1 Answers

যেহেতু প্রশ্নটি ইসলাম বিভাগে করেছেন তাই ইসলামী দৃষ্টিকোণ থেকে এটা একটা হারাম কাজ। প্রত্যেক আল্লাহভীরু মুসলমানদের এ থেকে বিরত থাকা অবশ্যকরণীয়

শয়তানের ধোকায় পড়ে যারা এরকম পরিস্থিতির স্বীকার তারা যেন আল্লাহর কাছে অনুশোচনার সহিত তাওবা করে নেয়। নিঃসন্দেহে আল্লাহ বান্দার তাওবা করাকে খুবই পছন্দ করেন।

ভুল স্বীকার করে পূর্বেকৃত পাপের জন্য আল্লাহর কাছে খালিস দিলে (একনিষ্ঠ হয়ে) তাওবা করার জন্য শর্ত ৩টিঃ

১- উক্ত গোনাহ ২য় বার আর না করা।

২- নিজের কৃত পাপের জন্য লজ্জিত হওয়া।

৩- আর দৃঢ় প্রতিজ্ঞ হওয়া যে, আর কখনো উক্ত পাপ কাজ করবো না।

( রিয়াদুস সালিহীন, তাওবার অধ্যায়)

আরো জানতেঃ

তাওবা সংক্রান্ত এই আর্টিকেলটি পড়তে পারেন।


বীর্যপাত ও গোসলের আলোচনাঃ

উত্তেজনার সহিত ( স্বপ্নদোষ, সহবাসের কারণে ) বীর্যপাত হলে গোসল ফরয হয়। ( হস্তমৈথুনের যেহেতু উত্তেজনার সহিত বীর্যপাত ঘটে তাই গোসল ফরয। যদিও একটা হারাম কাজ )


"ফরয গোসলের" পদ্ধতিঃ

ফরয গোসলের ক্ষেত্রে ৩টি কাজ করা ফরজঃ

১- ভালো করে ৩বার কুলি করা

২- ভালো করে ৩বার নাকে পানি দেয়া ও পরিস্কার করা (কুলি ও নাকে পানি দেয়ার ক্ষেত্রে রামাযান মাসে সতর্ক থাকতে হবে)

৩- সমস্ত দেহ ভালো ভাবে ধোয়া। (কানের চিপা, নাভির ছিদ্র, কুঁচকি ও হাঁটুর ভাজ ও শরীরের অন্যান্য ভাঁজে ভালোভাবে ঢলা যাতে পানি সবখানে পৌছে যায়-কোন জায়গা শুকনো না থাকে।)

স্মর্তব্যঃ

গোসলের ফরয ৩টি আদায় না করলে "ফরয গোসল" সম্পন্ন হবে না। অনেকে এদিকে ভ্রূক্ষেপ না করে স্বাভাবিক ভাকে স্নান কার্য সেরে মনে করেন "ফরয গোসল" আদায় হয়ে গেছে। অথচ তারা আদৌ  পবিত্রতা হাসিন করেন নি। আর  এই গোসল দ্বারা তাদের অবহেলার হেতু স্বরূপ ইবাদত তথা নামায, কুরআন তেলাওয়াত সহীহ্‌ (শুদ্ধ) হয় না ।

ইনশা আল্লাহ! আমরা সবাই এ বিষয়ে সচেষ্ট থাকবো।

জাযাকুমুল্লাহু খাইরান (আল্লাহ আপনাদের সবাইকে উত্তম বিনিময় দান করুন)

 

22899 views Answered

Related Questions

Next steps