5 Answers
মেয়েরাতাদের বুক যদি ওরনা দিয়ে ঢেকে রাখে তাহলে কোন ছেলের দৃষ্টি সেখানে যাবে না। মিষ্ট যদি ঢেকে না রাখা হয় তাহলে তাতে মাছি বসবে এবং ময়লা পরবেই। তেমনি একটি মেয়ে যদি না তার আভ্রু ঢেকে না রাখে ছেলেরা বাজে ইংগিত করবে, খারাপ দৃষ্টিতে তাকাবেই।
মূলত একটা পর্দাশীল বা শালীন পোশাক পরিহিত মেয়ের দিকে ছেলেরা কখোনো বাজে দৃষ্টিতে তাকায় না। উল্টো ঐ মেয়ের প্রতি শ্রদ্ধাশীল দৃষ্টিতে তাকায়।
অন্যদিকে, একটা অশালীন পোশাক পরিহিত মেয়েদের নানারকম বাজে পরিস্থিতির স্বীকার হতে হয়।
উচিৎ কথা বলতে গেলে, ছেলেদের কোন দোষ নাই। ছেলেরা সুযোগ পায় বলে সুযোগের অপব্যবহার করে। মেয়েরা নিজেদের অসতর্কতা, আবেগ এবং বেপরোয়া জীবন যাপনের কারনে প্রতিনিয়ত ব্লেকমেইল, ধর্ষন এবং নানা ধরনের প্রতারণার সম্মুখীন হতে হয়।
মূলত এটা ছেলেদের দৃষ্টিভঙ্গির সমস্যা। তারা ছোটবেলা থেকেই শিক্ষার অভাবের কারণে কাজটি করে থাকে। বাহিরের দেশে এমনটা একেবারেই হয় না। কারণ তারা নারী পুরুষকে আলাদাভাবে ট্রিট করার সময়ই পায় না। এ কারণে এমন অসাধু দৃষ্টিভঙ্গিও তারা দেয় না। তাছাড়া এমনই যদি হয় যে নারীদের ঐসব স্থান ছেলেদের আকৃষ্ট করার মত। তাহলে ছেলেদের দেহের কিছু অংশেও নারীদের দৃষ্টি দেয়া উচিত বিশেষ করে ছেলেরা নারীদের দেখে যখন শিহরিত হয়ে ওঠে। কিন্তু নারীরা তা করেন না, তারা বিষয়টিকে দেখেও দেখেন না। কারণ তাদের রুচি কতিপয় অসুস্থ মস্তিষ্কের ছেলেদের মত নিকৃষ্ট নয়। আর অবশ্যই খেয়াল করে দেখবেন সব ছেলেরা এমন নিকৃষ্ট দৃষ্টিভঙ্গির প্রমাণ দেন না। অনেক নারীরা বিভিন্নভাবে আকৃষ্ট করতে চাইলেও তারা তাদের চোখ সংবরণ করেন। তাই বলা যায় এই বদ অভ্যাসটি কিছু অশিক্ষিত, রুচিহীন, হীনমন্যতাসম্পন্ন এবং নিকৃষ্ট দৃষ্টিভঙ্গির ছেলেদের মাঝেই দেখা যায়, যারা সমাজের কীট ছাড়া আর কিছুই না।
এটির দুটি কারণ থাকতে পারে।
প্রথমত, অনেক ছেলেই আছেন যারা এভাবে মেয়েদের বুকের দিকে তাকিয়ে কথা বলেন। তারা আসলে কোনো উদ্দেশ্যপ্রবণ হয়ে তাকিয়ে থাকেন না। তাদের স্বভাবগত বৈশিষ্ট্যই এটা। দেখা যায় যে তারা কথা বলছেন ঠিকই কিন্তু তাকাচ্ছেন বুকের দিকে। আমরা অনেকেই যেমন কথা বলার সময়ে আকাশের দিকে বা অন্য কোনো দিকে তাকিয়ে থাকি তেমনি তারাও উদ্দেশ্য ছাড়াই এই কাজটি করে থাকেন। যদিও মেয়েরা এতে বিব্রতবোধ করেন বলে তাদের এই অভ্যাসটি ত্যাগ করা উচিত।
দ্বিতীয়ত, কিছু ছেলেই আছে যারা অনেকটা বাজে উদ্দেশ্য নিয়েই এই কাজটা করে থাকে। তারা কথা বলার চেয়ে মেয়েদের বুকের দিকেই বেশি মনোযোগ দিয়ে থাকে। এই ধরনের ছেলেগুলোকে শায়েস্তা করা উচিত যেন এই জাতীয় কাজ তারা দ্বিতীয়বার না করে।
নারীর এইসকল অংগ পুরুষকে আকৃষ্ট করে। তাই পুরুষরা সেদিকে তাকাবে এটাই স্বাভাবিক। তবে সব স্বাভাবিক প্রকৃয়ার শতঃস্ফুর্ত প্রকাশ সর্বদাই ঘটানো উচিত নয়। নিয়ন্ত্রন ও অন্যের প্রতি সম্মান বজায় রাখাটা জরুরী। তবে, অনেক সময় ছেলেদের এসব বিষয় নিয়ন্তনাধীন থাকেনা। অবচেতন মনেই চোখ চলে যায়। এতে শুধু মেয়েরাই বিব্রত হয় তা না, ছেলেরাও হয়। আপনাকে মনে রাখতে হবে, আমরা মুসলিম রক্ষনশীল পরিবেশ বড় হই। যেখানে ছেলেরা মেয়েদের ব্যাপারে অতিমাত্রায় কৌতুহলী হয়ে বড় হয়। এই কৌতুহল টা সচেতন/অবচেতন মনে কাজ করে। আর খারাপ ভাল ছেলে-মেয়ে সবার মধ্যেই আছে। সেটা অন্য প্রসংগ।
এটা বিপরীত লিঙ্গের প্রতি মানবসন্তানের সহজাত আকর্ষণের ফল। সৃষ্টির শুরু থেকেই মানবসন্তান তার বিপরীত লিঙ্গের স্পর্শকাতর অঙ্গসমূহের প্রতি আকর্ষণ বোধ করে আসছে। তবে এই প্রবৃত্তিকে দমন করাই হলো প্রকৃত মানবসন্তানের কাজ।
Related Questions
Next steps
- Find a doctor for in-person or online consultation
- Browse medical tests patients often ask about
- Check medicine information (uses, dosage, brands in Bangladesh)
- More health Q&A on Bissoy