বাচ্চা হওয়ার পর আজান দেওয়ার সিস্টেম কি বিস্তারিত বললে খুশি হব?
3 Answers
আবু রাফে তাঁর পিতা হতে বর্ণনা করেন: ” ﺭﺃﻳﺖُ ﺭﺳﻮﻝ ﺍﻟﻠﻪ ﺻﻠﻰ ﺍﻟﻠﻪ ﻋﻠﻴﻪ ﻭ ﺳﻠﻢ ﺃﺫّﻥَ ﻓﻲ ﺃُﺫُﻥِ ﺍﻟﺤﺴﻦِ ﺍﺑﻦ ﻋﻠﻲٍّ ﺣﻴﻦ ﻭﻟﺪﺗﻪُ ﻓﺎﻃﻤﺔ ﺑﺎﻟﺼﻼﺓ ” ﺭﻭﺍﻩ ﺃﺑﻮ ﺩﺍﻭﺩ ﻭﺍﻟﺘﺮﻣﺬﻱ ﻭ ﻗﺎﻝ: ﻫﺬﺍ ﺣﺪﻳﺚ ﺻﺤﻴﺢ. “আমি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে আলীর পুত্র হাসানের কানে নামাযের আযানের মত আযান দিতে দেখেছি, যখন ফাতেমা (রাযি:) তাকে জন্ম দেয়।” [তিরমিযী, অধ্যায়, আযাহী, অনুচ্ছেদ নং ১৫, হাদীস নং ১৫৫৩] তাই, বাচ্চা ভূমিষ্ঠ হওয়ার পর যত তাড়াতাড়ি সম্ভব এই আযান দিতে হবে। যেন তার কানে আল্লাহর মহত্ব বিষয়ক প্রথম আওয়াজ প্রবেশ করে এবং শয়তান দূরে চলে যায় ।
নবজাতক শিশুর কানে আজান দেওয়ার শরয়ী নিয়ম হচ্ছে, বাচ্চাটির কানে দুনিয়াবি কোন কথা প্রবেশ করার পুর্বে তার ডান কানের অতি নিকটবর্তী হয়ে কর্ণকুহরে আজান এবং অনুরূপভাবে বাম কানে ইকামাত দিয়ে তার কানে সর্বপ্রথম তৌহিদের বানী পৌঁছে দিবে।
বাচ্চা ভূমিষ্ঠ হওয়ার পর যত তাড়াতাড়ি সম্ভব আযান দিতে হবে। মেয়ে জন্ম হলে তার কানে আযান দিতে হবে আর ছেলে জন্ম হলে ঘরের এক কোনো দাড়িয়ে বড় করে আযান দিতে হবে.... যেন তার কানে আল্লাহর মহত্ব বিষয়ক প্রথম আওয়াজ প্রবেশ করে এবং শয়তান দূরে চলে যায় ।