আজও আমি এই সম্পর্কের অর্থ খুজিঁ, সেটা আসলে কি ছিল?
সঠিক পরামর্শ আর বুঝানোর জন্য একটু বিস্তারিত লিখা………………
আপু তখন আমি সফটওযার ফার্ম এ জব করতাম, মোটামুটি কাজ জানতাম আরো ও ভাল কাজ শিখার তাগিদ ছিল, মেয়েদের সাথে মিশার অভ্যাস ছিল না, বাস্তব মেনে চলা টা আমার ভিতর কাজ করত, ভালো পথে চলার চেষ্ঠা থাকত সব সময়, এর ভিতর আমার অধিতে একটা নতুন সদ্য মেয়েকে ৩ মাস কাজ শিখানোর দায়িত্ব পাই, ভাল করতে পারলে আমার সেস্কনে জব হবে, কাজ শিখানো শুরু করি, আমি সব সময় একটু কথা কম বলি, আর ছোট বেলা থেকে নিয়ম কানুন মেনে চলার অভ্যাস। যেহেুতু অফিসে আমার সেকশনে শুধু মেয়ে ছিল সবাই এই দিকে আর্কশন ছিল বেশি, এই ভাবে প্রায় ৫ মাস কাজ শিখায় আমি,এর ভিতর ও আমার সাথে বেশি কথা বলার চেষ্টা করত, আমার প্রতি তার অভিযোগ ছিল আমি এত ভাল ভাবে চলার চেষ্টা করি কেন, সব বুঝি কিন্তু করি না কেন্ ।
আপু যেহেতু এক সাথে এক রুমে ৫ মাস ছিলাম আস্তে আস্তে জানা শুনা হয়ে গেছে। আপু ওর লাইফ সব গল্পই নাকি আমাকে বলছে, একটা ছেলে কে পছন্দ করত কিন্তু বলতে পারে নাই, আর ও বাসা থেকে একটা ছেলের সাথে বিয়ে ঠিক হয়ে আছে, এর ভিতর মেযেটা একটা প্রাইভেট ভাসিৃটি ভতিৃ হয় ।
এক রাতে সে আমাকে তার সাথে আমার সাথে বন্ধুত্ব করার প্রস্তাব দেয়, আমি তাকে বুঝায় মেয়ে ছেলে এই ভাবে বন্ধুত্ব হয় না, আর সে সেই রাখেতে পারবে না,সে আমাকে বলে আমি বিয়া ঠিক হয়ে আছে, আমি অন্য সব মেয়েদের মত না, আমার সাথে তার সব কিছুই মিলে , সে ও আামার মত বাস্তব বাদী , প্রবলেম হবে না, ভাল ভেবে বিশ্বাস করে নিই , এরপর থেকে সব ক্ষেত্রে বন্ধুত্ব ভেবে যতটুকু পারছি সবরকম সাহায্য করে গেছি। ভাবে চলার পরামর্শ দিতাম, সে নিজে ও মানত এবং আমাকে ছাড়া কিছু বুঝত না।
আপু একটা সময় কম্পানী দেখল ও অতটা নিয়ম কানুন মানে না, কাজ ও বেশি ভাল করতেছে না, তখন তাকে রিসিপনিস্ট করার কথা বলে কিনতু সে রাজি হয় না, পরে কম্পানী না করে দেয়, সে খুব কষ্ট পায় আর আমার ও খারাপ লাগে, ঐই দিন তার কষ্ট দেখে আমি বাসা পযৃন্ত দিয়ে আসি , সেই দিন আমাকে বলল আমার সাথে সে কখনও সম্পর্ক ছ্ন্নি করবে না , জব টা চলে যাওয়ার পর ও আমার উপর খুব নিভৃর হযে পড়ে, বুঝতে পারি ও অনেক কষ্টা পাচ্ছে ,খাওযা দাওযা, পড়াশুনা কিছুই ঠিক মত করতেছিল না, এক সপ্তাহ পরে দেখা হলে দেখি সে খুব বিষন্ন , চোখের নিচে কালো দাগ পরে গেছে, আমার এই সব ভেবে তাকে বুঝানোর চেষ্টা করি ,সাপোট দিই, আস্তে আস্তে সে কষ্টা কাটিয়ে উঠার চেষ্টা করে্।
এর মাঝে আমি ও একই ভসির্টি ভর্তি হয়, ও সব সময় আমার সাথে সময় কাটানোর চেষ্টা করত, ভাসিৃটি যাওযার সময় আসার সময় আমার জন্য অপেক্ষা করত, আমি সব সময় দেখা করতাম না, এতে সে অভিমান করতে আমার প্রতি, এই ভাবে আরো ৬ মাসে তার বিভিন্ন অভিমানে আমাদের দেখা হয, প্রায ৫-৬ বার গুরাঘুরি হয়, আপু ওই বছর ১৩ ই ফেব্রুয়াী বাড়ি থেকে আসার কথা না থাকা সত্বেও,ও আমাকে না জানিয়ে চলে আসে এবং বলে দেখা করতে, ্ওই রাত ১২ পর্য্ত আমাকে ওর বাসার সামনে থাকতে বলে আমি কৌশলে চলে আসি। ও অভিমান করে। এর মাঝে আমি অনেক বার তাকে সম্পর্ক এর বিষয়ে সত্যি কথা বলার কথা বলি, সে আামকে ছুড়েঁ কসম করে তার কোন সম্পর্ক ছিল না আর এখন ও নাই। আমি প্রথম ছেলে তার লাইফে যার সাথে সে সম্পর্ক করেছে।
আপু বলে রাখা ভাল, আগে থেকেই ও মো্বাইল কথা বলত অনেক এর ই সাথে, আমি না করতাম, এটা ভাল না, আমি ফোন দিলেও বিজি পাইতাম, একটা সময় দেখলাম যারা ওকে ডিস্টার্ব করত তাদের সাথে ও কথা বলে, আমি তাকে বোঝানোর চেষ্টা করি এটা ঠিক না,। আপু এক সময় আমি না করা সত্বে ও, ওর পরিবার এর কা্উকে না জানিয়ে সে তার কলেজ বন্ধুকে সাথে নিয়ে কক্সাবাজার, বান্দরবান বনভোজন এ য়ায় , আমার কাছ বেপার খুব খারাফ লাগে, আমি এক সপ্তাহ খুবই কম কথা বলি সে আমাকে মেসেজ দেয় আমি তাকে ভুলে গেছি, নিষ্ঠুর আমি। আপু সেটা গেল, এরপর একদিন দিনের বেলা আমার সাথে কথা বল অবস্থায় হঠাৎ লাইন কেটে দিয়ে সে উদাও আমি ফোন দিস্ছি সে দরতেছে না, ৪ ঘন্টা পরে শুনি্ বন্ধুর ফোন পেযে দেখা করে গুরাঘুরি করে আসল, ওর এই আচরনে আমি তাকে ওই দিন ই কক্সবাজার থেকে আনা আচার ফেরত দিয়া দিই, এত সে কষ্ট পায়, আমি বুঝতে পেরে অনেক বার তার কাছে ক্ষমা চাইছি, আজও ক্ষমা চাই।
আপু আচাঁর এর বেপার টা আমি আমার রুমমেট এর সাথে শেয়ার করি, আমি জানতাম ওর সম্পর্ক ছিল, যেহেতু আমার একই অফিসে জব করতাম ও ওর সম্পর্কে জানত, আরে প্রয়োজনে যোগাযোগ ও হইত। আমি সেটাই জানতাম!! হঠাৎ দেখি আমার রুমমেট রাত দিন কার সাথে জানি কথা বলে, একদিন আমি ফজর নামায পড়তে উঠি দেখি সে কথা বলতেছে , আমি ওর মোবাইল এ কল দিলে বিজি পাই, সে একটু পর ফোন দিয়ে বলে তার মায়ের সাথে কথা বলেতেছে, আমি সত্যি ভাবি, পরে আরেকদিন দেখি স্কাপিতে কল দিসে, আমাকে সামনে দেখে আমার রুমমেট কেটে দেয়, পরের দিন অফিস যাওয়ার পথে ফোন বিজি, দুপুরে ফোন দিলে ও বিজি পাই, আমি্ আমার রুমমেট এর সাথে কথা বলে কিনা জানতে চাইলে বলে না, অনেক আগে কথা হইছিল ,উল্টা সে আমাকে বলে আমি সন্দেহ করি আমার ছোট মন। এইসব দেখে আমি তাকে বুঝাইয়া বলি সত্যি কিছু থাকরে বলার জন্য , সে বলে বলার মত কিছু নাই। আপু একদিন রাত ১২ টার পর ফোন দিয়ে আমি বিজি পাইলে আমি তাকে বলি আসলে সত্যি টা কি। সে তখন বলে আমাকে বলবে, সারারাত কষ্টে কাটার পর সকালে শুনি ওর কলেজ এর বন্ধুর সাথে ওর রিলেশন আছে, প্রথম থেকে সম্পর্ক তাদের এত দিন মিথ্যা কথা বলছে, কেন এত মিথ্যা ???
যে কিনা কোন ছেলের সাথে কখনও জীবনে কোন রিলেশান করে নাই।
আমি এই ১ বছর এর সম্পকে বার বার জানতে চাইলৈ ও সব সময় বলত আমি ছাড়া সে কখনও কার সাথে মিশে না।
আামাকে ছাড়া সে কখন ও বিয়ৈর পিড়িতে বসবে না ।
আমাকে সে কখন ও ভুলবে না
আমি তার সবচেয়ে কাছের বন্ধু
আমার সাথে সে সব সময় সত্যি কথা বলে
আমার শরির ছুড়ে কসম করছিল, তার সাথে কথনও কার সম্পৃক নাই, ছিল ও না
বাসা থেকে বিয়ে ঠিক করা আছে
সে অ্ন্য মেয়েদের মত না।
আপু ঠিক ওই দিন ই আমি তাকে বলেছিলাম সে আমাকে ভালেবাসে কি না, সে না বলে, আমি তাকে আমাকে বিয়া করার কথা বলি সে না করে । যাক আমি মেনে নিই এবং তাদের বিয়ের বিষয়ে সাহায্য করতেও বলি।
এর ভিতর আামার রুমমেট এর সাথে কথা হচ্ছে আমি বুজতে পারি, হঠাও রুমমটে এর স্কাইপে চেক করতে তাদেরে দিনে ও রাতের পর রাত মোবাইল এ কথা বলা, দেখা ও ঘুরাঘুরি হয় আমি সিউর হয়। ওরা আলাদা স্কাইপি ও ব্যাবহার করত, এবার আামর চাপের মুখে কিছু কিছু স্বিকার করে আমি যখন ঘুমাই ওর সারা রাত কথা বলে, অনেক বার তাদের দেখা সাক্ষাত ঘুরাঘুরি হইছে, জানিনা আর কি করছে তবে, সিক্বার করে না। তারপর ও সে বলে তার সাথে কোন সম্পর্ক নাই ওর সম্পর্ক ওর লাভার এর সাথে।
পরে আমার রুমমেট বুঝতে পারে আমি বিষয টা টের পাছ্চি, তখন সে ও্ আমাকে অপমনা করা শুরু করে, এই বিষযটা নিয়ে সে আমার অন্য রুমমেট এবং অফিসে আমার নামে বানোয়াট কথা বলে, সব শেষে ওরা আমার সামনেই আমাকে শুনিয়ে কথা বলা শুরু করে, আমি দুইজন কে অনেক বার বলা সত্যে ও , মাপ চাওয়া সত্যে ও ওরা আমাকে দেখাইয়া ওদের মত করে চলতে থাকে।আপু দুইজন ই পরে একসাতে একই রকম কথা বলে, যেমন- ওদের আগে থেকেই পরিচয় ছিল, কথা বললে কি হইছে, আমি ছোটলোক , আমি আর কষ্ট নিতে পারি নি, মানসিক ভাবে আমি খুব খারাফ অবস্থায় চলে য়ায, যার ভাল করতে সব সময় চাইছি, পাশে ছিলাম, সব রকম সহায়তা করলাম তাদেরে এই অপমান সহ্য না করেতে পেরে আমি বাসা জব , দুটাই ছেড়ে দেই। পড়াশুনা থেকে শুরু করে খুব খারাফ অবস্থা য়ায় আামর, এখন বুঝতে পারি এই মানসিক জন্তানার জন্য আমার মানসিক, শারিরিক মম্যসা ইহছে।
আমি চলে আসার পর আমার রুমমেট এর বাসায় আসার কথাও আমি শুনলাম, এর পর ও এরা বিভিন্না সময়ে এদের দোয় স্বাীকার করে না, ক্ষমা চাওয়া তো দূরের কথা উল্টা আমার দোষ দেয়, বন্ধুদের কাছে আমার নামে মিথ্যা কথা বলে।
আসলে আমি তাকে খুব বিশ্বাস করতাম, আর মনের অজান্তেই কখন যে মনের ভিতর ঠাঁই নিল বুঝতেই পারলাম না। সব শেষে আমি আমর হয়ত ভুল ভেবে তাকে যোগাযোগ করার সুযোগ রাখি, আমি ফোন দিলে আমাকে অনেক অপমানজনক কথা বলত, আপু একই ভাসির্টিতে পড়া সত্বেও সব রকম যোগাযোগ ই বন্ধ করে দেয়, ফোন নম্বর বন্ধ করে দেয়। হঠাৎ একদিন আমাকে ফেসবুকে এ মেসেজ দেয় সে তার প্রেমিক কে বিয়া করছে, সেই ই ঠিক, আমি ছোটলোক ছিলাম, কোন আশা ভরসা দেই নি, আমি সব ভুল বুঝি, উল্টা আমার দোয় দেয়।
যার ভালোর কথা ভেবে ,বন্ধুত্বের কথা ভেবে আজ ও আমি তার কোনও ক্ষতি করি নি ।
আপু আমি উওর খুজি আমার সাথে কাটানো দিন আর সময় গুলা আসলে কি ছিল??? এটা কি আসলে কোন বন্ধুত্ব ছিল?
এইসব শুনে আমি সব সময় খুব খারাফ অবস্থায় থাকি কেন এমন করল, আসলে কি আমার কোন দোষ ছিল?? আবার ভুল কি ছিল?? কেন এমন করল সে?? বুকের ভিতর এক চাপা কষ্ট কাজ করে যা অসর্য্যকর?? সে কে আমাকে সত্যি ভালবাসতে চাইছিল?? তারা তো ভুল সিক্বার ও করে না, ক্ষামা ও চায় না, এখন আমি কি করতে পারি, আমার কি করা উচিত। আমি কি ভাবে এই কষ্ট থেকে মুক্তি পেতে পারি??
2803 views
1 Answers
নিজেকে নতুনভাবে আবিষ্কার করুন,পুরোনো স্মৃতি ভুলে যান,কেননা তা শুধু কষ্ট এ বাড়াবে,পথ চলাকে রূঢ করবে।।।তাকে ভুলে যান,কষ্ট যদিও হয়,চেষ্টা করুন।
2803 views
Answered
Related Questions
Next steps
- Find a doctor for in-person or online consultation
- Browse medical tests patients often ask about
- Check medicine information (uses, dosage, brands in Bangladesh)
- More health Q&A on Bissoy