2 Answers

আপনি নিয়মিত পাচ ওয়াক্ত নামাজ পড়ুন দেখবেন আপনার মন মানসিকতা পরিবর্তন হয়ে যাবে ও ধৈর্য্য এবং সহ্য শক্তি বৃদ্ধি পাবে ।।।

2860 views Answered

সাফল্যের পথে মাঝে মাঝে সব থেকে বড় বাধা হয়ে দাড়ায় আত্মসত্তা -এ কথাকে উড়িয়ে দেয়ার আগে ভালভাবে একবার জীবনের দিকে তাকানো উচিৎ। সফল হতে চাইলে বাধা আসবেই, এটা ধ্রুব সত্যি। কিন্তু তারপরেই মানুষ সফলতার শিখরে উঠতে পারছে। তার মানে ব্যর্থ মানুষের নিশ্চয়ই ব্যর্থতার কিছু কারণ আছে। সাফল্য একদিনেই আসে না। এর জন্য ইচ্ছাশক্তিও প্রয়োজন। আমরা সবাই তো জানি যে, ইচ্ছা থাকলে উপায় হয়। অবশ্যই সফলতার জন্য কঠোর পরিশ্রম, শৃঙ্খলা ও সঠিক সময়ে সঠিক কাজ করার অভ্যাস থাকতে হবে। কিন্তু পরিশেষে সেই সাফল্য নিজের ওপরেই নির্ভরশীল! প্রত্যেক মানুষের নিজের ইচ্ছা শক্তি আছে । আর এ ইচ্ছাশক্তি নানা অনুশীলনের মাধ্যমে বাড়ানো সম্ভব। এ লেখায় থাকছে তেমন ১০টি কাজ। দুর্বল মুহূর্ত থেকে শিখুন: আমাদের নানা দুর্বল মুহূর্ত থাকে, যে সময়টি ভালো ছিল না। কিন্তু পর্যাপ্ত চেষ্টা ও পরিশ্রমে সে দুর্বলতা কাটিয়ে ওঠা সম্ভব হয়েছে। পরবর্তীতে এমন মুহূর্ত সব সময় স্মরণ করতে হবে এবং তা থেকে অনুপ্রেরণা নিতে হবে। ধ্যান: মানসিক চাপ কমাতে ও ইচ্ছাশক্তি বাড়াতে ধ্যানের তুলনা হয় না। ধ্যান দেহ ও মনকে প্রশান্ত করে এবং মানসিক শক্তিও বাড়ায়। কঠিন কাজটি আগে করুন: আপনার মানসিক শক্তির একটি সীমা রয়েছে। আর এ সীমার মাঝে থেকেই সর্বোচ্চ কাজ করার জন্য প্রয়োজন কঠিন কাজটি আগে করা। এতে পরবর্তী কাজগুলো তুলনামূলকভাবে সহজসাধ্য বলেই মনে হবে। তাড়না দমন করুন: আবেগ কখনো কখনো কোনো নিয়ম ছাড়াই যুক্তিকে হার মানায়। আর ইচ্ছাশক্তি বা আবেগের অনুশীলন হতে পারে প্রিয় কোনো কাজ বাদ দিয়ে। দীর্ঘ সময়ের চিন্তা করুন: স্বল্প সময়ের জন্য কোনো কাজকে অতি প্রয়োজনীয় মনে হলেও তা দীর্ঘমেয়াদে ভিন্ন হতে পারে। এ বিষয়টি মাথায় রাখলে আপাতদৃষ্টিতে কোনো কঠিন কাজ করার মতো মানসিক শক্তি অর্জন করা সম্ভব হবে। পর্যাপ্ত ঘুম ও বিশ্রাম: গুছিয়ে কাজ করার ক্ষমতা বাড়াতে পর্যাপ্ত ঘুম ও বিশ্রাম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। আর এটি মানসিক শক্তিও বৃদ্ধি করে। মিষ্টি খাবারে আত্মবিশ্বাস: গবেষণায় ইচ্ছাশক্তি কমে যাওয়ার সঙ্গে রক্তের চিনির মাত্রা কমে যাওয়ার সম্পর্ক পাওয়া গেছে। আর মিষ্টি খাবারের মাধ্যমে বাড়তি কিছু চিনি গ্রহণ করতে পারলে আত্মবিশ্বাস কিছুটা হলেও বাড়ানো সম্ভব হয়। মানসিক অনুশীলন করুন: দেহের অনুশীলনের মতোই মানসিক অনুশীলনও যথেষ্ট কার্যকর। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে এতেও আপনার দক্ষতা বাড়বে। এসব অনুশীলনের মধ্যে রয়েছে ধাঁধাঁ সমাধান কিংবা মজার সিনেমা দেখার সময়েও না হাসা। বিরতি নিন: মানসিক শক্তিরও শেষ আছে। একটি দিনে আপনি যদি অনেকখানি মানসিক শক্তি ব্যয় করে ফেলেন তাহলে কিছুক্ষণ বিশ্রাম নিন। এতে আবার নতুন করে মানসিক উদ্যম পাওয়া যাবে। আত্মবিশ্বাস: কেউই নিখুঁত নয়। তার পরেও নিজের প্রতি বিশ্বাস স্থাপন মানসিক শক্তি বাড়াতে সহায়তা করে। এককথায় স্বপ্নে বিশ্বাসী হওয়াটা সব থেকে জরুরি। নিজের স্বপ্ন নিজেকেই পূরণ করতে হবে। দৃঢ় প্রত্যয়ে স্বপ্ন বাস্তবায়নে এগিয়ে গেলে সাফল্য সময়ের ব্যাপার মাত্র।

2860 views Answered

Related Questions

Next steps