2 Answers

কোরবানির ঈদের গরু-খাসির মাংসে থাকে প্রচুর কোলেস্টেরল ও তেল-চর্বিসমৃদ্ধ । তাই এ খাদ্য সতর্ক বা সচেতনভাবে খাওয়া উচিত । মোটকথা পরিমিতিবোধ ভেঙ্গে অসচেতনভাবে কোরবানির মাংস খেলে আন্ত্রিক গোলযোগ বা পেটের নানাবিধ সমস্যা হতে পারে । যাদের হজমশক্তি কম তাদের মাংস গ্রহণ থেকে প্রধানত হজম জনিত সমস্যা এবং পেট খারাপ হয়ে থাকে । যাদের আগে থেকে পেপটিক আলসার ডিজিজ (PUD) বা গ্যাস্ট্রিক আলসার জনিত সমস্যা আছে তাদের পেট-বুক জ্বালাপোড়া ও টক ঢেকুর উঠা সমস্যা আরো বেড়ে যায় । আবার অনেক সময় সঠিক উপায়ে ও সঠিক তাপমাত্রায় মাংস রান্না না করার কারণেও ফুড পয়জনিং হয়ে থাকে। বদহজমে যেসব লক্ষণ দেখা যায় : ফুড পয়জনিং-এর রোগীরা বমি বা বমি বমি ভাব হওয়া, পাতলা পায়খানা, জ্বর এবং মলের সঙ্গে রক্ত যাওয়া সমস্যায় ভোগেন । ঠিকমত রান্না না করা মাংস খেলে পেটে এক ধরনের অস্বস্তিকর অনুভূতি, পেট ফাঁপা ও মোচড়ানো এবং পাতলা পায়খানা হতে পারে । সমস্যা প্রতিরোধে করণীয় : ফুড পয়জনিং বা পাতলা পায়খানা হলে ওরস্যালাইন, লবণ-গুড়ের শরবত, চিড়ার পানি, ডাবের পানি, ভাতের মাড় খেতে হবে । লক্ষ রাখতে হবে রোগীর যেন ডিহাইড্রেশন বা পানিস্বল্পতা না হয় । এ রোগীদের বিশ্রামে থাকা ভালো। লক্ষণ ভিত্তিক চিকিৎসা যেমন জ্বর হলে প্যারাসিটামল, পেট মোচড়ালে এন্টিস্পাসমোডিক ড্রাগ দেয়া হয় । সমস্যা তীব্র হলে চিকিৎসকের পরামর্শে ওষুধ খেতে হয় । এরপরও যদি লক্ষণ না কমে, রোগী দুর্বল ও ডিহাইড্রেশনে ভোগেন তবে হাসপাতালে ভর্তি করাতে হবে । সর্বোপরি, পরিপূর্ণ রান্না করা মাংস পরিমিত পরিমাণে খেতে হবে । এবং পূর্বের গ্রহণ করা মাংস হজম না হওয়া পর্যন্ত নতুন করে মাংস গ্রহণ না করাই ভাল ।

5063 views

Antacid অথবা cold drink খান

5063 views

Related Questions