউওয়ার্কসিটির লুকাস রোজভেল্ট হসপিটাল সেন্টারের স্লীপ মেডিসিন (Sleep Medicine) এবং ক্রিটিক্যাল কেয়ার ইউনিটের পরিচালক ডাঃ রেইমন্ড জেন। আপনি সারা সপ্তাহ কর্মব্যাস্ত থাকার কারনে যদি পরিমিত ঘুম না হয়ে থাকে এবং মনে করেন সপ্তাহ শেষে ঘুমিয়ে পুষিয়ে নিবেন তা সম্ভব না, আপনাকে একটা ভারসম্য বজায় রাখতে হবে এটা ডাঃ রাপোপার্ট এর মতামত। তাহলে আজ রাতের ঘুমটা যেন ভাল হয় সে কামনায় রইল।
সকল হতাশা, দুঃখ যন্ত্রণা থেকে মুক্তি পাওয়ার উপায় হল নিজেকে ক্রমশ ব্যস্ত করে ফেলা।অলস মস্তিষ্ক মানেই শয়তানের কারখানা। জীবন ব্যস্ত থাকলেই ভালো, জীবন থমকে গেলেই পুরনো ভূতগুলো আবার মাথাচাড়া দিয়ে উঠে। থমকে থাকা জীবন পছন্দ না , ব্যস্ত জীবন চাই। ক্রমশ নিজেকেব্যস্ত বানিয়ে ফেলতে হবে .......
Related Questions
Next steps
- Find a doctor for in-person or online consultation
- Browse medical tests patients often ask about
- Check medicine information (uses, dosage, brands in Bangladesh)
- More health Q&A on Bissoy