Dr. MD. Mamunur Rashid
এমবিবিএস
,
বিসিএস (স্বাস্থ্য)
এমডি ( গ্যাস্টোএন্টারোলজি) রেসিডেন্ট
বিএমইউ, ঢাকা, মেডিকেল অফিসার (সাবেক), ইসলামী ব্যাংক মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, রাজশাহী, প্রভাষক, নওগাঁ মেডিকেল কলেজ, নওগাঁ(সাবেক), জিপি (মেডিসিন)
অভিজ্ঞ (মেডিসিন, লিভার এবং গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজি)
খুব দ্রুত ওজন কমানোর
কিছু উপায় :
আজকাল অপারেশনের সাহায্যে ভুড়ি
বা বেদ কমানো হচ্ছে।
লাইপোসাকশন বা
অ্যাবডোমিনো ফ্লৎস্টির
সাহায্যে মেদ কমানো হচ্ছে। কিন্তু
এটার পার্শপ্রতিক্রিয়াও রয়েছে
অনেক।
ওজন হ্রাসকারী খাদ্যে ক্যালসিয়াম ও
লোহার অভাব ঘটতে পারে।
এক্ষেত্রে ডিম কলিজা লোহার
চাহিদা পূরণ করবে। চেষ্টা করবেন লবণ
বর্জিত খাদ্যগ্রহণ করতে।
এক্ষেত্রে খাবার মেপে মেপে
খাওয়ার প্রয়োজন নেই মোটা
মোটি একটা হিসাব করলেই চলবে।
শরবত, কোকাকোলা, ফান্টা
ইত্যাদি মৃদু পানীয় সব রকম মিষ্টি
তেলে ভাঁজা খাবার, চর্বি যুক্ত
মাংস, তৈলাক্ত মাছ, বাদাম,
শুকনাফল, ঘি, মাখন, সর ইত্যাদি পরিহার
করা প্রয়োজন। শর্করা ও চর্বি জাতীয়
খাদ্য ক্যালরির প্রধান উৎস। অধিক চর্বি
যুক্ত কম ক্যালরির খাদ্যে স্থুল ব্যক্তির
ওজন খুব দ্রুত কমে। ওজন কমাতে পরিশ্রম ও
নিয়মিত ব্যায়েমের পাশাপাশি
খাদ্য তালিকায় পরির্তন খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
সকালঃ দুধ ছাড়া চা বা কফি, দুটো
আটার রুটি, একবাটি সবজি সিদ্ধ, ১
বাটি কাঁচা শশা। শশা ওজন কমাতে
জাদুর মত কাজ করে।
দুপুরঃ ৫০-৭০ গ্রাম চালের ভাত। মাছ
বা মুরগির ঝোল ১ বাটি। এক বাটি
সবজি ও শাক, শশার সালাদ, এক বাটি
ডাল এবং ২৫০ গ্রাম টক দই।
বিকালঃ দুধ ছাড়া চা বা কফি, মুড়ি
বা বিস্কুট ২টা।
রাতঃ আটার রুটি তিনটা, একবাটি
সবুজ তরকারি, একবাটি ডালম টকদই
দিয়ে এক বাটি সালাদ এবং মাখন
তোলা দুধ।
দৈনিক এক গ্রাম প্রোটিন গ্রহণ করলে
দেহে প্রোটিনের অভাব থাকে না।
৬০ কিলোগ্রাম ওজন বিশিষ্ট ব্যক্তির
খাদ্য ৬০ গ্রাম প্রটিন হলেই ভাল হয়।
প্রতি মাসে একদিন ওজন মাপতে হবে,
লক্ষ্য রাখতে হবে ওজন বাড়ার হার কম
না বেশী। ওজন বৃদ্ধি অসুখের লক্ষণ। মেদ
বা ভূড়ি এদের অতিরিক্ত ওজন
কোনটাই স্বাস্থ্যের লক্ষণ নয়। বরং
নানা অসুখের কারণ হয়ে দেখা দেয়
একথা সব সময় মনে রাখবেন এবং
স্বাস্থ্য সচেতন হবেন।